চরচা ডেস্ক

আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক দীর্ঘায়িত করার লক্ষ্যে আগামীকাল মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। বৈঠকে তেল, নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং প্রযুক্তিগত নানা বিষয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
২০১৮ সালে খাশোগি হত্যাকান্ডের পরে প্রথমবার আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন যুবরাজ বিন সালমান।
রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করছেন যুবরাজ বিন সালমান। পাশাপাশি গাজায উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ এবং সিরিয়াকে 'আরব অক্ষে' ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি।
২০২৫ সালে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরে সৌদি-মার্কিন অর্থনৈতিক লেনদেন ফের সচল হয়েছে। সৌদি আরব ৬০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে দেশটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কিনবে বলেও জানানো হয় প্রতিবেদনে।
সৌদি নেতা মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার চাচ্ছে। পাশাপাশি একটি বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচির চুক্তির ব্যাপারেও ভাবছে দেশটি।

আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক দীর্ঘায়িত করার লক্ষ্যে আগামীকাল মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। বৈঠকে তেল, নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং প্রযুক্তিগত নানা বিষয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
২০১৮ সালে খাশোগি হত্যাকান্ডের পরে প্রথমবার আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন যুবরাজ বিন সালমান।
রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করছেন যুবরাজ বিন সালমান। পাশাপাশি গাজায উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ এবং সিরিয়াকে 'আরব অক্ষে' ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি।
২০২৫ সালে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরে সৌদি-মার্কিন অর্থনৈতিক লেনদেন ফের সচল হয়েছে। সৌদি আরব ৬০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে দেশটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কিনবে বলেও জানানো হয় প্রতিবেদনে।
সৌদি নেতা মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার চাচ্ছে। পাশাপাশি একটি বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচির চুক্তির ব্যাপারেও ভাবছে দেশটি।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।