Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

ওপেক ছাড়ল আরব আমিরাত, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জন্য কেন এটি ধাক্কা?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮: ৫৪
ওপেক ছাড়ল আরব আমিরাত, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জন্য কেন এটি ধাক্কা?

জ্বালানি তেল উত্তোলক ও রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক এবং ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত । গতকাল মঙ্গলবার দেশটি এই ঘোষণা দেয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিশ্লেষকরা বলছেন, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর এই গোষ্ঠীর জন্য একটি বড় ধাক্কা। ইরান যুদ্ধের কারণে নজিরবিহীন জ্বালানি সংকট এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান বিরোধের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত এল।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ওপেকের অন্যতম বৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ আরব আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহের ওপর ওপেকের নিয়ন্ত্রণকে দুর্বল করবে। একইসঙ্গে এটি আমিরাতের প্রতিবেশী এবং ওপেকের কার্যত নেতা সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের ফাটলকে আরও প্রশস্ত করবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই আকস্মিক বিদায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৭১ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার আগেই তারা এই সংস্থার সদস্য ছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ওপেক মূলত উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রপ্তানিকারকদের একটি সংস্থা, যা কয়েক দশক ধরে তেলের উৎপাদন কমানো বা বাড়ানোর মাধ্যমে এবং সদস্য দেশগুলোর কোটা নির্ধারণ করে বিশ্ববাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল। সত্তরের দশকের জ্বালানি সংকটে ওপেকের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা বৈশ্বিক জ্বালানি নীতিতে আমূল পরিবর্তন এনেছিল।

১৯৭১ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার আগেই ওপেকের সদস্য ছিল আরব আমিরাত। ছবি: পেক্সেলস
১৯৭১ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার আগেই ওপেকের সদস্য ছিল আরব আমিরাত। ছবি: পেক্সেলস

ওপেক মূলত সৌদি আরবের প্রভাবে চললেও, সংযুক্ত আরব আমিরাতের হাতে ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা । অর্থাৎ, তারা প্রয়োজনমতো উৎপাদন বাড়িয়ে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করার ক্ষমতা রাখত।

দীর্ঘদিন ধরেই আরব আমিরাত এই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবছিল। সহজ কথায়, দেশটি তাদের বিশাল উৎপাদন ক্ষমতাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে চেয়েছিল। ওপেকের কোটার কারণে তাদের উৎপাদন প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫ লাখে ব্যারেলে সীমাবদ্ধ ছিল। ওপেকের সদস্যপদ ধরে রাখতে গিয়ে আরব আমিরাতকে রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে আনুপাতিক হারে অনেক বেশি ত্যাগ স্বীকার করতে হচ্ছিল।

পাথর ফুরিয়ে গিয়েছিল বলে প্রস্তর যুগের অবসান ঘটেনি। তেলের ভাণ্ডার শেষ হয়ে যাবে বলে তেলের যুগের অবসান ঘটবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের সময়টি ইঙ্গিত দেয় যে এতে ইরান যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের উত্তপ্ত পরিস্থিতি ইরানের সঙ্গে আরব আমিরাতের সম্পর্ককে প্রভাবিত করেছে এবং সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের আগে থেকেই থাকা তিক্ত সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

ওপেকের জন্য এটি একটি বড় আঘাত, কারণ সংস্থাটির দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিয়ে এখন বড় প্রশ্ন উঠছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত যখন সমুদ্রপথ বা পাইপলাইনের মাধ্যমে তাদের তেল পুরোপুরি বাজারে পাঠাতে পারবে, তখন তাদের লক্ষ্য হবে দৈনিক ৫০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করা। এর জবাবে সৌদি আরব হয়তো অয়েল প্রাইস ওয়ারের ডাক দিতে পারে। আরব আমিরাতের অর্থনীতি বহুমুখী হওয়ায় তারা এই ধকল সইতে পারলেও, ওপেকের দরিদ্র দেশগুলোর জন্য তা কঠিন হয়ে পড়বে।

হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজ। ছবি: রয়টার্স
হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজ। ছবি: রয়টার্স

আরব আমিরাতের কর্মকর্তারা এখন আবুধাবির তেলক্ষেত্র থেকে নতুন পাইপলাইন তৈরির কথা বলছেন, যা হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সরাসরি ফুজাইরাহ বন্দরে গিয়ে ঠেকবে। বর্তমানে একটি পাইপলাইন চালু থাকলেও, বর্ধিত উৎপাদন সামলাতে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে ট্যাঙ্কার চলাচলের অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় আরও সক্ষমতা প্রয়োজন।

হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের ওপর দ্বিমুখী অবরোধের কারণে তেলের বর্তমান বাজার কিছুটা অস্থির থাকলেও, দীর্ঘমেয়াদে চিত্রটি ভিন্ন হতে পারে। বর্তমানে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১০ ডলারের আশেপাশে রয়েছে। মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা নিরসন হলে আগামী বছর এটি ৫০ ডলারের কাছাকাছি নেমে আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না ।

সত্তরের দশকের তুলনায় বর্তমানে বিশ্ববাজারে ওপেকের গুরুত্ব কমেছে। তখন বিশ্ব তেলের বাজারের ৮৫ শতাংশ ওপেকের নিয়ন্ত্রণে ছিল, যা এখন প্রায় ৫০%-এ নেমে এসেছে।

সৌদি আরবের সাবেক তেল মন্ত্রী শেখ ইয়ামানি বলেছিলেন, পাথর ফুরিয়ে গিয়েছিল বলে প্রস্তর যুগের অবসান ঘটেনি। তেলের ভাণ্ডার শেষ হয়ে যাবে বলে তেলের যুগের অবসান ঘটবে না।

এর অর্থ হলো, পৃথিবী ধীরে ধীরে হাইড্রোকার্বন বাদ দিয়ে বিকল্প জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে। আমিরাতের এই পদক্ষেপকে তেল-নির্ভরতা কমানোর একটি সংকেত হিসেবে দেখা যেতে পারে। চীনের বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব ইতিমধ্যেই বিশ্ববাজারে তেলের চাহিদা দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেল কমিয়ে দিয়েছে। এই প্রবণতা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়লে তেলের চাহিদা এক সময় থমকে যেতে পারে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত চাইছে তেলের চাহিদা পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই তাদের মজুত থেকে যতটা সম্ভব অর্থ আয় করে নিতে। তাদের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ রয়েছে এবং পর্যটন ও আর্থিক সেবার মাধ্যমে তারা তাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছে।

বিষয়: জ্বালানিআমেরিকাইরানযুদ্ধইসরায়েল
সর্বশেষ
  • ১

    এশিয়া কাপ: শিরোপায় চোখ রেখে বাংলাদেশের ‘ভারত পরীক্ষা’

  • ২

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ৩

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৪

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৫

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড