চরচা ডেস্ক

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে বিএনপি নেতার মৃত্যুতে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আজ মঙ্গলবার পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নিন্দা জানানো হয়।
এমএসএফের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুকে (৪২) ১২ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত একটি ঔষধের দোকান থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৬ এডি রেজিমেন্টের (টিটিসি আর্মি ক্যাম্প) একদল সদস্য তুলে নিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
এমএসএফ বলছে, জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করা হয়েছে। নিহতের পরিবার দাবি করছে যে, সেনাবাহিনী সদস্যরা শামসুজ্জামান ডাবলুকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। তারা হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন, অপরদিকে সেনাবাহিনী জানায়, অস্ত্র উদ্ধার জন্য অভিযানকালে সোমবার রাতে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে শামসুজ্জামান ডাবলুকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এই সময় ভয়ে স্ট্রোকজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন মনে করে, অস্ত্র উদ্ধার অভিযানকালে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আনীত নির্যাতনে মৃত্যুর অভিযোগের বিষয়টি অনাকাঙ্খিত ও অনভিপ্রেত যা মানবাধিকারের চরম লংঘন ও কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। যে কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগের বিষয়টির পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের দাবি রাখে কারণ রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা যে কোনো ব্যক্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আইনি দায়িত্ব।
এমএসএফ উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং এক্ষেত্রে শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যু যে ভাবেই হোক না কেনো সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে অনতিবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠূ তদন্ত নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এই ঘটনাকে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে। রাষ্ট্রীয় হেফাজতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের জন্য নয়, বরং সংবিধান, আইনের শাসন এবং মানবাধিকারের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার ওপর সরাসরি আঘাত।
একই সঙ্গে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) জোর দিয়ে বলতে চায়, আইন প্রয়োগকারী বা নিরাপত্তা বাহিনীর কোনো সদস্যই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে এমন ঘটনা ভবিষ্যতে আরও ঘটার আশঙ্কা থেকে যায়।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) মনে করে, এই ঘটনার স্বচ্ছ, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা জরুরি। পাশাপাশি, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের প্রতি অবিলম্বে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে বিএনপি নেতার মৃত্যুতে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আজ মঙ্গলবার পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নিন্দা জানানো হয়।
এমএসএফের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুকে (৪২) ১২ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত একটি ঔষধের দোকান থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৬ এডি রেজিমেন্টের (টিটিসি আর্মি ক্যাম্প) একদল সদস্য তুলে নিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
এমএসএফ বলছে, জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করা হয়েছে। নিহতের পরিবার দাবি করছে যে, সেনাবাহিনী সদস্যরা শামসুজ্জামান ডাবলুকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। তারা হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন, অপরদিকে সেনাবাহিনী জানায়, অস্ত্র উদ্ধার জন্য অভিযানকালে সোমবার রাতে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে শামসুজ্জামান ডাবলুকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এই সময় ভয়ে স্ট্রোকজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন মনে করে, অস্ত্র উদ্ধার অভিযানকালে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আনীত নির্যাতনে মৃত্যুর অভিযোগের বিষয়টি অনাকাঙ্খিত ও অনভিপ্রেত যা মানবাধিকারের চরম লংঘন ও কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। যে কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগের বিষয়টির পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের দাবি রাখে কারণ রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা যে কোনো ব্যক্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আইনি দায়িত্ব।
এমএসএফ উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং এক্ষেত্রে শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যু যে ভাবেই হোক না কেনো সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে অনতিবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠূ তদন্ত নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এই ঘটনাকে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে। রাষ্ট্রীয় হেফাজতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের জন্য নয়, বরং সংবিধান, আইনের শাসন এবং মানবাধিকারের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার ওপর সরাসরি আঘাত।
একই সঙ্গে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) জোর দিয়ে বলতে চায়, আইন প্রয়োগকারী বা নিরাপত্তা বাহিনীর কোনো সদস্যই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে এমন ঘটনা ভবিষ্যতে আরও ঘটার আশঙ্কা থেকে যায়।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) মনে করে, এই ঘটনার স্বচ্ছ, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা জরুরি। পাশাপাশি, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের প্রতি অবিলম্বে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।