চরচা ডেস্ক

বাগেরহাটের লাউপালায় প্রায় ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী রথমেলায় প্রতিদিনই ভিড় করছেন হাজারো হিন্দু ভক্ত ও দর্শনার্থী। ধর্মীয় আবহের পাশাপাশি হস্তশিল্প, গৃহস্থালি সামগ্রী, নাগরদোলা এবং বিখ্যাত বিশাল আকৃতির ‘বালিশ মিষ্টি’ নিয়ে জমে উঠেছে গ্রামীণ এই ঐতিহ্যবাহী মেলা।
দেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহত্তম রথ উৎসব হিসেবে পরিচিত এই মাসব্যাপী মেলার সূচনা হয় গত বৃহস্পতিবার। এদিন বাগেরহাট সদর উপজেলার লাউপালা গ্রামের শ্রীশ্রী গোপাল জিউ মন্দির থেকে ভগবান জগন্নাথের রথযাত্রার মধ্য দিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিদিনই সব বয়সী দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর থাকছে মেলাপ্রাঙ্গণ। সেখানে ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প, বাঁশ ও বেতের তৈরি সামগ্রী, খেলনা, প্রসাধনী, গৃহস্থালি পণ্য এবং ধর্মীয় উপকরণের দোকানগুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। এ ছাড়া, সার্কাস, বিভিন্ন রাইড এবং খাবারের স্টলও দর্শনার্থীদের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।
মেলার সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলোর একটি হলো বিখ্যাত ‘বালিশ মিষ্টি’। প্রায় দেড় কেজি ওজনের এই বিশাল মিষ্টির প্রতিটির দাম ৫০০ টাকা।
বাগেরহাট ছাড়াও ঢাকা, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, নড়াইল ও গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ভক্তরা প্রতিবছরের এই উৎসবে অংশ নিতে মেলায় আসছেন।
আয়োজকদের ভাষ্য, লাউপালার এই মন্দিরে প্রায় চার শতাব্দী ধরে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রথ উৎসব।
ভগবান জগন্নাথের রথের উল্টোযাত্রা বা ‘উল্টো রথ’ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ জুলাই। অনেক ভক্তের বিশ্বাস, রথের দড়ি স্পর্শ করলে আধ্যাত্মিক আশীর্বাদ লাভ হয় এবং পাপ মোচন হয়।
ধর্মীয় ছবি ও পূজার সামগ্রীর বিক্রেতা বীরেন দেবনাথ বলেন, “গত ছয় দশক ধরে আমরা এই মেলায় দোকান দিচ্ছি। এ বছর দর্শনার্থী বেশি হওয়ায় ব্যবসাও খুব ভালো হচ্ছে।”
খেলনা বিক্রেতা আবদুর রাজ্জাক জানান, তিনি প্রায় ৩৫ বছর ধরে এই মেলায় অংশ নিচ্ছেন। এবার ভালো বিক্রির আশায় তিনি বিপুল পরিমাণ খেলনা নিয়ে এসেছেন।
ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও বেতের পণ্য বিক্রেতারা বলেন, গ্রামীণ কারুশিল্প সংরক্ষণ এবং স্থানীয় কারিগরদের সহায়তায় এই মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আয়োজকেরা জানান, আগের বছরের তুলনায় এবার আরও বড় পরিসরে মেলার আয়োজন করা হয়েছে এবং প্রতিদিন হাজারো মানুষ এতে অংশ নিচ্ছেন।
রথ উৎসব উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় কুমার ঘোষ বলেন, “এই মেলা এলাকার দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক। বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একসঙ্গে এই উৎসবে অংশ নেন।”
আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মাসব্যাপী এই উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মেলাপ্রাঙ্গণে ইউনিফর্মধারী ও সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

বাগেরহাটের লাউপালায় প্রায় ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী রথমেলায় প্রতিদিনই ভিড় করছেন হাজারো হিন্দু ভক্ত ও দর্শনার্থী। ধর্মীয় আবহের পাশাপাশি হস্তশিল্প, গৃহস্থালি সামগ্রী, নাগরদোলা এবং বিখ্যাত বিশাল আকৃতির ‘বালিশ মিষ্টি’ নিয়ে জমে উঠেছে গ্রামীণ এই ঐতিহ্যবাহী মেলা।
দেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহত্তম রথ উৎসব হিসেবে পরিচিত এই মাসব্যাপী মেলার সূচনা হয় গত বৃহস্পতিবার। এদিন বাগেরহাট সদর উপজেলার লাউপালা গ্রামের শ্রীশ্রী গোপাল জিউ মন্দির থেকে ভগবান জগন্নাথের রথযাত্রার মধ্য দিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিদিনই সব বয়সী দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর থাকছে মেলাপ্রাঙ্গণ। সেখানে ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প, বাঁশ ও বেতের তৈরি সামগ্রী, খেলনা, প্রসাধনী, গৃহস্থালি পণ্য এবং ধর্মীয় উপকরণের দোকানগুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। এ ছাড়া, সার্কাস, বিভিন্ন রাইড এবং খাবারের স্টলও দর্শনার্থীদের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।
মেলার সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলোর একটি হলো বিখ্যাত ‘বালিশ মিষ্টি’। প্রায় দেড় কেজি ওজনের এই বিশাল মিষ্টির প্রতিটির দাম ৫০০ টাকা।
বাগেরহাট ছাড়াও ঢাকা, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, নড়াইল ও গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ভক্তরা প্রতিবছরের এই উৎসবে অংশ নিতে মেলায় আসছেন।
আয়োজকদের ভাষ্য, লাউপালার এই মন্দিরে প্রায় চার শতাব্দী ধরে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রথ উৎসব।
ভগবান জগন্নাথের রথের উল্টোযাত্রা বা ‘উল্টো রথ’ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ জুলাই। অনেক ভক্তের বিশ্বাস, রথের দড়ি স্পর্শ করলে আধ্যাত্মিক আশীর্বাদ লাভ হয় এবং পাপ মোচন হয়।
ধর্মীয় ছবি ও পূজার সামগ্রীর বিক্রেতা বীরেন দেবনাথ বলেন, “গত ছয় দশক ধরে আমরা এই মেলায় দোকান দিচ্ছি। এ বছর দর্শনার্থী বেশি হওয়ায় ব্যবসাও খুব ভালো হচ্ছে।”
খেলনা বিক্রেতা আবদুর রাজ্জাক জানান, তিনি প্রায় ৩৫ বছর ধরে এই মেলায় অংশ নিচ্ছেন। এবার ভালো বিক্রির আশায় তিনি বিপুল পরিমাণ খেলনা নিয়ে এসেছেন।
ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও বেতের পণ্য বিক্রেতারা বলেন, গ্রামীণ কারুশিল্প সংরক্ষণ এবং স্থানীয় কারিগরদের সহায়তায় এই মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আয়োজকেরা জানান, আগের বছরের তুলনায় এবার আরও বড় পরিসরে মেলার আয়োজন করা হয়েছে এবং প্রতিদিন হাজারো মানুষ এতে অংশ নিচ্ছেন।
রথ উৎসব উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় কুমার ঘোষ বলেন, “এই মেলা এলাকার দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক। বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একসঙ্গে এই উৎসবে অংশ নেন।”
আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মাসব্যাপী এই উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মেলাপ্রাঙ্গণে ইউনিফর্মধারী ও সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

গত ৮ জুলাই স্বামী রনির সাথে চলে যাওয়ার জন্য নগরীর বসুপাড়া বাঁশতলা এলাকার বাড়ি থেকে বের হয় নির্জনা। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে রাস্তা থেকে বাড়ি নিয়ে আসে। ওইদিন বিকেলে মা সীমার সাথে নির্জনার কথা কাটাকাটি হয়। সে সময় নির্জনা মায়ের গায়ে হাত তোলে। এরপর সীমার গলা টিপে ধরে নির্জনা।

প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনা সত্ত্বেও প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণে ক্রয় করা মোটরযান রক্ষণাবেক্ষণ খরচ ৫০ হাজার টাকা বহাল থাকার পেছনে কোন শক্তির প্রভাব কাজ করেছে—এমন প্রশ্ন তুলেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।