Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

মানুষের আয়ু ২০০ বছরে নিতে পারে তিমির প্রোটিন, কীভাবে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৫: ২৭
মানুষের আয়ু ২০০ বছরে নিতে পারে তিমির প্রোটিন, কীভাবে?

মানুষের গড় আয়ু বর্তমানে ৭০ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও প্রকৃতিতে এমন অনেক প্রাণী আছে যারা শতাব্দী পার করে অনায়াসেই বেঁচে থাকে। এদের মধ্যে অন্যতম হলো ‘বো-হেড’ তিমি। সমুদ্রের এই বিশালকায় বাসিন্দা ২০০ বছরেরও বেশি সময় বেঁচে থাকতে পারে। শুধু দীর্ঘায়ু নয়, বার্ধক্যজনিত রোগ এবং ক্যানসারের মতো মরণব্যাধির বিরুদ্ধেও এই তিমির রয়েছে অবিশ্বাস্য প্রতিরোধ ক্ষমতা। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব রচেস্টারের একদল বিজ্ঞানী এই রহস্য উন্মোচনের দাবি করেছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার’-এ প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, বো-হেড তিমির দীর্ঘ জীবনের মূলে রয়েছে একটি বিশেষ প্রোটিন, যার নাম ‘সিআইআরবিপি’। এই প্রোটিনটি মূলত ডিএনএ মেরামতের কাজ করে। আমাদের শরীরের ডিএনএ যখন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন শরীরে রোগ বাসা বাঁধে এবং আয়ু কমে যায়। বো-হেড তিমির শরীরে এই সিআইআরবিপি প্রোটিন অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর তুলনায় প্রায় ১০০ গুণ বেশি থাকে। আর এই উচ্চমাত্রার প্রোটিনই তাদের নিরবচ্ছিন্নভাবে ডিএনএ মেরামত করতে সাহায্য করে।

আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব রচেস্টারের গবেষকরা যখন পরীক্ষাগারে মানুষের কোষ ও মাছির কোষে এই বো-হেড তিমির প্রোটিন যুক্ত করেন, তখন ফলাফল ছিল চমকপ্রদ। দেখা গেছে, উভয় ক্ষেত্রেই ডিএনএ মেরামতের গতি বহুগুণ বেড়ে গেছে। আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই প্রোটিনের প্রভাবে মাছিদের জীবনকাল উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

গবেষণায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বো-হেড তিমিরা উত্তর মেরুর হিমাঙ্কের নিচে থাকা শীতল জলে বাস করে। বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন, নিম্ন তাপমাত্রা এই সিআইআরবিপি প্রোটিনের উৎপাদন ও কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয়। অর্থাৎ, তিমির বসবাসের পরিবেশই তাকে প্রাকৃতিকভাবে দীর্ঘজীবী হতে সাহায্য করছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব শেফিল্ডের বিজ্ঞানীদের মতে, তারা এখন ভাবছেন কীভাবে মানুষের শরীরে এই প্রোটিনের মাত্রা বাড়ানো যায়। লাইফস্টাইলে পরিবর্তন বা ঠান্ডা পানিতে গোসল করার মতো পদ্ধতিগুলো এই প্রোটিন বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে কি না, তা নিয়ে বিস্তর গবেষণা চলছে।

বিজ্ঞানীদের এই আবিষ্কার কেবল তিমির রহস্য উন্মোচন নয়, বরং এটি মানবদেহের কোষীয় পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী ধাপ। গবেষকরা মনে করছেন, বো-হেড তিমির এই বিশেষ প্রোটিনটি মানুষের বার্ধক্যজনিত জটিলতা যেমন—আলঝেইমার বা পারকিনসন্স রোগের চিকিৎসায় নতুন আশার আলো দেখাতে পারে। কারণ, এই রোগগুলোর প্রধান কারণ হলো মস্তিষ্কের কোষের ডিএনএ ক্ষয় হওয়া, যা সিআইআরবিপি প্রোটিন কার্যকরভাবে রোধ করতে সক্ষম।

তাছাড়া, বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে এই তিমির বিশাল আকারও একটি গবেষণার বিষয়। সাধারণত বড় প্রাণীদের কোষে বিভাজন বেশি হয় বলে তাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি থাকার কথা, যা ‘পেটোস প্যারাডক্স’ নামে পরিচিত। কিন্তু বো-হেড তিমি তাদের দেহে থাকা উচ্চমাত্রার সিআইআরবিপি প্রোটিনের মাধ্যমে সেই ঝুঁকি শূন্যে নামিয়ে এনেছে।

মানুষের ২০০ বছর বেঁচে থাকা হয়তো এখনই বাস্তব নয়। গবেষকদের আশা, তিমির এই জৈবিক কৌশলকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে হয়তো মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুস্থভাবে বেশিদিন বেঁচে থাকার ওষুধ তৈরি করা সম্ভব হবে।

বিষয়: গবেষণারোগমৃত্যুযুক্তরাষ্ট্র
সর্বশেষ
  • ১

    এশিয়া কাপ: শিরোপায় চোখ রেখে বাংলাদেশের ‘ভারত পরীক্ষা’

  • ২

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ৩

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৪

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৫

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।