Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> বিশ্লেষণ

চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় প্রতিবেশীরা আতঙ্কে কেন?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ১৪: ১৮
চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় প্রতিবেশীরা আতঙ্কে কেন?

পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী সাবমেরিনগুলোর প্রধান শক্তিই হলো এদের গোপনীয়তা। সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থেকে শত্রুপক্ষের ওপর পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মারার জন্য এগুলোকে তৈরি করা হয়।

Advertisement

তবে ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীন নিজেদের এসব পারমাণবিক সাবমেরিনের বিষয়ে সবসময়ই চরম গোপনীয়তা বজায় রাখে।

পেন্টাগনের হিসাব মতে, চীন প্রায় ১০ বছর ধরে সমুদ্রে এসব সাবমেরিন দিয়ে টহল দিচ্ছে, যদিও চীন সরকার তা কখনোই স্বীকার করেনি।

তাই গত ৬ জুলাই প্রশান্ত মহাসাগরে সাবমেরিন থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কথা হঠাৎ প্রকাশ্যে ঘোষণা করায় ওই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

চীনের সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার বরাত দিয়ে দ্য ইকোনমিস্ট জানায়, কোনো আসল বিস্ফোরক ছাড়া (নকল ওয়ারহেডসহ) ছোড়া এই ক্ষেপণাস্ত্রটি আন্তর্জাতিক সাগরে ‘ঠিক নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে পড়েছে’।

তবে জায়গাটি ঠিক কোথায়, তা তারা স্পষ্ট করেনি। চীন এর আগেও সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে, তবে তা নিজেদের উপকূলের কাছে এবং গোপন রেখে করা হতো।

২০২৪ সালে দেশটি মাটির ওপর থেকে ফরাসি পলিনেশিয়ার কাছের সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল, যা ১৯৮০ সালের পর প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের প্রথম প্রকাশ্য পরীক্ষা ছিল।

চীনের ক্ষেপণাস্ত্র। ছবি: রয়টার্স
চীনের ক্ষেপণাস্ত্র। ছবি: রয়টার্স

তবে এবার সাবমেরিন থেকে পরীক্ষার কথা স্বীকার করার ঘটনাটি বেশ বিরল।

এই পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য কী ছিল, তা সঙ্গে সঙ্গেই বোঝা যায়নি। তবে পেন্টাগন মনে করে, ২০২৪ সালে প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধের সময় কীভাবে পারমাণবিক হামলা সামলানো হবে তা শান্তিকালীন সময়ে পরখ করা এবং অনেক দূরের লক্ষ্যবস্তুতে পরমাণু অস্ত্র ফেলার ক্ষমতা যাচাই করা।

সিএমবিইসি করিডোর: চীন-ভারত দ্বন্দ্বে বাংলাদেশ কি ফাঁদে পড়ছে?nalson

পেন্টাগন আরও সতর্ক করেছে যে, চীন দ্রুত তাদের পারমাণবিক অস্ত্রের ভাণ্ডার বাড়াচ্ছে। ২০২৪ সালে চীনের পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা ৬০০-র ঘরে থাকলেও, ২০৩০ সালের মধ্যে তা ১ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের ভয়, তাইওয়ান নিয়ে সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবেই চীন এই পারমাণবিক শক্তি বাড়াচ্ছে যা শেষ পর্যন্ত চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি পারমাণবিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।

চীনের সামরিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই পরীক্ষায় জেএল-২ বা জেএল-৩ মডেলের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

জেএল-২ ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৭ হাজার ২০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। অর্থাৎ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের পশ্চিম অংশে আঘাত হানতে হলে এটিকে মধ্য-প্রশান্ত মহাসাগর থেকে ছুড়তে হবে।

অন্যদিকে জেএল-৩ ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ১০ হাজার  কিলোমিটার দূর পর্যন্ত যেতে পারে। যার অর্থ, চীনের উপকূলীয় এলাকা থেকে ছুড়লেই তা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে আঘাত হানতে পারবে।

গত বছর বেইজিংয়ের সামরিক কুচকাওয়াজে চীন এই দুটি মডেলের ক্ষেপণাস্ত্রই সবার সামনে তুলে ধরেছিল।

চীনের ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটির সাবেক অধ্যাপক ওয়াং চিয়াং তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে বলেন, চলতি বছরের শেষে বা আগামী বছর চীন বিমান থেকেও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরীক্ষা চালাবে।

চীন-আমেরিকা প্রযুক্তি যুদ্ধের ফাঁদে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতিjapan island

তিনি বলেন, এটি সফল হলে স্থল, আকাশ ও সাগর তিন পথেই পারমাণবিক হামলা চালানোর যে সক্ষমতা (নিউক্লিয়ার ট্রায়াড), চীনের তা পুরোপুরি নিশ্চিত হবে।

চীন অবশ্য এই পরীক্ষার আগে আশেপাশের কিছু দেশকে বিষয়টি জানিয়েছিল। তা সত্ত্বেও অনেকে এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

কারণ, ঘটনাটি ঘটেছে তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনের ঠিক আগে এবং অস্ট্রেলিয়া ও ফিজি একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর।

ন্যাটো সম্মেলন। ছবি: রয়টার্স
ন্যাটো সম্মেলন। ছবি: রয়টার্স

ওই অঞ্চলে চীনের সামরিক প্রভাব কমাতে অস্ট্রেলিয়া এই চুক্তিটি করে। অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এই পরীক্ষাকে এলাকা অস্থিতিশীল করার পদক্ষেপ বলে ক্ষোভ জানান।

অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরকে চীন তাদের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জায়গা বানাক তা তারা মোটেও চান না।

অবশ্য শুধু চীন একা নয়, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বাকি চার দেশ যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও রাশিয়া ছাড়াও ভারত এবং উত্তর কোরিয়াও সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে থাকে।

তবে ঠিক এই সময়ে চীনের করা এই পরীক্ষা অঞ্চলটিতে চীনের বাড়তে থাকা শক্তির ভয় যেমন বাড়াবে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ভরসা করেও মিত্ররা কতটা নিরাপদ সেই প্রশ্নও তুলে দেবে।

বিষয়: পরমাণু অস্ত্রক্ষেপণাস্ত্রদ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনসাবমেরিনচীন
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    বরিশালে পরিত্যক্ত স্থান থেকে ৯টি ককটেল উদ্ধার

  • ২

    রাজনৈতিক দলের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমে সুশাসনের ঘাটতি: টিআইবি

  • ৩

    বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় মুরাসু: সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি

  • ৪

    আত্মসমর্পণের পর কারাগারে শওকত আজিজ রাসেল

  • ৫

    হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ২ শিশুর

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ