আসক আরও জানায়, দেশের উচ্চ আদালত আগেই স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন–গ্রাম্য সালিশ বা কোনো অ-বিচারিক কাঠামোর দ্বারা শারীরিক শাস্তি বা জরিমানা আইনসম্মত নয়।
মতাদর্শিক অবস্থান বা সামাজিক চাপের অজুহাতে শিল্প-সংস্কৃতির ওপর হামলা আইন ও মানবাধিকার বিরোধী বলে জানায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র।
গত ১২ নভেম্বর স্থানীয় কয়েকজন চিহ্নিত দুর্বৃত্ত এ হামলা চালায়। ভুক্তভোগী জানান, হামলার আগে একই চক্র তার সন্তানকে অপহরণ করেছিল। তিনি মামলা করলে জামিনে মুক্ত আসামিরা প্রতিশোধ নিতে এই হেনস্তার ঘটনা ঘটায়।
আসক জানায়, এটি স্পষ্টভাবে ‘হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩’ লঙ্ঘন। রিমান্ডে থাকা আসামিকে থানার বাইরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা আইনবিরোধী। আসামির স্ত্রীকে ভয় দেখানো ও হয়রানিও অপরাধের মধ্যে পড়ে।