
বিমানবাহিনীর জন্য কি তবে পাকিস্তান আর চীনের যৌথ উদ্যোগের তৈরি মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান জেএফ–১৭ থান্ডার ব্লক থ্রি আসছে? এই যুদ্ধবিমান কতটা শক্তিশালী? বাংলাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষায় এটি কতটা উপযোগী? আকাশ-প্রতিরক্ষায় পরীক্ষিত এই যুদ্ধবিমান কিন্তু দুবার ভারতকে ভুগিয়েছে।

সবার কৌতূহল, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে আসলে কোন যুদ্ধবিমান আসতে যাচ্ছে? বাংলাদেশ কী জে–১০ সিই আনছে? নাকি ইউরোটাইফুন আনছে? নাকি শেষ পর্যন্ত জেএফ–১৭ থান্ডার ব্লক থ্রি দিয়েই বিমান বাহিনীকে আধুনিক করবে বাংলাদেশ?

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায়। সরকার ঘোষিত ক্ষতিপূরণের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা। তারা ৮ জানুয়ারি (২০২৬) ডিআরইউ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।

ভেনেজুয়েলার সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে পুয়ের্তো রিকোয় আমেরিকা অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। ক্যারিবীয় অঞ্চলে বিমানবাহী রণতরী ও যুদ্ধজাহাজসহ সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে তারা। মাদক পাচার ইস্যুকে কেন্দ্র করে ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে।

পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বহরের জন্য ৬৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার মূল্যের উন্নত প্রযুক্তি ও সহায়তা পরিষেবা বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে আমেরিকা।

ইউরোফাইটার টাইফুন কেনার জন্য মঙ্গলবার ইতালীয় কোম্পানি ‘লিওনার্দো এসপিএ’র সঙ্গে সম্মতিপত্র সই করেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। বাংলাদেশের আকাশ-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বদলে দিতে আসছে ৪.৫ প্রজন্মের এই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান। কিছুদিন আগেই খবর এসেছিল চীনের তৈরি ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার।
ইউরোফাইটার টাইফুন কিনতে ইতালির লিওনার্দো এসপিওর সঙ্গে সম্মতিপত্র সই করেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। চীনের জে–১০সিই যুদ্ধবিমানের কথাও শোনা গিয়েছিল? ইউরোফাইটার কিনলে বাংলাদেশ কী জে–১০সিই নিয়েও ভাববে?

জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি বলেন, ”এসব যৌথ টহল স্পষ্ট ভাবেই জাপানের বিরুদ্ধে শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর উদ্বেগের।”

ইতালি থেকে অত্যাধুনিক ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে ইতালির প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান লিওনার্দো এসপিএ–র সঙ্গে একটি আগ্রহপত্র সই করেছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।

ইতালির কাছ থেকে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান 'ইউরোফাইটার টাইফুন' কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে গতকাল মঙ্গলবার ইতালির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লিওনার্দো এসপিএর সঙ্গে আগ্রহপত্র সই বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।

ফ্রান্স ও ইউক্রেনের রাফাল চুক্তি কেবল অস্ত্র বিক্রির ঘটনা নয়; এটি ইউরোপ, এশিয়া ও বৈশ্বিক কৌশলগত পরিমণ্ডলে শক্তির পুনর্গঠনের প্রতীক। তাৎক্ষণিক সামরিক সুবিধা সীমিত হলেও, দীর্ঘমেয়াদে এই চুক্তি ইউরোপীয় নেতৃত্ব, আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য এবং ভারতের প্রতিরক্ষা উচ্চাকাঙ্ক্ষার ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

দুবাই এয়ার শোয়ে ভারতের নিজেদের তৈরি তেজাস মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়া দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা–প্রযুক্তির সক্ষমতা অর্জনের স্বপ্নকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের চীনের সহায়তায় তৈরি জেএফ থান্ডার–১৭ ব্লক থ্রি আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রির ব্যাপারে এগিয়ে গেছে অনেকটাই

আমেরিকা-চীন ইকোনোমিক অ্যান্ড সিকিউরিটি রিভিউ কমিশনের এই প্রতিবেদনে বলা হয়, চারদিনের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ফায়দা লুটেছে চীন। তারা আধুনিক সমরাস্ত্র ব্যবস্থার একটা পরীক্ষা চালিয়েছে। তারা দেখতে চেয়েছে, নিজেদের এসব অস্ত্র আসলে কেমন কাজ করে।

দুবাইয়ের আল মাখতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আজ শুক্রবার চলছিল এই বিমান প্রদর্শনী। দুপুরের পর একটি অ্যারোবেটিক ডিসপ্লে দেখানোর সময় তেজস জেটটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে। মুহূর্তেই আগুন ধরে যায়, ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ।

দুবাইয়ের আল মাখতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আজ শুক্রবার চলছিল এই বিমান প্রদর্শনী। দুপুরের পর একটি অ্যারোবেটিক ডিসপ্লে দেখানোর সময় তেজস জেটটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে। মুহূর্তেই আগুন ধরে যায়, ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ।

এফ-৩৫ হলো লকহিড মার্টিন নির্মিত পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান। এর বিশেষত্ব হলো রাডার এড়ানো, দীর্ঘপাল্লার আক্রমণ ক্ষমতা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতা।

এফ-৩৫ হলো লকহিড মার্টিন নির্মিত পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান। এর বিশেষত্ব হলো রাডার এড়ানো, দীর্ঘপাল্লার আক্রমণ ক্ষমতা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতা।

একজন কর্মকর্তা বলেন, পিপলস লিবারেশন আর্মির রাশিয়ার সীমান্তের কাছে এই ধরনের সুবিধা রয়েছে। তবে, ভারত-চীন সীমান্তের তিব্বত অঞ্চলে মাটির নিচে এই ধরনের বিস্ফোরণ প্রতিরোধী সুবিধা তৈরি করা একটি ‘নতুন পদক্ষেপ’।

একজন কর্মকর্তা বলেন, পিপলস লিবারেশন আর্মির রাশিয়ার সীমান্তের কাছে এই ধরনের সুবিধা রয়েছে। তবে, ভারত-চীন সীমান্তের তিব্বত অঞ্চলে মাটির নিচে এই ধরনের বিস্ফোরণ প্রতিরোধী সুবিধা তৈরি করা একটি ‘নতুন পদক্ষেপ’।