Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

মে দিবস: শ্রমিকের অধিকার কাগজে না কি বাস্তবে

রিতু চক্রবর্ত্তী

রিতু চক্রবর্ত্তী

প্রকাশ : ০১ মে ২০২৬, ০৮: ৩১
মে দিবস: শ্রমিকের অধিকার কাগজে না কি বাস্তবে

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস বিশ্বজুড়ে মেহনতি মানুষের অধিকার ও লড়াইয়ের স্বীকৃতির দিন। ১৮৮৬ সালের ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর হে মার্কেটে ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর পুলিশ গুলি চালালে প্রাণ হারান ১০-১২ জন শ্রমিক। শ্রমিকদের সেই রক্তক্ষয়ী আত্মত্যাগই বিশ্বে প্রথমবার শ্রমিক শ্রেণির অধিকারের ভিত্তি স্থাপন করে।

Advertisement

তবে এই স্বীকৃতি সহজে আসেনি। ১৮৮৯ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক কংগ্রেসে রেমন্ড লাভিনে ১৮৯০ সাল থেকে দিনটি পালনের প্রস্তাব করেন। ১৮৯১ সালে প্রস্তাবটি গৃহীত হয় এবং ১৯০৪ সালে আমস্টারডামে সমাজতন্ত্রীদের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১ মে ‘বাধ্যতামূলক কাজ না করার’ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এভাবেই দীর্ঘ ধারাবাহিক সংগ্রামের পথ ধরে ১ মে বিশ্বজুড়ে মে দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি কেবল একদিনের আন্দোলন নয়, বরং শ্রমিকের মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার আদায়ের দীর্ঘ সংগ্রামের এক চিরন্তন প্রতীক।

রানা প্লাজার ১৩ বছর: শ্রমিকের জীবনের মূল্য বেড়েছে কতটুকুthumbnailbee_x_xjjKTf87A_hq

শ্রমিক দিবস অবশ্য আজকের দিনে এসে সর্বজনীনই বলা যায়। সাধারণ শ্রমিকের অধিকার লঙ্ঘন হোক বা শ্রম শোষণ করা হোক–তাতে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দায়ী, তারাই অনেক ক্ষেত্রে এর আয়োজক। কিন্তু প্রশ্ন হলো–
এই এত বছর পরে এসে শ্রমিকের অধিকার কতটা অর্জিত হলো? 

প্রথমেই আসি বৈশ্বিক পরিস্থিতে। শ্রম অধিকার সূচক বা লেবার রাইটস ইনডেক্স ২০২৪-এর তথ্যমতে, পৃথিবীর অর্ধেকের বেশি মানুষ এমন সব দেশে থাকেন, যেখানে শ্রম আইন অনুযায়ী ভালো পরিবেশে কাজ করার সুযোগ খুব কম বা একেবারেই নেই।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পরিসংখ্যান বলছে, যারা সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় আছেন (একেবারেই কাজের সুযোগ নেই) এবং যারা সবচেয়ে ভালো অবস্থায় আছেন (সব সুযোগ-সুবিধা পান), তাদের সংখ্যা প্রায় সমান–যথাক্রমে ৪% এবং ৪.৫৭%। তবে পৃথিবীর বিশাল একটি অংশ, অর্থাৎ প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষই এমন দেশে বাস করেন, যেখানে কাজের পরিবেশ এবং সুযোগ-সুবিধা মাঝারি মানের। সহজ কথায়, তারা ভালো কাজের খুব সীমিত বা মোটামুটি সুযোগ পান।

‘নারীর শোষণ হয় একবার শ্রমিক হিসেবে, আরেকবার নারী হিসেবে’Women Protestors 2

বাংলাদেশের পরিস্থিতি সার্বিক বিবেচনায় দেখলে অনেকেই বলবে বেশ ভালো। কারণ এই সব মিলিয়ে বাংলাদেশের গড় স্কোর ৭৫। জিপিএর ভাষায় এ গ্রেড। কিন্তু মাতৃত্বকালীন, শিশু ও জোরপূর্বক শ্রম, সামাজিক সুরক্ষা, সংগঠন করার অধিকার, নিরাপদ কাজের পরিবেশ–এই বিভাগগুলো দেখলেই বোঝা যায় অনেক ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি প্রায় সি গ্রেডের কাছাকাছি। 

শ্রম আইনের ৪৫ ও ৪৭ ধারা অনুযায়ী, একজন নারী শ্রমিক মোট ১৬ সপ্তাহ (১১২ দিন) মাতৃত্বকালীন ছুটি পাওয়ার অধিকারী। এর মধ্যে সন্তান প্রসবের আগে ৮ সপ্তাহ এবং পরে ৮ সপ্তাহ।

শ্রম আইনের ৪৬ ও ৪৭ ধারা অনুযায়ী, ছুটিতে যাওয়ার ঠিক আগের তিন মাসে ওই নারী শ্রমিক যে গড় মজুরি পেতেন, তাকে সেই হারে পুরো মজুরি (১০০%) প্রদান করতে হয়। অর্থাৎ, এটি বেতনের দুই-তৃতীয়াংশ নয়; বরং পূর্ণ বেতনের সমান।

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রচলিত আইন অনুযায়ী, মাতৃত্বকালীন আর্থিক সুবিধার পুরো টাকা সরাসরি মালিককে পরিশোধ করতে হয়। কোনো বিমা বা সরকারি তহবিল থেকে এই টাকা দেওয়া হয় না।

বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫-এর ৩৭(ঙ) বিধি এবং শ্রম আইনের মূল ধারা অনুযায়ী, কোনো নারী শ্রমিককে তার গর্ভাবস্থার কারণে বা ছুটির সময়ে ছাঁটাই বা বরখাস্ত করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এটি নারী শ্রমিকদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

rana-plaza-7

কিন্তু শ্রম অধিকার সূচকে মাতৃত্বকালীন সুবিধার স্কোর শূন্য। 

এ তো গেল শুধু মাতৃত্বকালীন সুবিধার কথা। অন্যান্য অনেক বিভাগেই বাংলাদেশের শ্রমিকদের অবস্থান নিয়ে যথেষ্ট দুশ্চিন্তার কারণ আছে। এমনকি বিদ্যমান শ্রম আইন ও আইএলও কনভেনশনও শ্রমিকদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারছে না। এই বিষয়ে উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ মাহা মির্জা বলেছিলেন, আইন থাকলেও আইনের প্রয়োগ না হওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ‘ক্ল্যাসিক এক্সাম্পল’।

তাছাড়া বিদ্যমান শ্রম আইনেও রয়ে গেছে বড়সড় ফাঁক। যেমন সংগঠন করার অধিকারের ক্ষেত্রে সংবিধান সংগঠিত হওয়ার অধিকার দেয়। কিন্তু বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুযায়ী কোনো কারখানার ২০ শতাংশ শ্রমিক না হলে তারা ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করতে পারে না।

বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশে শ্রমিক অধিকার আইন কতটা সুরক্ষা দেয়, সেটাও প্রশ্নবিদ্ধ। শুধু রানা প্লাজার ঘটনায়ই এখনো পর্যন্ত ১৪ টি মামলা ঝুলে আছে। 

অবশ্য স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর এসেও শ্রমিককে যখন তার ন্যায্য অধিকার আদায়ে মার খেতে হয়, তখন এই আলাপগুলোই কতটা গুরুত্ব রাখে, সেখানেও প্রশ্ন থেকে যায়।

বিষয়: অর্থনীতিঅফিসমহান মে দিবসমে দিবসপোশাক শ্রমিকচা শ্রমিকশ্রমিকচাকরিপরিবহন শ্রমিক
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    দেশীয় ব্যবস্থাপনায় লাভজনক এনসিটি, তবু কেন ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা?

  • ২

    ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে কী লাগে? ৫টি যোগ্যতার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনটি?

  • ৩

    বাংলাদেশ লিড নেওয়ার আশায় বাধা রহমতের প্রতিরোধ

  • ৪

    কানাইঘাট সীমান্তে গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার

  • ৫

    দিল্লিতে লকডাউন পরিস্থিতি: ৬ হাজার আটক, সিজেপির আন্দোলন ‘চলবে’

সম্পর্কিত
  • ক্ষমতার ২৫ বছরে কীভাবে এই বাচ্চাদের থামাবেন মোদি?

    ক্ষমতার ২৫ বছরে কীভাবে এই বাচ্চাদের থামাবেন মোদি?

    সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী ও অধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ আল জাজিরাকে বলেন, “মোদি সরকারকে জনগণের কাছে বেশ ভীত বলে মনে হচ্ছে।”

  • ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের কৌশল, রাজনৈতিক মেরুকরণ, ডিজিটাল প্রচারণা এবং আন্তর্জাতিক আইনের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে

  • মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর প্রায় প্রতিদিনের বিক্ষোভ মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এর মাত্র কয়েক মাস আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় একই ধরনের বিক্ষোভের মুখে তার শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।

  • নড়বড়ে মুশফিকুরকে কেন খেলাচ্ছে বাংলাদেশ?

    নড়বড়ে মুশফিকুরকে কেন খেলাচ্ছে বাংলাদেশ?

    আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের একমাত্র টেস্টের স্কোয়াড যখন ঘোষিত হয়, তখন থেকেই আলোচনা ছিল মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বাইরের এরকম একটা অগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কেন মুশফিকুরকে দলে রাখা হলো, সেটা প্রশ্নের উদ্রেক করেছিল। কেননা মুশফিকুরের স্কোয়াডে থাকা মানেই একাদশে থাকাটাও ন