চরচা ডেস্ক

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। নেট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার দুই মাস পর এবং নবগঠিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ ও অন্যান্য বিরোধী দলগুলির মাধ্যমে দেশব্যাপী তীব্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই পদত্যাগের ঘটনাটি ঘটে।
২০১৪ সালে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ক্ষমতা দখলের পর থেকে নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভার ১২ বছরের দীর্ঘ প্রশাসনিক ইতিহাসে এটি কোনো মন্ত্রীর মধ্যবর্তী সময়ে পদত্যাগের দ্বিতীয় ঘটনা। এই অভূতপূর্ব রাজনৈতিক সিদ্ধান্তটি মোদি সরকারের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কাঠামো এবং তাদের ঐতিহ্যগত কার্যপ্রণালীর ক্ষেত্রে একটি বিশেষ ব্যতিক্রম হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। কারণ এই দীর্ঘ শাসনামলে যেকোনো ধরনের বড় বিচ্যুতি, বিতর্ক বা রাজনৈতিক চাপ সত্ত্বেও মন্ত্রীদের পদত্যাগ করার ঘটনা বলতে গেলে প্রায় নজিরবিহীন ছিল।
ভারতের দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার সাংবাদিক অনঘা জয়কুমার লিখেছেন যে, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে তার সরকারের নীতি ছিল প্রধানত মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন অথবা নতুন সরকার গঠনের মাধ্যমে মন্ত্রীদের অব্যাহতি দেওয়া, সরাসরি পদত্যাগের অনুমতি দেওয়া নয়। এর আগে শুধুমাত্র ২০১৮ সালে মি টু (Me Too) আন্দোলনের সময় তৎকালীন পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর যৌন হয়রানির গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে পদত্যাগ করেছিলেন। তৎকালীন সময়ে সাংবাদিক প্রিয়া রামানিসহ একাধিক নারী সহকর্মী আকবরের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনলে, তিনি ২০১৮ সালের ১৭ অক্টোবর ইস্তফা দেন। আকবর তার ব্যক্তিগত ক্ষমতায় আদালতে এই অভিযোগগুলির আইনি মোকাবিলা করার কথা বলে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে দিল্লির একটি ট্রায়াল কোর্ট ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আকবরকে অভিযোগ থেকে খালাস দেয়। এই একটিমাত্র ব্যতিক্রমী ঘটনা ছাড়া মোদি সরকারের আমালে কোনো মন্ত্রীই সরাসরি পদত্যাগ করেননি।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুসারে, এই মেয়াদের আগে পর্যন্ত সমস্ত রাজনৈতিক বিতর্ক ও চাপের মুখেও মোদি সরকার সর্বদা মন্ত্রী পরিবর্তন বা সরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে নিজস্ব কৌশল ও প্রশাসনিক সময়সূচি অনুসরণ করেছে। বিরোধী পক্ষ থেকে বারবার কোনো মন্ত্রীর পদত্যাগের জোর দাবি উঠলেও মোদি সরকার সেই দাবিতে সাড়া না দিয়ে বরং মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের মাধ্যমে বিষয়টি সামাল দিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২১ সালের জুলাই মাসে নরেন্দ্র মোদি তার মন্ত্রিসভার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রদবদল করেন, যেখানে একযোগে ১২ জন মন্ত্রীকে পদ থেকে বাদ দেওয়া হয়। এর মধ্যে তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন এবং শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়ালর মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। যদিও বৈশ্বিক কোভিড-১৯ মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে সরকারের ব্যর্থতা এবং অব্যবস্থাপনার তীব্র সমালোচনার পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কখনোই এই পরিবর্তনের পেছনে কোনো নির্দিষ্ট বিতর্ক বা ব্যর্থতাকে দায়বদ্ধ করা হয়নি।
একইভাবে, ২০২১ সালে লখিমপুর খেরির সহিংস ঘটনার পর চরম বিতর্ক ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেও তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনির পদত্যাগের জন্য বিরোধীরা লাগাতার তীব্র আন্দোলন চালিয়েছিল। তথাপি মোদি সরকার সেই সময় তাকে পদত্যাগ করতে বলেনি। বরং ২০২৪ সালে মোদি ৩.০ সরকার গঠনের সময় তাকে নতুন করে আর কোনো মন্ত্রী করা হয়নি। এরও আগে, ২০১৬ সালে হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে রোহিত ভেমুলার আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শুরু হওয়া তীব্র ছাত্র আন্দোলনের মুখে তৎকালীন মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিকে সরিয়ে টেক্সটাইল বা বস্ত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠান হয়েছিল। এটিও মন্ত্রিসভার রদবদলের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল এবং সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কখনোই ছাত্র আন্দোলনের চাপের সঙ্গে এই দপ্তরের পরিবর্তনের সম্পর্ককে স্বীকার করেনি।
মোদি সরকারের গত ১২ বছরের শাসনকালে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত, প্রশাসনিক ত্রুটি বা তীব্র রাজনৈতিক আন্দোলনের মুখোমুখি হয়ে কোনো মন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনা একটি চরম ব্যতিক্রমী বিষয়। নেট-ইউজির প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সৃষ্ট তীব্র প্রতিক্রিয়া, যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি ও অন্যান্য বিরোধীদের ধারাবাহিক বিক্ষোভ প্রদর্শন এবং দেশজুড়ে তৈরি হওয়া চরম অসন্তোষের মুখে ধর্মেন্দ্র প্রধানের এই স্বতঃস্ফূর্ত বা বাধ্যতামূলক পদত্যাগ মোদি সরকারের গতানুগতিক কৌশলের একটি বড় ব্যতিক্রম ঘটিয়েছে। ইতিপূর্বে কেবল নৈতিক বা ব্যক্তিগত আইনি লড়াইয়ের কারণ দেখিয়ে এম জে আকবরের পদত্যাগ ঘটেছিল। তবে শিক্ষাগত নথিপত্র বা জাতীয় স্তরের পরীক্ষার অনিয়মকে কেন্দ্র করে মধ্যবর্তী সময়ে কোনো প্রথম সারির পূর্ণমন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনা মোদি সরকারের সার্বিক ইতিহাসে প্রথম। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের বিশ্লেষণের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয় যে, এই পদত্যাগটি ভারতীয় রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে কেবল একটি প্রশাসনিক রুটিন কাজ নয়, বরং সরকারের নীতি পরিবর্তন ও রাজনৈতিক চাপের এক বিরল নজির।

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। নেট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার দুই মাস পর এবং নবগঠিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ ও অন্যান্য বিরোধী দলগুলির মাধ্যমে দেশব্যাপী তীব্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই পদত্যাগের ঘটনাটি ঘটে।
২০১৪ সালে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ক্ষমতা দখলের পর থেকে নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভার ১২ বছরের দীর্ঘ প্রশাসনিক ইতিহাসে এটি কোনো মন্ত্রীর মধ্যবর্তী সময়ে পদত্যাগের দ্বিতীয় ঘটনা। এই অভূতপূর্ব রাজনৈতিক সিদ্ধান্তটি মোদি সরকারের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কাঠামো এবং তাদের ঐতিহ্যগত কার্যপ্রণালীর ক্ষেত্রে একটি বিশেষ ব্যতিক্রম হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। কারণ এই দীর্ঘ শাসনামলে যেকোনো ধরনের বড় বিচ্যুতি, বিতর্ক বা রাজনৈতিক চাপ সত্ত্বেও মন্ত্রীদের পদত্যাগ করার ঘটনা বলতে গেলে প্রায় নজিরবিহীন ছিল।
ভারতের দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার সাংবাদিক অনঘা জয়কুমার লিখেছেন যে, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে তার সরকারের নীতি ছিল প্রধানত মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন অথবা নতুন সরকার গঠনের মাধ্যমে মন্ত্রীদের অব্যাহতি দেওয়া, সরাসরি পদত্যাগের অনুমতি দেওয়া নয়। এর আগে শুধুমাত্র ২০১৮ সালে মি টু (Me Too) আন্দোলনের সময় তৎকালীন পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর যৌন হয়রানির গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে পদত্যাগ করেছিলেন। তৎকালীন সময়ে সাংবাদিক প্রিয়া রামানিসহ একাধিক নারী সহকর্মী আকবরের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনলে, তিনি ২০১৮ সালের ১৭ অক্টোবর ইস্তফা দেন। আকবর তার ব্যক্তিগত ক্ষমতায় আদালতে এই অভিযোগগুলির আইনি মোকাবিলা করার কথা বলে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে দিল্লির একটি ট্রায়াল কোর্ট ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আকবরকে অভিযোগ থেকে খালাস দেয়। এই একটিমাত্র ব্যতিক্রমী ঘটনা ছাড়া মোদি সরকারের আমালে কোনো মন্ত্রীই সরাসরি পদত্যাগ করেননি।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুসারে, এই মেয়াদের আগে পর্যন্ত সমস্ত রাজনৈতিক বিতর্ক ও চাপের মুখেও মোদি সরকার সর্বদা মন্ত্রী পরিবর্তন বা সরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে নিজস্ব কৌশল ও প্রশাসনিক সময়সূচি অনুসরণ করেছে। বিরোধী পক্ষ থেকে বারবার কোনো মন্ত্রীর পদত্যাগের জোর দাবি উঠলেও মোদি সরকার সেই দাবিতে সাড়া না দিয়ে বরং মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের মাধ্যমে বিষয়টি সামাল দিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২১ সালের জুলাই মাসে নরেন্দ্র মোদি তার মন্ত্রিসভার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রদবদল করেন, যেখানে একযোগে ১২ জন মন্ত্রীকে পদ থেকে বাদ দেওয়া হয়। এর মধ্যে তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন এবং শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়ালর মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। যদিও বৈশ্বিক কোভিড-১৯ মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে সরকারের ব্যর্থতা এবং অব্যবস্থাপনার তীব্র সমালোচনার পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কখনোই এই পরিবর্তনের পেছনে কোনো নির্দিষ্ট বিতর্ক বা ব্যর্থতাকে দায়বদ্ধ করা হয়নি।
একইভাবে, ২০২১ সালে লখিমপুর খেরির সহিংস ঘটনার পর চরম বিতর্ক ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেও তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনির পদত্যাগের জন্য বিরোধীরা লাগাতার তীব্র আন্দোলন চালিয়েছিল। তথাপি মোদি সরকার সেই সময় তাকে পদত্যাগ করতে বলেনি। বরং ২০২৪ সালে মোদি ৩.০ সরকার গঠনের সময় তাকে নতুন করে আর কোনো মন্ত্রী করা হয়নি। এরও আগে, ২০১৬ সালে হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে রোহিত ভেমুলার আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শুরু হওয়া তীব্র ছাত্র আন্দোলনের মুখে তৎকালীন মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিকে সরিয়ে টেক্সটাইল বা বস্ত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠান হয়েছিল। এটিও মন্ত্রিসভার রদবদলের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল এবং সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কখনোই ছাত্র আন্দোলনের চাপের সঙ্গে এই দপ্তরের পরিবর্তনের সম্পর্ককে স্বীকার করেনি।
মোদি সরকারের গত ১২ বছরের শাসনকালে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত, প্রশাসনিক ত্রুটি বা তীব্র রাজনৈতিক আন্দোলনের মুখোমুখি হয়ে কোনো মন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনা একটি চরম ব্যতিক্রমী বিষয়। নেট-ইউজির প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সৃষ্ট তীব্র প্রতিক্রিয়া, যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি ও অন্যান্য বিরোধীদের ধারাবাহিক বিক্ষোভ প্রদর্শন এবং দেশজুড়ে তৈরি হওয়া চরম অসন্তোষের মুখে ধর্মেন্দ্র প্রধানের এই স্বতঃস্ফূর্ত বা বাধ্যতামূলক পদত্যাগ মোদি সরকারের গতানুগতিক কৌশলের একটি বড় ব্যতিক্রম ঘটিয়েছে। ইতিপূর্বে কেবল নৈতিক বা ব্যক্তিগত আইনি লড়াইয়ের কারণ দেখিয়ে এম জে আকবরের পদত্যাগ ঘটেছিল। তবে শিক্ষাগত নথিপত্র বা জাতীয় স্তরের পরীক্ষার অনিয়মকে কেন্দ্র করে মধ্যবর্তী সময়ে কোনো প্রথম সারির পূর্ণমন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনা মোদি সরকারের সার্বিক ইতিহাসে প্রথম। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের বিশ্লেষণের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয় যে, এই পদত্যাগটি ভারতীয় রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে কেবল একটি প্রশাসনিক রুটিন কাজ নয়, বরং সরকারের নীতি পরিবর্তন ও রাজনৈতিক চাপের এক বিরল নজির।

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। নেট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার দুই মাস পর এবং নবগঠিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ ও অন্যান্য বিরোধী দলগুলির মাধ্যমে দেশব্যাপী তীব্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই পদত

গত ২০ জুলাই নয়াদিল্লির কেন্দ্রস্থলে ঘটে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতন এবং তার সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাবকে চিহ্নিত করা গেছে। নয়াদিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট ও তলস্তয় মার্গ ক্রসিং থেকে শুরু করে কনট প্লেস পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় তরুণ ভারতীয়রা শিক্ষা ব্যবস্থার সর্বগ্রাসী দুর্নীতি ও অবক্ষয়ে

সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর থেকেই সবার দৃষ্টি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, সেদিকে। সরকার গঠনের পর থেকেই এ পদে বিএনপির জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতার নাম আলোচনায় থাকলেও গত দুই দিনে সম্ভাব্যদের তালিকায় নতুন আরও কয়েকটি নাম যুক্ত হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রগুলোর ভাষ্য, সম্ভাব্যদের তালিকা এখন অনেকটাই সংক