Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

দূতাবাসে হামলা চালিয়ে আমেরিকার কতটা ক্ষতি করতে পারল ইরান?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ০৩
দূতাবাসে হামলা চালিয়ে আমেরিকার কতটা ক্ষতি করতে পারল ইরান?

ইরানে যুদ্ধ শুরু করার পরপরই উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা শুরু করে তেহরান। এরমধ্যে গত মাসে সৌদি আরবের এক মার্কিন দূতাবাসে ইরানের একটি ড্রোন হামলায় আগের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তারা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যা বলা হচ্ছে, বাস্তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ। তাছাড়া এও ইঙ্গিত দেয় যে ওই দেশগুলোতে ওয়াশিংটনের স্থাপনাগুলোতেও আঘাত হানার সক্ষমতা রয়েছে ইরানের।

সৌদির হামলার ঘটনা উল্লেখ করে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, হামলাটি ঘটেছিল ৩ মার্চ। রিয়াদের সুরক্ষিত ডিপ্লোম্যাটিক কোয়ার্টারের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে মার্কিন কম্পাউন্ডে আঘাত হানে ইরানি ড্রোন। এক মিনিট পর আরেকটি ড্রোন প্রথমটির তৈরি গর্ত দিয়ে ভেতরে ঢুকে বিস্ফোরিত হয় বলে কর্মকর্তারা জানান।

রাতের এই হামলা দূতাবাসের একটি সুরক্ষিত অংশে আঘাত হানে, যেখানে দিনে কয়েকশ মানুষ কাজ করেন। এতে তিনটি তলা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তি ওয়াল স্ট্রিটকে জানান, ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলোর মধ্যে সিআইএ-এর একটি স্টেশনও ছিল।

যদিও সে সময় সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, হামলায় সীমিত অগ্নিকাণ্ড ও সামান্য ক্ষতি হয়েছে, তবে বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের মতে ক্ষয়ক্ষতি ছিল অনেক বেশি এবং এতে প্রায় ১২ ঘণ্টা ধরে আগুন জ্বলতে থাকে। দূতাবাসের কিছু অংশ এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেগুলো পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন এক ব্যক্তি।

Arab Emirates
কাতারে একটি স্থাপনায় হামলার পর ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। ছবি: রয়টার্স

ওই রাতে কয়েক ঘণ্টা পর আরও কিছু ড্রোন প্রতিহত করা হয়, যার ধ্বংসাবশেষ একটি প্রি-স্কুলের কাছাকাছি পড়ে। ধারণা করা হয়, ওই হামলার একটি লক্ষ্য ছিল সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদস্থ কূটনীতিকের বাসভবন, যা দূতাবাস থেকে কয়েকশ ফুট দূরে অবস্থিত।

ওয়াল স্ট্রিট জানায়, রাত ১টা ৩০ মিনিটে এই হামলা ঘটে। কর্মকর্তারা বলেন, এটি যদি দিনে কাজ চলাকালীন সময়ে হত, তাহলে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারত। তবে এই হামলার মাধ্যমে একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে—ইরান এমন স্থানেও মার্কিনদের লক্ষ্যবস্তু করতে পারে, যেগুলোকে আগে নিরাপদ মনে করা হতো।

সিআইএ-এর সাবেক সন্ত্রাসবিরোধী কেন্দ্রের প্রধান বার্নাড হুডসন বলেন, “ইরান নিজস্ব প্রযুক্তিতে এমন একটি অস্ত্র তৈরি করতে পেরেছে, যেটি শত শত মাইল দূরে নিক্ষেপ করে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষের দূতাবাসে আঘাত হেনেছে। এর অর্থ তারা চাইলে শহরের যেকোনো স্থানে আঘাত হানতে পারে।

এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ও ঘাঁটিগুলোতে আসল ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে সম্পূর্ণ নীরবতা বজায় রাখা হয়েছে। এতে সন্দেহ জোরদার হয় যে বাস্তবে আরও বেশি ক্ষতি হয়ে থাকতে পারে।”

ওয়াল স্ট্রিট জানায়, মার্চের শেষ দিকে সৌদির প্রিন্স সুলতান মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে আরেকবার নিজেদের সক্ষমতার জানান দেয় ইরান। ওই ঘাঁটির মার্কিন বিমানগুলোকে নিখুঁতভাবে আঘাত করে ইরান। দ্বিতীয়বারের মতো মার্কিন ট্যাংকারে আঘাত হানতে সক্ষম নয় ইরানের অস্ত্র। ওই হামলায় প্রায় এক ডজন সেনা আহত হন, যার মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, এই যুদ্ধে ভারসাম্যহীনতা স্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২০ হাজারের বেশি বিমান হামলা চালিয়ে ইরানের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করেছে, সামরিক অবকাঠামো ও অস্ত্রভাণ্ডারের বড় অংশ ধ্বংস করেছে এবং ইস্পাতসহ বিভিন্ন উৎপাদন কেন্দ্র ভেঙে দিয়েছে। তবে ইরান এখনো নিয়মিতভাবে এমন হামলা চালাতে সক্ষম, যা যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো, বিমানবন্দর ও জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করছে।

গতকাল শুক্রবার একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে ইরান। এর মধ্যে একটি হলো এফ-১৫ বিমান ও এ-১০ ওয়ার্থগ মডেলের আরেকটি যুদ্ধবিমান।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তেহরান এবং তার আঞ্চলিক মিত্ররা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও কূটনৈতিক স্থাপনাগুলোর ওপর সবচেয়ে বিস্তৃত ও ঘন ঘন হামলা চালিয়েছে।

ওয়াল স্ট্রিট জানিয়েছে, বাগদাদ, দুবাই, কুয়েত সিটি, রিয়াদ ও ইরাকি কুর্দিস্তানের এরবিলে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বা কনস্যুলেটগুলো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বা আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। অবশ্য এসব হামলায় কোনো মার্কিন নাগরিক নিহত হয়নি। তবে ঘাঁটিগুলোর ওপর হামলায় সাতজন সেনা নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন, পাশাপাশি যুদ্ধবিমান ও সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যার আর্থিক পরিমাণ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

নিরাপত্তাজনিত কারণে বিদেশে মার্কিন মিশনের সুরক্ষা ব্যবস্থার নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয় না বলে জানিয়েছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় সৌদি আরব তুলনামূলক কম হামলার শিকার হয়েছে। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরান প্রায় আড়াই হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে।

গতকাল শুক্রবার একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে ইরান। ছবি: রয়টার্স
গতকাল শুক্রবার একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে ইরান। ছবি: রয়টার্স

তা সত্ত্বেও ইরানে একটি হুঁশিয়ারির পর মার্কিন কোম্পানি রয়েছে রিয়াদের এমন কয়েকটি ব্যবসা পার্ক ও অফিস টাওয়ার কয়েক দিনের জন্য বন্ধ রাখা হয়।

ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলো অন্যগুলোর মতো নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা করে না। পরিবর্তে সুরক্ষা ও উন্নত অগ্নিনির্বাপণের জন্য স্বাগতিক দেশের ওপর নির্ভর করে।

সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের মতে, সৌদির সামরিক বাহিনী কাছাকাছি একটি রাজ প্রাসাদকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা দিয়ে সুরক্ষা দেয়, যার কভারেজ ডিপ্লোম্যাটিক কোয়ার্টার পর্যন্ত বিস্তৃত। আর এই নিরাপদ এলাকায় আঘাত হেনেছে ইরান।

ওই এলাকায় অধিকাংশ বিদেশি দূতাবাসের পাশাপাশি হাজারো প্রবাসী ও সৌদি নাগরিক বসবাস করেন। তাদের মধ্যে শীর্ষ ব্যবসায়ী, কয়েকজন মন্ত্রী এমনকি রাজপরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন। এই এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমা নাগরিকদের জন্য এক ধরনের আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত। কয়েক বছর আগে এই ডিপ্লোম্যাটিক কোয়ার্টার বারবার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছিল, যা চালিয়েছিল হুতিরা।

বিষয়: হামলাইরানইরান-ইসরায়েল সংঘাতড্রোনমধ্যপ্রাচ্যডোনাল্ড ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্রইসরায়েল
সর্বশেষ
  • ১

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

  • ২

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ৩

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৪

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

  • ৫

    সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।