
টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডে যোগ দিলেন সেলিম রায়হান
সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘এআই অ্যান্ড সাইবার সিকিউরিটি ইন ইন্ডাস্ট্রি: হোয়াই অ্যাডভান্সড স্কিলস ম্যাটার’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুর এলাহী অডিটোরিয়ামে এর আয়োজন করা হয়।
বক্তারা বর্তমান ডিজিটাল হুমকি মোকাবিলায় এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে উন্নত কারিগরি দক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন । তারা শিক্ষার্থীদের কেবল নির্দিষ্ট টুলস শেখার পরিবর্তে মৌলিক জ্ঞান অর্জনে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন।
পরবর্তী প্রজন্মকে বাজার-সক্ষম হিসেবে গড়ে তুলতে বক্তারা ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড মেশিন লার্নিং’ এবং ‘সাইবার সিকিউরিটি’ বিষয়ে মাস্টার্স কোর্সের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে সেমিনারটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানের শেষে একটি প্রশ্নোত্তর পর্ব হয়। যা সঞ্চালনা করেন সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক।
সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি খাতের নেতারা। যার মধ্যে ছিলেন নোটোমেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ড. জুনাইদ কাজী, এসিআই এআই বিজনেসের পরিচালক ও সিওও মোহাম্মদ অলি আহাদ, গ্রামীণফোন লিমিটেডের ইনফরমেশন সিকিউরিটি প্রধান মো. শওকত আলী এবং সাইবার সিকিউরিটি পেশাদার মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামস রহমান, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আহমেদ ওয়াসিফ রেজা এবং সিএসই বিভাগের চেয়ারপারসন ড. মাহীন ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দেশের নিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টালের প্রকাশক ও সম্পাদকদের সমন্বয়ে ‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) উৎপন্ন হলেও এর ১০ শতাংশেরও কম পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা হয়। বিদ্যমান ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১-এর বাস্তবায়নে ঘাটতির কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই চুক্তির আওতায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থা (পিও) এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের (এমএফআই) মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পর্যন্ত গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ প্রদান করতে পারবে।