
সৌদি আরবের সাথে প্রস্তাবিত বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তির বিষয়ে নতুন করে শর্ত দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

তেহরান যুদ্ধ থেকে অর্জিত সুবিধাকে স্থায়ী কৌশলগত প্রভাবে পরিণত করতে চায় এবং হরমুজ প্রণালির আশপাশে নিজের প্রভাবশালী অবস্থানকে স্বীকৃতি আদায় করতে চাইছে।

চীনের সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, পিপলস লিবারেশন আর্মি নেভির (পিএলএএন) একটি পারমাণবিক সাবমেরিন স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১ মিনিটে একটি ডামি ওয়ারহেড বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র আন্তর্জাতিক জলসীমার দিকে উৎক্ষেপণ করে।

১৯৬২ সালের কিউবান মিসাইল ক্রাইসিসের চরম উত্তেজনা ও বিশ্বযুদ্ধের হুমকি থেকে শিক্ষা নিয়ে জন্ম হয়েছিল ঐতিহাসিক হটলাইন ব্যবস্থার। দুর্ঘটনাবশত বা ভুল বোঝাবুঝি থেকে পারমাণবিক যুদ্ধ এড়াতে ১৯৬৩ সালের ২০ জুন প্রথমবার ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে এই চুক্তি সই হয়। স্নায়ুযুদ্ধের আদি ধারণা আজ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে

খসড়া চুক্তি অনুযায়ী, আমেরিকা ইরানকে অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য বিক্রির অনুমতি দেবে। এ ছাড়া পরবর্তী আলোচনায় পারমাণবিক কর্মসূচি-সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারলে ইরান ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি উন্নয়ন তহবিল ব্যবহারের সুযোগ পেতে পারে। তবে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ কী হবে–সে বিষয়ে এই

ভারতের মোট পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যাও বেড়েছে। গত বছর যেখানে ভারতের মোট পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা ছিল ১৮০টি, তা এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯০টিতে। এই ১৯০টি অস্ত্রের মধ্যে ১২টি সরাসরি মোতায়েন করা হলেও বাকি ১৭৮টি ওয়ারহেড এখনও কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।

চীনা এই নেতা ২০১৯ সালের পর থেকে আর পিয়ংইয়ং সফরে যাননি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি নিজের বিদেশ সফর একেবারেই কমিয়ে এনেছেন। আজকাল সাধারণত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিংবা রাশিয়ার নেতা ভ্লাদিমির পুতিনের মতো বিশ্ব নেতারাই তার সাথে দেখা করতে বেইজিংয়ে আসেন।

বৈশ্বিক পরিবর্তনের পালাবদল শুরু হয়েছে। এর ভবিষ্যৎই কোন দিকে? বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণে।

বিশ্বজুড়ে দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে যখন আন্তর্জাতিক কূটনীতি, সামরিক হুমকি এবং তেহরান, ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের মধ্যকার আলোচনা একটি মাত্র সংখ্যার ওপর থমকে আছে–যা হলো ইরানের ৪৫০ কিলোগ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (আরএনপিপি) প্রথম ইউনিটে সফলভাবে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম লোডিং সম্পন্ন হয়েছে।

পরমাণু বিজ্ঞানীরা মনে করেন, রূপপুর টানা ৬০ বছর নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেবে, এটা বাস্তব। কিন্তু আতঙ্ক নিয়ে ৬০ বছর এই কেন্দ্রের পাশে বসবাস! সেটা অবাস্তব

রূপপুরের সবচেয়ে সংবেদনশীল বিতর্কগুলোর একটি হলো এর জনঘনত্ব প্রেক্ষাপট। পাবনা জেলার ঈশ্বরদী এলাকায় প্রকল্পটি অবস্থিত, যেখানে আশপাশে ঘনবসতিপূর্ণ গ্রামীণ জনপদ রয়েছে। পারমাণবিক নিরাপত্তা বিশ্লেষণে সাধারণত বড় দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ৩০-৫০ কিলোমিটার রেডিয়াসের ইমার্জেন্সি প্ল্যানিং জোন (ইপিজেড) বিবেচনা করা হয়।

পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলোকে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি)’র আওতায় তাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে।

পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) পর্যালোচনা সম্মেলনে ইরানকে অন্যতম সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা নিয়ে জাতিসংঘে বিতণ্ডায় জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ইরানের এ নির্বাচন এনপিটি চুক্তিকে নিয়ে ‘উপহাস’ বলে বর্ণনা করেছে ওয়াশিংটন।

ভ্যান্স আরও বলেন, “ইরান বলছে তারা পারমাণবিক অস্ত্র বানাবে না। কিন্তু বাস্তবেও যেন এমন ঘটে সেটি আমরা নিশ্চিত করতে চাই।”

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বহুমুখী হামলার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত ১৯ মার্চের পর এটিই তেলের সর্বোচ্চ দাম।

ইরানে সম্ভাব্য পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে জাতিসংঘ থেকে পদত্যাগ করেছেন সংস্থাটির এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক। মোহাম্মদ সাফা নামের ওই কূটনীতিক অভিযোগ করেছেন, জাতিসংঘ এমন এক ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে যেখানে ইরানে পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা রয়েছে।

ইসরায়েল তাদের পারমাণবিক অস্ত্রের অস্তিত্ব নিশ্চিতও করে না, আবার অস্বীকারও করে না। কার্যত, এই অস্পষ্টতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একটি কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। আর তা হলো, ঠিক কোন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল প্রকৃতপক্ষে এগুলো ব্যবহার করবে?

মার্কিন সাংবাদিক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী লিওন হাডারের বিশ্লেষণে একটি কেন্দ্রীয় থিম বারবার ফিরে আসে—যুক্তরাষ্ট্র তার অতীত থেকে শিক্ষা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক যুদ্ধ, বিশেষ করে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ হাডারের মতে কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; বরং এটি দীর্ঘদিনের নীতিগত ভুল, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস এবং

পারমাণবিক অ/স্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের বর্তমান অবস্থান থেকে কখনোই সরবে না উত্তর কোরিয়া। অর্থনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে পারমাণবিক অ/স্ত্র কমানোর প্রস্তাব পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন কিম জং উন। দক্ষিণ কোরিয়াকে সবচেয়ে বড় শত্রু আখ্যা দিয়ে যেকোনো অপচেষ্টায় কঠোর প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।