দেশের জ্বালানি খাতের বাজারে প্রবেশ করতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা ওয়েল অ্যান্ড গাস কোম্পানি লিমিটেড (বিওজিসিএল)।
সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পাশাপাশি এবার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সরাসরি ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও ফার্নেস ওয়েল আমদানি ও বিপণনের সুযোগ চায় শিল্পগ্রুপটি।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী বরাবর পাঠানো চিঠিতে দেশের জ্বালানি খাতের বর্তমান চিত্র, ভবিষ্যৎ চাহিদা এবং নিজেদের পরিশোধনাগারের সক্ষমতা তুলে ধরে এই আবেদন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী বরাবর পাঠানো এই চিঠির সূত্র নম্বর বিওজিসিএল/জ্বাঃ খঃ/নিঃব্যঃবিঃ/০৫-০১, তারিখঃ ২৪ মে ২০২৬ খিঃ।
চিঠির বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘‘বসুন্ধরা ওয়েল অ্যান্ড গাস কোম্পানি লিমিটেড'কে (বিওজিসিএল) জ্বালানি তেল (ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও ফার্নেস ওয়েল) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আমদানি পূর্বক বিক্রয় ও বিপণন ব্যবসা পরিচালনার আবেদন।’’
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে চিঠির শুরুতে উল্লেখ করা হয়, ‘‘মহোদয়, উপর্যুক্ত বিষয়ের প্রতি সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানাচ্ছি যে, বসুন্ধরা ওয়েল অ্যান্ড গাস কোম্পানি লিমিটেড (বিওজিসিএল) প্রায় ৫ বৎসর যাবৎ দেশে নিজস্ব রিফাইনারীতে ক্রুড ওয়েল প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে জ্বালানি তেল উৎপাদন ও সরবরাহ করে আসছে। দেশের জ্বালানি চাহিদা প্রতি বৎসর ২ থেকে ৪ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পায় সেই হিসেবে ২০৩০ সালে দেশের জ্বালানি চাহিদা হবে প্রায় ৯ থেকে ১০ মিলিয়ন টন যার সম্পূর্ণটা আমদানিনির্ভর। এর মধ্যে দেশে ডিজেলের চাহিদা অত্যধিক।’’
বিপিসির পরিসংখ্যান তুলে ধরে চিঠিতে বলা হয়, “২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে বিপিসি কর্তৃক বিপণন তথ্যে দেখা যায় অকটেন ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৫৫৭ মেট্রিক টন, পেট্রোল ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৫৫৬, ফার্নেস ওয়েল ৮ লাখ ৮০ হাজার ৭০২ মেট্রিক টন, জেট-১ ৪ লাখ ৭১ হাজার ৫৩৫ মেট্রিক টন অপরদিকে শুধু ডিজেল বিক্রি হয়েছে ৪৯ লাখ ৩৫ হাজার ৪৮৩ মেট্রিক টন।”
বিভিন্ন খাতে জ্বালানি ব্যবহারের চিত্র সম্পর্কে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, “দেশে ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেখা যায়, যোগাযোগে ৫৮ দশমিক ২১ শতাংশ, বিদ্যুতে ১৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ, কৃষিতে ১৫ দশমিক ৫০ শতাংশ, শিল্পতে ৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ, গৃহস্থালীখাতে দশমিক ৯৭ শতাংশ ও অন্যান্য খাতে ১ দশমিক ৯৫ শতাংশ জ্বালানি তেলের ব্যবহারের উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল। তথ্যানুযায়ী, দেশে ফার্নেস ওয়েল এর চাহিদা প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার মেঃ টন। সরকারের নানামুখী জনসম্পৃক্ত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কারণে দেশে প্রতিদিনই জ্বালানি তেলের চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পাচ্ছে।”
বসুন্ধরা গ্রুপের রিফাইনারীর সক্ষমতা ও কার্যক্রম সম্পর্কে চিঠিতে বলা হয়েছে, “এই বিপুল পরিমাণ চাহিদার এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার অংশীদার হওয়ার অভিপ্রায়ে ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জে বার্ষিক ২২ দশমিক ১০ লক্ষ মেট্রিক টন উৎপাদন শোধন ক্ষমতা সম্পন্ন রিফাইনারী স্থাপন করা হয়। ক্রুড ওয়েল প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ডিজেল, অকটেন, ফার্নেস ওয়েল বিটুমিন ও অন্যান্য পেট্রোলিয়াম জ্বালানি উৎপাদিত হয়। প্লান্টে প্রায় ৩ দশমিক ১৫ লক্ষ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল সংরক্ষাণাগার স্থাপন করা হয়েছে। উৎপাদিত জ্বালানির মধ্যে ফার্নেস ওয়েল ও বিটুমিন নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বাজারজাত করা হচ্ছে এবং ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানি আপাতত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের বিপিসি' কে সরবরাহ করা হচ্ছে।”
চিঠিতে আরও বলা হয়, “বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অ্যাক্ট ১৯৭৪ এর ৪(১) ধারা অনুসারে “দি গভর্নমেন্ট মে ইন্টার ইনটু এ প্রেট্রোলিয়াম অ্যাগ্রিমেন্ট উইথ অ্যানি পারসন ফর দি পারপাজ অফ অ্যানি পেট্রোলিয়অম অপারেশন” (কপি সংযুক্ত)। অর্থাৎ বেসরকারি খাতের মাধ্যমে পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানিতে কোন বাধা নাই। তৎপ্রেক্ষিতে বিওজিসিএল এর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের অনুমতি প্রার্থনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে গত ১০ ই জুন ২০২৪ তারিখে বিওজিসিএল কর্তৃক অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিপূর্বক মজুদ, পরিবহন ও প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে উৎপাদিত জ্বালানি তেল নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিপণনের অনুমতি সহ ৩৮৮ টি ফিলিং স্টেশন স্থাপন, এলপিজি/অটোগ্যাস স্টেশনকে ফুয়েল স্টেশনে রূপান্তর ও জ্বালানি তেল বিপণনে অনুমতি প্রাপ্ত হয় (কপি সংযুক্ত)।
উল্লেখ যে, বেসরকারি পর্যায়ে রিফাইনারী স্থাপন, অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিপূর্বক মজুদ, প্রক্রিয়াকরণ, পরিবহন ও বিপণন নীতিমালা ২০২৩ এর ৬ এর ৬.১.১০ ধারা মোতাবেক বার্ষিক ১ দশমিক ৫ লাখ মেট্রিক টন ক্ষমতা সম্পন্ন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল রিফাইনারী স্থাপন/পরিচালনার ক্ষমতা আছে এমন প্রতিষ্ঠান অপরিশোধিত তেল আমদানিপূর্বক মজুদ, প্রক্রিয়াকরণ ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করার যোগ্যতা সম্পন্ন প্রতিষ্ঠান এতদসংক্রান্ত কার্যক্রম গ্রহণে যোগ্য। ইতোমধ্যে বিওজিসিএল অত্যন্ত সক্ষমতা সঙ্গে সম্পাদন করেছে।”
চিঠিতে আরও লেখা হয়, “বসুন্ধরা ওয়েল অ্যান্ড গাস কোম্পানি লিমিটেড (বিওজিসিএল) ইতোমধ্যে জ্বালানি খাতে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে একটি সুদৃঢ় অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছে। সুতরাং, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আমদানিপূর্বক বিপণন ব্যবসা পরিচালনায় জন্য নিম্নোক্ত অনুমতিসমূহ প্রার্থনা করা হলো-
১. জ্বালানি তেল (ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও ফার্নেস ওয়েল) বিক্রয় ও বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা
সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে আমদানিকৃত জ্বালানি তেল (ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও ফার্নেস ওয়েল) বিক্রয় ও বিপণন কার্যক্রম নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এবং সরকার পরিচালিত তেল বিপণন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালনার অনুমতি।
২. ফিলিং স্টেশন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সহ প্রয়োজনীয় অনুমোদন প্রদান করে কার্যক্রম পরিচালনায়
বিওজিসিএল এর অনুকূলে অনুমোদন প্রাপ্ত ৩৮৮টি ফিলিং স্টেশন স্থাপন ও এলপিজি/অটোগ্যাস স্টেশনকে আধুনিক ফুয়েল পাম্পে রূপান্তর।
প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ এবং যাবতীয় ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার অনুমতি।
৩. ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও ফার্নেস ওয়েল আমদানি, বিক্রয় ও বিপণন কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি
ডিজেল: বার্ষিক ১৫-২০ লাখ টন নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আমদানি, বিক্রয় ও বিপণন কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি।
অকটেন: বার্ষিক ২ লাখ টন নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আমদানি, বিক্রয় ও বিপণন কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি।
পেট্রোল: বার্ষিক ১ দশমিক ৫০ লাখ টন নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আমদানি, বিক্রয় ও বিপণন কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি।
ফার্নেস ওয়েল: বিদ্যুৎ উৎপাদনের ধারাবাহিকতা ও ব্যয় সংঙ্কোচের স্বার্থে বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহে সরাসরি বার্ষিক ৮-১০ লাখ টন নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আমদানি, বিক্রয় ও বিপণন কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি।
এমতাবস্থায়, সাধারণ নির্দিষ্ট জনসাধারণের আয়ের সক্ষমতা বিবেচনা করে পরিবহন জ্বালানি নেটওয়ার্ক উন্নয়নে, কৃষি খাত, শিল্প বিকাশ ও গৃহস্থালী ব্যবহারে সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন জ্বালানি তেল সরবরাহ করে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে ধাবিত করে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সংকট থেকে মুক্তির লক্ষ্যে দেশের উন্নয়ন ধারার অংশীদার হওয়ার নিমিত্ত দেশের জ্বালানি তেল ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও ফার্নেস ওয়েল নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আমদানিপূর্বক বিপণন ব্যবসায় বিওজিসিএল’কে জ্বালানি তেল (ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও ফার্নেস ওয়েল) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আমদানি পূর্বক বিক্রয় ও বিপণন ব্যবসা পরিচালনা অনুমতি প্রদানের বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। আন্তরিক ধন্যবাদান্তে, সায়েম সোবহান, চেয়ারম্যান, বসুন্ধরা গ্রুপ(এবিজি)।”
তবে এই চিঠিকে ‘কাল্পনিক ও অসত্য’ বলে দাবি করেছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় বলেছে, “বেসরকারি খাতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণনের জন্য প্রস্তাবিত নীতিমালা নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন খবর ও আলোচনা ‘কাল্পনিক ও অসত্য’। এই নীতিমালার মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই।”
এই বিষয়ে চরচার পক্ষ থেকে বসুন্ধরা গ্রুপের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
চিঠির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে না প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের একজন কর্মকর্তা চরচাকে বলেন, “আমি এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করব না। ইতোমধ্যেই আমরা মন্ত্রণালয় থেকে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছি। আর কোনো মন্তব্য করা নিষেধ আছে।”
এর আগে কয়েকটি গণমাধ্যমে ওঠে আসে, বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান বিওজিসিএল বছরে ১৫ থেকে ২০ লাখ টন ডিজেল, ২ লাখ টন অকটেন, দেড় লাখ টন পেট্রোল এবং ৮ থেকে ১০ লাখ টন ফার্নেস ওয়েল নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আমদানি, বিক্রি ও বিপণনের অনুমতি চেয়েছে। আবেদনটি পর্যালোচনার জন্য বিপিসি ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে এবং মাত্র দুই কার্যদিবসের মধ্যে মতামত দিতে বলা হয়।
বিষয়টি নিয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, পরিশোধিত জ্বালানির বড় অংশ বেসরকারি নিয়ন্ত্রণে গেলে ভবিষ্যতে বাজারে প্রভাব বিস্তার, কৃত্রিম সংকট কিংবা মূল্য নিয়ন্ত্রণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
এ নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা তৈরি হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ‘বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিপূর্বক সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা, ২০২৬’-এর একটি খসড়া প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত নীতিমালার প্রধান উদ্দেশ্য, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা এবং নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখা।”
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত নীতিমালার মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক জ্বালানি বাজার গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।
একই সঙ্গে জরুরি বা সংকটকালীন পরিস্থিতিতে সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সক্ষমতাকে জাতীয় স্বার্থে কাজে লাগানোর বিষয়টিও এতে বিবেচনা করা হচ্ছে।
নীতিমালাটি চূড়ান্ত করার আগে জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মতামত ও সুপারিশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “জনস্বার্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতামূলক বাজার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলেই কেবল এই নীতিমালা বিবেচনার বিষয় হিসেবে গণ্য হবে।”