
টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডে যোগ দিলেন সেলিম রায়হান
সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

আনুষ্ঠানিকভাবে দেশজুড়ে ভয়েস ওভার ওয়াই-ফাই (ভিও ওয়াই-ফাই) কলিং সেবা চালু করেছে ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। বাংলালিংকের এ সেবার মাধ্যমে সারাদেশের গ্রাহকেরা মোবাইল নেটওয়ার্কের পাশাপাশি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে উন্নতমানের ভয়েস কল করতে পারবেন।
দেশব্যাপী এ সেবা চালু হওয়ার ফলে গ্রাহকেরা তাদের বাসা বা অফিসের ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে এইচডি ভয়েস কোয়ালিটি এবং নিরবচ্ছিন্ন কলিং উপভোগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে, বিশেষভাবে উপকৃত হবেন নেটওয়ার্কের কভারেজ দুর্বল,উঁচু ভবন, ঘনবসতিপূর্ণ স্থাপনা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকেরা।
দেশের প্রথমবারের মত এ প্রযুক্তি চালু করা প্রথম মোবাইল অপারেটর হিসেবে বাংলালিংক গত সেপ্টেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে ভিও ওয়াই-ফাই সেবা উন্মোচন করে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনার নির্দিষ্ট এলাকায় পরিচালিত পরীক্ষামূলক এ কার্যক্রমের মাধ্যমে বাস্তব ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ও গ্রাহকদের মতামতের ভিত্তিতে সেবার অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করে সেবার মান উন্নত করা হয়।
মোবাইল সিগন্যাল দুর্বল হলে ভিও ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যমান ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কল রুট করবে। বাকি সকল ক্ষেত্রে এ সেবা মোবাইল নেটওয়ার্কের করা প্রচলিত ভয়েস কলের মতই কাজ করবে। এ সেবা ব্যবহারের জন্য গ্রাহকদের আলাদা কোন অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে না কিংবা আলাদা অথেনটিকেশন প্রয়োজন হবে না। ওয়াই-ফাই ও মোবাইল নেটওয়ার্কের মধ্যে নির্বিঘ্নে কোন ঝামেলা ছাড়াই এ কল সুইচিং সম্পন্ন হবে।
মানসম্পন্ন কলিং সেবা নিশ্চিতে উদ্ভাবনী এ প্রযুক্তির উন্মোচন নিয়ে বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, “স্থান ও অবকাঠামো নির্বিশেষে কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সকল গ্যাপ দূর করে স্পষ্ট ও উচ্চমান সম্পন্ন কলিং সেবা নিশ্চিত করবে ভিও ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি। প্রত্যন্ত অঞ্চল কিংবা রাজধানী ঢাকা, যেকোন এলাকার বাসা বা অফিস সকল ক্ষেত্রেই গ্রাহকেরা কল করার ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন সেবা উপভোগ করবেন। ভিও ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির মাধ্যমে ওয়াই-ফাই ভয়েস চ্যানেল হিসেবে ব্যবহার করা হবে। গ্রাহকদের ডিজিটাল লাইফস্টাইল উন্নত করতে ভূমিকা রাখবে এ সেবা এবং যেকোন সময়, যেকোন স্থান থেকেই কল করার ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক অভিজ্ঞতা উপভোগ করবেন তারা।”
মোবাইল অপারেটর, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং আইএসপি ও প্রযুক্তি অংশীদারদের সফল অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেই দেশব্যাপী এ প্রযুক্তি চালু করা সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি, সম্মিলিত উদ্ভাবন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারকে আরও সহজলভ্য করতে ও গ্রাহক অভিজ্ঞতার মানোন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে বলেও জানান তিনি।
বর্তমানে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট কিছু হ্যান্ডসেট মডেলে এবং নির্বাচিত আইএসপি অংশীদারদের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই কলিং সেবা ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহকেরা। এ সেবার সম্প্রসারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা মেনে ডিভাইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও আইএসপি অংশীদারদের সাথে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বাংলালিংক। নতুন উন্মোচিত এ সেবা বাংলালিংকের এলটিই নেটওয়ার্কের পরিপূরক হিসেবে ইনডোর ও প্রত্যন্ত এলাকার সংযোগ আরও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।

সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দেশের নিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টালের প্রকাশক ও সম্পাদকদের সমন্বয়ে ‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) উৎপন্ন হলেও এর ১০ শতাংশেরও কম পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা হয়। বিদ্যমান ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১-এর বাস্তবায়নে ঘাটতির কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই চুক্তির আওতায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থা (পিও) এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের (এমএফআই) মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পর্যন্ত গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ প্রদান করতে পারবে।