Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় প্রতিবেশীরা আতঙ্কে কেন?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ১৪: ১৮
চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় প্রতিবেশীরা আতঙ্কে কেন?

পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী সাবমেরিনগুলোর প্রধান শক্তিই হলো এদের গোপনীয়তা। সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থেকে শত্রুপক্ষের ওপর পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মারার জন্য এগুলোকে তৈরি করা হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীন নিজেদের এসব পারমাণবিক সাবমেরিনের বিষয়ে সবসময়ই চরম গোপনীয়তা বজায় রাখে।

পেন্টাগনের হিসাব মতে, চীন প্রায় ১০ বছর ধরে সমুদ্রে এসব সাবমেরিন দিয়ে টহল দিচ্ছে, যদিও চীন সরকার তা কখনোই স্বীকার করেনি।

তাই গত ৬ জুলাই প্রশান্ত মহাসাগরে সাবমেরিন থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কথা হঠাৎ প্রকাশ্যে ঘোষণা করায় ওই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

চীনের সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার বরাত দিয়ে দ্য ইকোনমিস্ট জানায়, কোনো আসল বিস্ফোরক ছাড়া (নকল ওয়ারহেডসহ) ছোড়া এই ক্ষেপণাস্ত্রটি আন্তর্জাতিক সাগরে ‘ঠিক নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে পড়েছে’।

তবে জায়গাটি ঠিক কোথায়, তা তারা স্পষ্ট করেনি। চীন এর আগেও সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে, তবে তা নিজেদের উপকূলের কাছে এবং গোপন রেখে করা হতো।

২০২৪ সালে দেশটি মাটির ওপর থেকে ফরাসি পলিনেশিয়ার কাছের সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল, যা ১৯৮০ সালের পর প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের প্রথম প্রকাশ্য পরীক্ষা ছিল।

চীনের ক্ষেপণাস্ত্র। ছবি: রয়টার্স
চীনের ক্ষেপণাস্ত্র। ছবি: রয়টার্স

তবে এবার সাবমেরিন থেকে পরীক্ষার কথা স্বীকার করার ঘটনাটি বেশ বিরল।

এই পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য কী ছিল, তা সঙ্গে সঙ্গেই বোঝা যায়নি। তবে পেন্টাগন মনে করে, ২০২৪ সালে প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধের সময় কীভাবে পারমাণবিক হামলা সামলানো হবে তা শান্তিকালীন সময়ে পরখ করা এবং অনেক দূরের লক্ষ্যবস্তুতে পরমাণু অস্ত্র ফেলার ক্ষমতা যাচাই করা।

সিএমবিইসি করিডোর: চীন-ভারত দ্বন্দ্বে বাংলাদেশ কি ফাঁদে পড়ছে?nalson

পেন্টাগন আরও সতর্ক করেছে যে, চীন দ্রুত তাদের পারমাণবিক অস্ত্রের ভাণ্ডার বাড়াচ্ছে। ২০২৪ সালে চীনের পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা ৬০০-র ঘরে থাকলেও, ২০৩০ সালের মধ্যে তা ১ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের ভয়, তাইওয়ান নিয়ে সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবেই চীন এই পারমাণবিক শক্তি বাড়াচ্ছে যা শেষ পর্যন্ত চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি পারমাণবিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।

চীনের সামরিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই পরীক্ষায় জেএল-২ বা জেএল-৩ মডেলের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

জেএল-২ ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৭ হাজার ২০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। অর্থাৎ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের পশ্চিম অংশে আঘাত হানতে হলে এটিকে মধ্য-প্রশান্ত মহাসাগর থেকে ছুড়তে হবে।

অন্যদিকে জেএল-৩ ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ১০ হাজার  কিলোমিটার দূর পর্যন্ত যেতে পারে। যার অর্থ, চীনের উপকূলীয় এলাকা থেকে ছুড়লেই তা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে আঘাত হানতে পারবে।

গত বছর বেইজিংয়ের সামরিক কুচকাওয়াজে চীন এই দুটি মডেলের ক্ষেপণাস্ত্রই সবার সামনে তুলে ধরেছিল।

চীনের ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটির সাবেক অধ্যাপক ওয়াং চিয়াং তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে বলেন, চলতি বছরের শেষে বা আগামী বছর চীন বিমান থেকেও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরীক্ষা চালাবে।

চীন-আমেরিকা প্রযুক্তি যুদ্ধের ফাঁদে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতিjapan island

তিনি বলেন, এটি সফল হলে স্থল, আকাশ ও সাগর তিন পথেই পারমাণবিক হামলা চালানোর যে সক্ষমতা (নিউক্লিয়ার ট্রায়াড), চীনের তা পুরোপুরি নিশ্চিত হবে।

চীন অবশ্য এই পরীক্ষার আগে আশেপাশের কিছু দেশকে বিষয়টি জানিয়েছিল। তা সত্ত্বেও অনেকে এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

কারণ, ঘটনাটি ঘটেছে তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনের ঠিক আগে এবং অস্ট্রেলিয়া ও ফিজি একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর।

ন্যাটো সম্মেলন। ছবি: রয়টার্স
ন্যাটো সম্মেলন। ছবি: রয়টার্স

ওই অঞ্চলে চীনের সামরিক প্রভাব কমাতে অস্ট্রেলিয়া এই চুক্তিটি করে। অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এই পরীক্ষাকে এলাকা অস্থিতিশীল করার পদক্ষেপ বলে ক্ষোভ জানান।

অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরকে চীন তাদের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জায়গা বানাক তা তারা মোটেও চান না।

অবশ্য শুধু চীন একা নয়, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বাকি চার দেশ যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও রাশিয়া ছাড়াও ভারত এবং উত্তর কোরিয়াও সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে থাকে।

তবে ঠিক এই সময়ে চীনের করা এই পরীক্ষা অঞ্চলটিতে চীনের বাড়তে থাকা শক্তির ভয় যেমন বাড়াবে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ভরসা করেও মিত্ররা কতটা নিরাপদ সেই প্রশ্নও তুলে দেবে।

বিষয়: পরমাণু অস্ত্রক্ষেপণাস্ত্রদ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনসাবমেরিনচীন
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড