
বাটন ফোন ছাড়তে প্রস্তুত দেশের ৭ কোটি মানুষ?
এক হাতে বাটন ফোন, অন্য হাতে স্মার্টফোন। মোবাইল যোগাযোগের দুই ভিন্ন যুগের প্রতীক এই দুই ডিভাইস। বাংলাদেশ এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

যুক্তরাজ্যে বর্তমানে সরকারি দলের ভেতরে একটি তীব্র ক্ষমতার লড়াই শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার পার্লামেন্টের রাজকীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজা চার্লস সরকারের আগামী দিনের পরিকল্পনা তুলে ধরলেও, পুরো অনুষ্ঠানটি প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বিরুদ্ধে দলের ভেতরে ঘনীভূত হওয়া বিদ্রোহের ছায়ায় ঢাকা পড়ে যায়। আর এতে স্টারমারের প্রধানমন্ত্রিত্ব যে ঝুঁকিতে তা তো বেশ স্পষ্ট। কিন্তু আসলে কি হয়েছে?
বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত সপ্তাহের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টি ইংল্যান্ডজুড়ে প্রায় ১৫শ কাউন্সিলর হারিয়েছে এবং ওয়েলসে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে। এই বিশাল পরাজয়ই মূলত স্টারমারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিশাল জয় নিয়ে ক্ষমতায় এলেও অনেক এমপি স্টারমারকে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ী করছেন। এছাড়া দলের প্রভাবশালী সদস্যদের মতে, প্রধানমন্ত্রী এখন আর প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে পারবেন বলে জনগণ বা এমপিরা বিশ্বাস করেন না।
২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোটের পর থেকে ব্রিটিশ রাজনীতি এক নজিরবিহীন অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গত ৬ বছরেরও কম সময়ে যুক্তরাজ্য ৫ জন প্রধানমন্ত্রী দেখেছে, যা গত এক শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুততম ক্ষমতার হাতবদল।
নিজের দলের ভেতর থেকেই বিদ্রোহ শুরু হওয়ায় স্টারমারের ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি বাড়ছে। লেবার পার্টির প্রায় ৮০ জন এমপি (মোট এমপির প্রায় এক-চতুর্থাংশ) ইতিমধ্যে তার পদত্যাগ দাবি করেছেন। প্রতিবাদ হিসেবে জেস ফিলিপস এবং মিয়াট্টা ফাহনবুল্লাহর মতো চারজন জুনিয়র মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।
এবার প্রশ্ন হলো তাকে কি ক্ষমতাচ্যুত করা সম্ভব?
স্টারমারকে ক্ষমতাচ্যুত করা আসলে সম্ভব। তবে এটি বাস্তবায়নের জন্য কিছু সাংবিধানিক ও দলীয় ধাপ প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীকে সরিয়ে নেতৃত্বের নতুন লড়াই শুরু করতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে অন্তত ৮১ জন লেবার এমপির সমর্থন জোগাড় করতে হবে।
কিন্তু স্টারমারের মিত্রদের দাবি যে বর্তমানে কোনো প্রার্থীর কাছেই তাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো পর্যাপ্ত সমর্থন নেই, তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল।
যদি এই ঘটনা ঘটে, তাহলে স্টারমারের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী কে বা কারা হবেন?
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, স্টারমারের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংকে। শোনা যাচ্ছে, তিনি কাল-পরশুই পদত্যাগ করে স্টারমারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ঘোষণা দেবেন। যদিও চ্যান্সেলর র্যাচেল রিভস এবং স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করেছেন যে, এখন নেতৃত্বের লড়াই শুরু হলে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে; তবুও ৮০ জনেরও বেশি লেবার এমপি প্রকাশ্যে স্টারমারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে অথবা বিদায়ের সময়সূচি চূড়ান্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রতিবাদ হিসেবে ইতিমধ্যে জেস ফিলিপস ও জুবির আহমেদসহ চারজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং আরও ছয়জন মন্ত্রী পর্যায়ের সহযোগী সোমবার কাজ ছেড়ে দিয়েছেন। এই চরম অস্থিরতার মধ্যেই রাজা চার্লস সরকারের ৩৭টি নতুন বিলের পরিকল্পনা বা ‘কিংস স্পিচ’ তুলে ধরেছেন। তবে কনজারভেটিভ নেতা কেমি ব্যাডেনক মনে করেন স্টারমারের চলার পথ ফুরিয়ে এসেছে। দলের নিয়ম অনুযায়ী, স্টারমারকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ৮১ জন এমপির সমর্থন প্রয়োজন এবং বর্তমানে স্ট্রিটিংয়ের পাশাপাশি অ্যাঞ্জেলা রেনারকেও সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে চিন্তার বিষয় হলো স্টারমার যদি এখন ক্ষমতা হারান, তবে রাজা সম্প্রতি যেসব নতুন আইনের কথা বলেছেন, সেগুলো হয়তো আর কোনোদিন বাস্তবায়িত হবে না। কারণ যিনি নতুন প্রধানমন্ত্রী হবেন, তিনি হয়তো সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে হাঁটবেন।
স্যার কিয়ার স্টারমার অবশ্য পদত্যাগের সব সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি সংবাদমাধ্যম দ্য অবজারভারকে জানিয়েছেন, আগামী নির্বাচনে দলের নেতৃত্ব দিতে এবং দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে তিনি প্রস্তুত।

এক হাতে বাটন ফোন, অন্য হাতে স্মার্টফোন। মোবাইল যোগাযোগের দুই ভিন্ন যুগের প্রতীক এই দুই ডিভাইস। বাংলাদেশ এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলোর সামনে একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। সংসদীয় রাজনীতিকে যদি আবার কার্যকর করতে হয়, তাহলে রাজনৈতিক দলগুলোকে কেবল ক্ষমতা ভাগাভাগি বা নির্বাচনকেন্দ্রিক সমীকরণে আটকে থাকলে চলবে না।

চলতি মাসে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়। ‘মক্কা চুক্তি’ নামের এই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশ যোগ দেওয়ার কথা বিবেচনা করতে পারে বলে জানিয়েছেন সরকারের একজন মন্ত্রী। এই পদক্ষেপটি বিশেষ করে প্রতিবেশী ভারতের সাথে বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্কে জটিলতা

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক চাপ এবার নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। সামরিক অভিযান ও কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রত্যাশিত ফল না দেওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আবার অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাকে সামনে এনেছে। তবে এবারের কৌশল আগের চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত। লক্ষ্য শুধু ইরান নয়; ত