
মেয়র নির্বাচিত হওয়ার দুদিন না যেতেই পুয়ের্তো রিকোতে ছুটে আসেন মামদানি। উদ্দেশ্য, সম্মেলনে অংশ নেওয়া। মেয়র হওয়ার পর এটিই তার প্রথম বড় রাজনৈতিক সফর।

নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণ
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েক সপ্তাহ ধরে জনসমক্ষে জোহরান মামদানিকে একজন উগ্রপন্থী, কমিউনিস্ট এবং নিউইয়র্ক সিটির জন্য হুমকি বলে আখ্যা দিচ্ছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ৩৪ বছর বয়সী মামদানির চেয়ে তিনি ‘অনেক বেশি আকর্ষণীয়’।

মনস্তাত্ত্বিক গবেষণাগুলো বলছে, একজনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়া আত্মমর্যাদা এবং মানসিক সুস্থতা বৃদ্ধি করে। আর এই কারণেই হয়ত জোহরান তার মেয়র হিসেবে প্রথম কর্মদিবসে দক্ষিণ এশীয় খাবার দিয়ে উদযাপন করলেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি মামদানি বাধার সম্মুখীন হন, তাহলে অনেক নিউইয়র্কবাসীর সহানুভূতিও তিনি পাবেন। তার নেতৃত্বকে অনেকে দেখছেন পরিবর্তনের প্রতীক এবং নতুন এক প্রজন্মের আশা হিসেবে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ব্রুকলিনে বিজয় ভাষণে মামদানি বলেন, “ডোনাল্ড ট্রাম্প, আমি যত দূর জানি, আপনি দেখছেন। আমি আপনাকে চারটি শব্দ বলব: টার্ন দ্য ভলিউম আপ (আওয়াজ বাড়ান)।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের জন্য এসব নির্বাচন ছিল এক ধরনের পরীক্ষা। বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রথম বড় এই পরীক্ষায় ট্রাম্প হেরে গেছেন।

জোহরান মামদানি নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র। ভোটের আগে বিভিন্ন জরিপে কুমো ও রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়ার চেয়ে জনসমর্থনে বড় ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন তিনি।