চরচা ডেস্ক

ভারতের অরুণাচল প্রদেশের কাছে তিব্বতের বিভিন্ন বিমানঘাঁটিতে চীনের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ভারতে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে নতুন বাংকার তৈরি করার বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
তিব্বতের রাজধানী লাসার গঙ্গর বিমানবন্দরে চীন মাটির নিচে বাংকার নির্মাণ করেছে। এই বিমানঘাঁটিটি ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে মাত্র ১৩৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে জড়িত তিন কর্মকর্তা হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বিমানঘাঁটিটি আগে ‘আঞ্চলিক সংযোগ’ বৃদ্ধির জন্য তৈরি হয়েছিল, তা এখন একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে রূপান্তরিত করা হচ্ছে।
কর্মকর্তারা আরও দাবি করেন, ঘাঁটিতে প্রায় তিনটি স্কোয়াড্রন বা প্রায় ৩৬টি যুদ্ধবিমান রাখা যেতে পারে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভারত ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা উষ্ণ হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে একটি অনানুষ্ঠানিক শীর্ষ সম্মেলনের জন্য উহান সফর করেছিলেন। সফরে দুই নেতা সম্পর্ক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন।
এই সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছিল গত বছর ডোকলাম সংকটের পর, সম্পর্কের উন্নয়নের পরেও দুই দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো একে অপরের সামরিক সক্ষমতার ওপর কড়া নজর রেখেছে।
বোমা প্রতিরোধী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে একজন কর্মকর্তা বলেন, “যুদ্ধবিমান রাখার জন্য বিস্ফোরণ প্রতিরোধী হ্যাঙ্গার তখনই দরকার হয়, যখন শত্রুতার সম্ভাবনা থাকে। খোলা জায়গায় রাখা যুদ্ধবিমানগুলো যুদ্ধের সময় হামলার শিকার হতে পারে, তাই সেগুলোকে এই নিরাপদ আশ্রয়ের ভেতরে রাখা হয়। যখন প্রয়োজন হয়, তখন আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বের করে উড্ডয়নের জন্য প্রস্তুত করা হয়।”
আরেক কর্মকর্তা যোগ করেন, পিপলস লিবারেশন আর্মির রাশিয়ার সীমান্তের কাছে এই ধরনের সুবিধা রয়েছে। তবে, ভারত-চীন সীমান্তের তিব্বত অঞ্চলে মাটির নিচে এই ধরনের বিস্ফোরণ প্রতিরোধী সুবিধা তৈরি করা একটি ‘নতুন পদক্ষেপ’।
নয়াদিল্লির অস্বস্তির ব্যাপারে কর্মকর্তারা বলেন, কিছু বিমানঘাঁটির কাছে সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল ঘাঁটি এবং হেলিকপ্টার ঘাঁটিগুলোর শক্তি ও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, সিকিমের বিপরীতে অবস্থিত শিগেতসে বিমানঘাঁটির কাছে অবস্থিত এসএএম ঘাঁটিটিও বাড়ানো হয়েছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদকে পরামর্শ দেওয়া বিশেষজ্ঞ সংস্থা ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এল নরসিংহন বলেছেন, “মনে হচ্ছে চীন তাদের প্রতিরক্ষা পরিকাঠামোর উন্নতি করছে। ভারতেরও উচিত নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করা এবং যেকোনো জরুরি অবস্থা সামাল দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকা।”
ভারত উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত বরাবর অবস্থিত অ্যাডভান্সড ল্যান্ডিং গ্রাউন্ডস বা উন্নত অবতরণ ক্ষেত্রগুলোর আধুনিকীকরণ করছে। অরুণাচল প্রদেশের ওয়ালং, মেচুকা, টুটিং, পাসিঘাট এবং জিরো-তে অবস্থিত এই অস্থায়ী বিমানঘাঁটিগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তৈরি করা হয়েছিল এবং বর্তমানে সেগুলোকে সংস্কার করা হয়েছে।

ভারতের অরুণাচল প্রদেশের কাছে তিব্বতের বিভিন্ন বিমানঘাঁটিতে চীনের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ভারতে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে নতুন বাংকার তৈরি করার বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
তিব্বতের রাজধানী লাসার গঙ্গর বিমানবন্দরে চীন মাটির নিচে বাংকার নির্মাণ করেছে। এই বিমানঘাঁটিটি ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে মাত্র ১৩৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে জড়িত তিন কর্মকর্তা হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বিমানঘাঁটিটি আগে ‘আঞ্চলিক সংযোগ’ বৃদ্ধির জন্য তৈরি হয়েছিল, তা এখন একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে রূপান্তরিত করা হচ্ছে।
কর্মকর্তারা আরও দাবি করেন, ঘাঁটিতে প্রায় তিনটি স্কোয়াড্রন বা প্রায় ৩৬টি যুদ্ধবিমান রাখা যেতে পারে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভারত ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা উষ্ণ হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে একটি অনানুষ্ঠানিক শীর্ষ সম্মেলনের জন্য উহান সফর করেছিলেন। সফরে দুই নেতা সম্পর্ক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন।
এই সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছিল গত বছর ডোকলাম সংকটের পর, সম্পর্কের উন্নয়নের পরেও দুই দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো একে অপরের সামরিক সক্ষমতার ওপর কড়া নজর রেখেছে।
বোমা প্রতিরোধী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে একজন কর্মকর্তা বলেন, “যুদ্ধবিমান রাখার জন্য বিস্ফোরণ প্রতিরোধী হ্যাঙ্গার তখনই দরকার হয়, যখন শত্রুতার সম্ভাবনা থাকে। খোলা জায়গায় রাখা যুদ্ধবিমানগুলো যুদ্ধের সময় হামলার শিকার হতে পারে, তাই সেগুলোকে এই নিরাপদ আশ্রয়ের ভেতরে রাখা হয়। যখন প্রয়োজন হয়, তখন আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বের করে উড্ডয়নের জন্য প্রস্তুত করা হয়।”
আরেক কর্মকর্তা যোগ করেন, পিপলস লিবারেশন আর্মির রাশিয়ার সীমান্তের কাছে এই ধরনের সুবিধা রয়েছে। তবে, ভারত-চীন সীমান্তের তিব্বত অঞ্চলে মাটির নিচে এই ধরনের বিস্ফোরণ প্রতিরোধী সুবিধা তৈরি করা একটি ‘নতুন পদক্ষেপ’।
নয়াদিল্লির অস্বস্তির ব্যাপারে কর্মকর্তারা বলেন, কিছু বিমানঘাঁটির কাছে সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল ঘাঁটি এবং হেলিকপ্টার ঘাঁটিগুলোর শক্তি ও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, সিকিমের বিপরীতে অবস্থিত শিগেতসে বিমানঘাঁটির কাছে অবস্থিত এসএএম ঘাঁটিটিও বাড়ানো হয়েছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদকে পরামর্শ দেওয়া বিশেষজ্ঞ সংস্থা ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এল নরসিংহন বলেছেন, “মনে হচ্ছে চীন তাদের প্রতিরক্ষা পরিকাঠামোর উন্নতি করছে। ভারতেরও উচিত নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করা এবং যেকোনো জরুরি অবস্থা সামাল দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকা।”
ভারত উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত বরাবর অবস্থিত অ্যাডভান্সড ল্যান্ডিং গ্রাউন্ডস বা উন্নত অবতরণ ক্ষেত্রগুলোর আধুনিকীকরণ করছে। অরুণাচল প্রদেশের ওয়ালং, মেচুকা, টুটিং, পাসিঘাট এবং জিরো-তে অবস্থিত এই অস্থায়ী বিমানঘাঁটিগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তৈরি করা হয়েছিল এবং বর্তমানে সেগুলোকে সংস্কার করা হয়েছে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।