চরচা ডেস্ক

নেত্রকোনায় পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের ঘটনায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির দুই সদস্যের প্রতিনিধিদল ৫ ও ৬ তারিখে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় নেত্রকোনা সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের বড়গাড়া গ্রাম থেকে আপেল মাহমুদ (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। পরদিন আদালতে তোলার পর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জর হয়। রিমান্ডের সময় তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে।
আপেলের স্ত্রী আফসানা মিমি জানান, তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ফজলুল করিম তার ফোন ব্যবহার করে তাকে থানায় আসতে বলেন। থানায় গেলে তাকে পুলিশ কোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি দেখেন তার স্বামীকে হাত-পা বেঁধে ছাদের রডে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। নির্যাতনের সময় পুলিশ কর্মকর্তা ভয়ভীতি দেখান এবং পরে অর্থ দাবিও করেন বলে অভিযোগ তার।
আসক জানায়, এটি স্পষ্টভাবে ‘হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩’ লঙ্ঘন। রিমান্ডে থাকা আসামিকে থানার বাইরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা আইনবিরোধী। আসামির স্ত্রীকে ভয় দেখানো ও হয়রানিও অপরাধের মধ্যে পড়ে।
ঘটনার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা ফজলুল করিমকে নেত্রকোনা থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে নেওয়া হয়েছে এবং একটি বিভাগীয় তদন্ত চলছে।
আসক দাবি করেছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

নেত্রকোনায় পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের ঘটনায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির দুই সদস্যের প্রতিনিধিদল ৫ ও ৬ তারিখে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় নেত্রকোনা সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের বড়গাড়া গ্রাম থেকে আপেল মাহমুদ (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। পরদিন আদালতে তোলার পর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জর হয়। রিমান্ডের সময় তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে।
আপেলের স্ত্রী আফসানা মিমি জানান, তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ফজলুল করিম তার ফোন ব্যবহার করে তাকে থানায় আসতে বলেন। থানায় গেলে তাকে পুলিশ কোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি দেখেন তার স্বামীকে হাত-পা বেঁধে ছাদের রডে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। নির্যাতনের সময় পুলিশ কর্মকর্তা ভয়ভীতি দেখান এবং পরে অর্থ দাবিও করেন বলে অভিযোগ তার।
আসক জানায়, এটি স্পষ্টভাবে ‘হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩’ লঙ্ঘন। রিমান্ডে থাকা আসামিকে থানার বাইরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা আইনবিরোধী। আসামির স্ত্রীকে ভয় দেখানো ও হয়রানিও অপরাধের মধ্যে পড়ে।
ঘটনার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা ফজলুল করিমকে নেত্রকোনা থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে নেওয়া হয়েছে এবং একটি বিভাগীয় তদন্ত চলছে।
আসক দাবি করেছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।