চরচা ডেস্ক

গতবছর আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, প্যারাসিটামল ‘ভালো নয়’ এবং গর্ভাবস্থায় নারীদের এটি প্রেসক্রাইব না করারও পরামর্শ দেওয়ার কথা জানান তিনি। তবে তার এই দাবি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক ল্যানসেট অবস্টেট্রিক্স, গাইনিকোলজি অ্যান্ড উইমেন্স হেলথ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল সেবন নিরাপদ এবং এতে শিশুদের মধ্যে অটিজম, এডিএইচডি বা অন্যান্য বিকাশগত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে বলে কোনো প্রমাণ নেই।
ল্যানসেট জার্নালের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা বিবিসি জানিয়েছে, নতুন এই পর্যালোচনার ফলাফল ট্রাম্পের গত বছরের বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। গত বছর ট্রাম্পের দাবির পর বিশ্বজুড়ে চিকিৎসা সংস্থাগুলো এর তীব্র সমালোচনা করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ল্যানসেট জার্নালে প্রকাশিত এই সর্বশেষ পর্যালোচনাটি যথাযথ ও পদ্ধতিগত। তাছাড়া, প্যারাসিটামলের নিরাপত্তা নিয়ে চলমান বিতর্কের অবসান ঘটানো উচিত।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এখনো বলছেন, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল ব্যবহারের বিষয়ে ‘অনেক বিশেষজ্ঞ’ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
গত বছর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার প্রশাসন দাবি করে, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল বা এর ব্র্যান্ডেড সংস্করণ টাইলেনল সেবনের সঙ্গে শিশুদের অটিজমের যোগসূত্র থাকতে পারে। অথচ প্যারাসিটামলকে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য সাধারণত সবচেয়ে নিরাপদ ব্যথানাশক হিসেবে ধরা হয়। সে সময় ট্রাম্প প্রশাসনের এই দাবি সারাবিশ্বের চিকিৎসকদেরই বিস্মিত করেছিল।
অনেক অন্তঃসত্ত্বা নারীই তখন এ নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়ে এবং বিশেষজ্ঞরা বাধ্য হয়ে এ নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।
ল্যানসেট জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল ব্যবহারের ওপর করা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ৪৩টি গবেষণা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে কয়েক লাখ নারীকে নমুনা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। গবেষণায় প্যারাসিটামল গ্রহণ করা মায়েদের গর্ভধারণের ফলাফল ও যারা ওষুধটি নেননি তাদের ফলাফলের তুলনা করা হয়েছে।

গবেষণার প্রধান লেখক ও লন্ডনের সিটি সেন্ট জর্জেস ইউনিভার্সিটির মাতৃ ও ভ্রূণ চিকিৎসা বিভাগের অধ্যাপক আসমা খলিল বিবিসিকে বলেন, “প্যারাসিটামল খাওয়ার সঙ্গে অটিজমের কোনো সম্পর্ক নেই। প্যারাসিটামল অটিজমের ঝুঁকি বাড়ায়, এমন কোনো প্রমাণ নেই।”
এই গবেষক আরও বলেন, “নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করলে গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল নিরাপদই থাকে, এটিই স্পষ্ট হয়েছে এই গবেষণা পর্যালোচনায়।”
এই গবেষণা যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রধান চিকিৎসা সংস্থাগুলোর দীর্ঘদিনের নির্দেশনাকেই জোরালোভাবে সমর্থন করে, যেখানে প্যারাসিটামলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
পর্যালোচনায় বলা হয়, আগে যেসব প্রতিবেদনে প্যারাসিটামলের সঙ্গে অটিজমের ঝুঁকি বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছিল, সেগুলো সম্ভবত অন্যান্য কারণের কারণে হয়েছে। ওষুধটির সরাসরি প্রভাবের জন্য নয়।
আসমা খলিল বলেন, “এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ব্যথা বা জ্বর হলে আমরা প্রথমেই প্যারাসিটামল ব্যবহারের পরামর্শ দিই।”
স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শে আরও সতর্ক করা হয়েছে, গর্ভাবস্থায় বেশিমাত্রার জ্বর কমাতে বা ব্যথা উপশমে প্যারাসিটামল না নিলে উল্টোভাবে শিশুর ক্ষতির ঝুঁকি বাড়তে পারে। এতে গর্ভপাত, অকাল প্রসব কিংবা শিশুর বিকাশগত সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।
গবেষণাটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন এমন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরাও এর ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, এটি অন্তঃসত্ত্বা নারীদের মধ্যে অযথা উদ্বেগ কমাতে সহায়ক হবে।
কিংস কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক গ্রেইন ম্যাকঅ্যালোনান বলেন, “ অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের মাথাব্যথার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত একটি ওষুধ সন্তানের স্বাস্থ্যের ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে কি না-এমন দুশ্চিন্তার বাড়তি চাপের প্রয়োজন নেই।”
এই গবেষণা পর্যালোচনাটি প্যারাসিটামল নিয়ে চলমান বিতর্কের ইতি টানবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের অধ্যাপক ইয়ান ডগলাস বলেন, এই পর্যালোচনাটি ভালোভাবে পরিচালিত হয়েছে কারণ এতে তুলনামূলকভাবে নিম্নমানের গবেষণাগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে।
বার্গেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মলিকিউলার নিউরোসায়েন্টিস্ট ও ক্লিনিক্যাল সাইকিয়াট্রিস্ট অধ্যাপক ইয়ান হাভিকের মতে, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল ব্যবহার করলে শিশুদের অটিজম, এডিএইচডি বা বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধকতার ঝুঁকি বাড়ে না বলে প্রমাণ দেওয়া হয়েছে এই গবেষণায়। সেইসঙ্গে এই প্রশ্নের অবসান ঘটানো উচিত বলেও মনে করেন তিনি।
অটিজমের পেছনে জিনগত ও পরিবেশগতসহ নানা জটিল কারণ একসঙ্গে কাজ করে বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের (ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস) এক মুখপাত্র বলেন, গর্ভাবস্থায় অ্যাসিটামিনোফেন (যুক্তরাষ্ট্রে প্যারাসিটামলের নাম) ব্যবহারের বিষয়ে ‘অনেক বিশেষজ্ঞ’ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০২৫ সালের আগস্টে হার্ভার্ড টি.এইচ. চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথের ডিন ড. অ্যান্ড্রু বাক্কারেলির নেতৃত্বে করা এক পর্যালোচনায় বলা হয়, গর্ভাবস্থায় অ্যাসিটামিনোফেন ব্যবহার করলে শিশুদের অটিজম ও এডিএইচডির ঝুঁকি বাড়তে পারে এবং বিশেষ করে ‘দীর্ঘমেয়াদি বা অতিরিক্ত ব্যবহারে’ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।
এরপর গত সেপ্টেম্বরে ওভাল অফিসে দেওয়া এক বিতর্কিত ভাষণে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বলেন, অন্তঃসত্ত্বা নারীদের এই ব্যথানাশক ওষুধটি প্রেসক্রাইব না করতে চিকিৎসকদের পরামর্শ দেওয়া হবে।
এরপর যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) চিকিৎসকদের কাছে গর্ভাবস্থায় অ্যাসিটামিনোফেন ব্যবহারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি চিঠি পাঠায়। যদিও একই সঙ্গে এও জানানো হয়, গর্ভাবস্থায় জ্বরের চিকিৎসার জন্য এটিই এখনো একমাত্র অনুমোদিত ওষুধ।
এফডিএ তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, এই ওষুধের সঙ্গে স্নায়ুবিক সমস্যার ‘কারণগত সম্পর্ক এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।’

গতবছর আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, প্যারাসিটামল ‘ভালো নয়’ এবং গর্ভাবস্থায় নারীদের এটি প্রেসক্রাইব না করারও পরামর্শ দেওয়ার কথা জানান তিনি। তবে তার এই দাবি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক ল্যানসেট অবস্টেট্রিক্স, গাইনিকোলজি অ্যান্ড উইমেন্স হেলথ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল সেবন নিরাপদ এবং এতে শিশুদের মধ্যে অটিজম, এডিএইচডি বা অন্যান্য বিকাশগত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে বলে কোনো প্রমাণ নেই।
ল্যানসেট জার্নালের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা বিবিসি জানিয়েছে, নতুন এই পর্যালোচনার ফলাফল ট্রাম্পের গত বছরের বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। গত বছর ট্রাম্পের দাবির পর বিশ্বজুড়ে চিকিৎসা সংস্থাগুলো এর তীব্র সমালোচনা করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ল্যানসেট জার্নালে প্রকাশিত এই সর্বশেষ পর্যালোচনাটি যথাযথ ও পদ্ধতিগত। তাছাড়া, প্যারাসিটামলের নিরাপত্তা নিয়ে চলমান বিতর্কের অবসান ঘটানো উচিত।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এখনো বলছেন, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল ব্যবহারের বিষয়ে ‘অনেক বিশেষজ্ঞ’ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
গত বছর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার প্রশাসন দাবি করে, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল বা এর ব্র্যান্ডেড সংস্করণ টাইলেনল সেবনের সঙ্গে শিশুদের অটিজমের যোগসূত্র থাকতে পারে। অথচ প্যারাসিটামলকে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য সাধারণত সবচেয়ে নিরাপদ ব্যথানাশক হিসেবে ধরা হয়। সে সময় ট্রাম্প প্রশাসনের এই দাবি সারাবিশ্বের চিকিৎসকদেরই বিস্মিত করেছিল।
অনেক অন্তঃসত্ত্বা নারীই তখন এ নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়ে এবং বিশেষজ্ঞরা বাধ্য হয়ে এ নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।
ল্যানসেট জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল ব্যবহারের ওপর করা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ৪৩টি গবেষণা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে কয়েক লাখ নারীকে নমুনা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। গবেষণায় প্যারাসিটামল গ্রহণ করা মায়েদের গর্ভধারণের ফলাফল ও যারা ওষুধটি নেননি তাদের ফলাফলের তুলনা করা হয়েছে।

গবেষণার প্রধান লেখক ও লন্ডনের সিটি সেন্ট জর্জেস ইউনিভার্সিটির মাতৃ ও ভ্রূণ চিকিৎসা বিভাগের অধ্যাপক আসমা খলিল বিবিসিকে বলেন, “প্যারাসিটামল খাওয়ার সঙ্গে অটিজমের কোনো সম্পর্ক নেই। প্যারাসিটামল অটিজমের ঝুঁকি বাড়ায়, এমন কোনো প্রমাণ নেই।”
এই গবেষক আরও বলেন, “নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করলে গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল নিরাপদই থাকে, এটিই স্পষ্ট হয়েছে এই গবেষণা পর্যালোচনায়।”
এই গবেষণা যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রধান চিকিৎসা সংস্থাগুলোর দীর্ঘদিনের নির্দেশনাকেই জোরালোভাবে সমর্থন করে, যেখানে প্যারাসিটামলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
পর্যালোচনায় বলা হয়, আগে যেসব প্রতিবেদনে প্যারাসিটামলের সঙ্গে অটিজমের ঝুঁকি বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছিল, সেগুলো সম্ভবত অন্যান্য কারণের কারণে হয়েছে। ওষুধটির সরাসরি প্রভাবের জন্য নয়।
আসমা খলিল বলেন, “এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ব্যথা বা জ্বর হলে আমরা প্রথমেই প্যারাসিটামল ব্যবহারের পরামর্শ দিই।”
স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শে আরও সতর্ক করা হয়েছে, গর্ভাবস্থায় বেশিমাত্রার জ্বর কমাতে বা ব্যথা উপশমে প্যারাসিটামল না নিলে উল্টোভাবে শিশুর ক্ষতির ঝুঁকি বাড়তে পারে। এতে গর্ভপাত, অকাল প্রসব কিংবা শিশুর বিকাশগত সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।
গবেষণাটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন এমন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরাও এর ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, এটি অন্তঃসত্ত্বা নারীদের মধ্যে অযথা উদ্বেগ কমাতে সহায়ক হবে।
কিংস কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক গ্রেইন ম্যাকঅ্যালোনান বলেন, “ অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের মাথাব্যথার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত একটি ওষুধ সন্তানের স্বাস্থ্যের ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে কি না-এমন দুশ্চিন্তার বাড়তি চাপের প্রয়োজন নেই।”
এই গবেষণা পর্যালোচনাটি প্যারাসিটামল নিয়ে চলমান বিতর্কের ইতি টানবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের অধ্যাপক ইয়ান ডগলাস বলেন, এই পর্যালোচনাটি ভালোভাবে পরিচালিত হয়েছে কারণ এতে তুলনামূলকভাবে নিম্নমানের গবেষণাগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে।
বার্গেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মলিকিউলার নিউরোসায়েন্টিস্ট ও ক্লিনিক্যাল সাইকিয়াট্রিস্ট অধ্যাপক ইয়ান হাভিকের মতে, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল ব্যবহার করলে শিশুদের অটিজম, এডিএইচডি বা বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধকতার ঝুঁকি বাড়ে না বলে প্রমাণ দেওয়া হয়েছে এই গবেষণায়। সেইসঙ্গে এই প্রশ্নের অবসান ঘটানো উচিত বলেও মনে করেন তিনি।
অটিজমের পেছনে জিনগত ও পরিবেশগতসহ নানা জটিল কারণ একসঙ্গে কাজ করে বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের (ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস) এক মুখপাত্র বলেন, গর্ভাবস্থায় অ্যাসিটামিনোফেন (যুক্তরাষ্ট্রে প্যারাসিটামলের নাম) ব্যবহারের বিষয়ে ‘অনেক বিশেষজ্ঞ’ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০২৫ সালের আগস্টে হার্ভার্ড টি.এইচ. চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথের ডিন ড. অ্যান্ড্রু বাক্কারেলির নেতৃত্বে করা এক পর্যালোচনায় বলা হয়, গর্ভাবস্থায় অ্যাসিটামিনোফেন ব্যবহার করলে শিশুদের অটিজম ও এডিএইচডির ঝুঁকি বাড়তে পারে এবং বিশেষ করে ‘দীর্ঘমেয়াদি বা অতিরিক্ত ব্যবহারে’ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।
এরপর গত সেপ্টেম্বরে ওভাল অফিসে দেওয়া এক বিতর্কিত ভাষণে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বলেন, অন্তঃসত্ত্বা নারীদের এই ব্যথানাশক ওষুধটি প্রেসক্রাইব না করতে চিকিৎসকদের পরামর্শ দেওয়া হবে।
এরপর যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) চিকিৎসকদের কাছে গর্ভাবস্থায় অ্যাসিটামিনোফেন ব্যবহারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি চিঠি পাঠায়। যদিও একই সঙ্গে এও জানানো হয়, গর্ভাবস্থায় জ্বরের চিকিৎসার জন্য এটিই এখনো একমাত্র অনুমোদিত ওষুধ।
এফডিএ তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, এই ওষুধের সঙ্গে স্নায়ুবিক সমস্যার ‘কারণগত সম্পর্ক এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।’

১৮৭৯ সালে ইউক্রেনে রুশ-ইহুদি পরিবারে জন্মগ্রহণকারী ট্রটস্কি কিশোর বয়সেই মার্ক্সবাদে দীক্ষিত হন। পরবর্তীতে তিনি ওডেসা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ড ‘সাউথ রাশিয়ান ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন’ সংগঠিত করতে সহায়তা করেন। ১৮৯৮ সালে বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি গ্রেপ্তার হন।

২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া করিনা মাচাদো ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতার সংগ্রামে সমর্থনের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে তার নোবেল পদকটি তুলে দিয়েছেন। ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার এই বিরোধীদলীয় নেতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাকে একজন চমৎকার নারী হিসেবে অভিহিত করেছেন।