
আয়োজকেরা জানান, আগের বছরের তুলনায় এবার আরও বড় পরিসরে মেলার আয়োজন করা হয়েছে এবং প্রতিদিন হাজারো মানুষ এতে অংশ নিচ্ছেন।

প্রতিবছর আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এই রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তরা বিশ্বাস করেন রথের দড়ি টানলে অসীম পুণ্য লাভ হয়।

প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, “তিনশ বছরের প্রাচীন এই কেন্দ্রীয় রথযাত্রা এখন সর্বজনীন উৎসবে রূপ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনের বাংলাদেশ হবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ।”

চা শ্রমিকদের মজুরি কাঠামো তুলে ধরে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “শ্রমিকরা দুই ধরনের সুবিধা পেয়ে থাকেন। একদিকে সাপ্তাহিকভিত্তিতে নগদ মজুরি, অন্যদিকে বাগান থেকে বাসস্থান, রেশন ও চিকিৎসা সুবিধা। এছাড়া পরিবারের কোনো সদস্য কাজ ছেড়ে দিলে বা অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের অন্য কোনো সদস্যকে একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি

নগরীর প্রতিটি মন্দিরের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে কেসিসি প্রশাসক বলেন, “দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করাই সবার লক্ষ্য হওয়া উচিৎ। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সন্তানদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং নিরাপত্তার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।”

মৃত্যুর পর হিন্দু-মুসলিম-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ নির্বিশেষে সবাইকে একই জায়গায় সৎকার বা সমাধিস্থ করা হয়। বাংলাদেশের একটি স্থানে এই বিরল ঘটনা ঘটে। একই জায়গায়, মুসলমান ও খ্রিস্টানদের সমাধিস্থ, হিন্দুদের দাহ এবং বৌদ্ধদের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়।

কিন্তু ঢাকার মন্দিরে এখন যে প্রতিমাটি রয়েছে, সেটি তৈরি করা হয়েছিল ১৯৯১ সালে। এটি আসলে রেপ্লিকা বা প্রতিরূপ। সবচেয়ে প্রাচীন দেবী মূর্তিটি নিরাপত্তার জন্য ১৯৪৭ সালে পাঠিয়ে দেওয়া হয় কলকাতায়। আর এখন যে রেপ্লিকাটি ঢাকেশ্বরী মন্দিরে রয়েছে, সেটিও প্রথম রেপ্লিকা নয়।

পাকিস্তানে হঠাৎ করে নাম পরিবর্তনের হিড়িক কেন? লাহোরের বুক থেকে মুছে ফেলা হচ্ছে ‘ইসলামী নাম’। এর বদলে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে পুরনো হিন্দু, শিখ, জৈন এবং ব্রিটিশ আমলের নাম। কিন্তু হঠাৎ কেন এই ঐতিহাসিক ‘ইউ-টার্ন’? এর পেছনে কি শুধুই ইতিহাস রক্ষা, নাকি লুকিয়ে আছে অন্য কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ?

হিন্দু ভোট সুসংহত করে এবং বিরোধী ভোটের বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে বিজেপি পূর্ব ভারতের এই শেষ বড় দুর্গ জয় করতে সক্ষম হয়েছে। গত ১৫ বছর ধরে যে শাসনব্যবস্থা বাংলাকে নিয়ন্ত্রণ করেছে, তার এই নাটকীয় পতন ভারতের জাতীয় রাজনীতিতেও দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সামনেই অসমিয়াদের প্রাণের উৎসব রঙালি বিহু। ভোটের উত্তাপেও চলছে বিহুর প্রস্তুতি। কিন্তু এবারের বিহুতে থাকবেন না তাদের প্রাণপ্রিয় শিল্পী। তাই শোকের ছায়া সর্বত্র। সেই শোকই জন্ম দিচ্ছে ক্ষোভের।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে একের পর এক ইস্যুতে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কে নজিরবিহীন টানাপোড়েন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, সীমান্ত পরিস্থিতি, কূটনৈতিক ভাষ্য—এমনকি ক্রিকেট মাঠ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে এই অবনতি।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে একের পর এক ইস্যুতে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কে নজিরবিহীন টানাপোড়েন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, সীমান্ত পরিস্থিতি, কূটনৈতিক ভাষ্য—এমনকি ক্রিকেট মাঠ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে এই অবনতি।

বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্বাচনের সময়গুলোতে দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক সহিংসতা বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। তীব্র রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং সামাজিক উত্তেজনার মধ্যে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় সবচেয়ে বেশি।

বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসানের মুখোমুখি হয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ

ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতার পুত্র হিসেবেই ক্রিকেট প্রশাসনে এসেছেন জয় শাহ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব হিসেবে কাজ করে তিনি আইসিসির চেয়ারম্যান হয়েছেন। মোস্তাফিজ-ইস্যুতে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যেতে অনড় বাংলাদেশ। এটি এখন বাংলাদেশের জাতীয় মর্যাদার বিষয়। জয় শাহ এখন কী সিদ্ধান্ত নেবেন?

হিন্দুত্ববাদীদের কাছে হিন্দু-প্রধান ভারতের যে কল্পনা এক সময় দিবাস্বপ্নের মতো ছিল; তা এখন অনেকটাই মূলধারায় চলে এসেছে। কীভাবে এই স্বপ্ন সফল হতে চলেছে তা নিয়ে দুটো প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে নিউইয়র্ক টাইমস।

লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনের সামনে হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি প্রতিবাদ সমাবেশে বাধা দিয়েছে খালিস্তানপন্থিরা। বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্যান্য অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতার প্রতিবাদে ওই সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল।

ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাসকে পি*টিয়ে হ*ত্যা এবং তার ম*রদেহ পো*ড়ানোর প্রতিবাদে ২৬ ডিসেম্বর (২০২৫) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট। ভিডিও: হাসান জোবায়েদ সজিব

ময়মনসিংহে পোশাকশ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসের হ*ত্যার বিচার এবং তার পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতে ২৪ ডিসেম্বর (২০২৪) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করেছে গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলন।

বিষয়টি নিয়ে নিন্দা এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি অচিন্ত কুমার বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক অশোক শাহা।