চরচা প্রতিবেদক

নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিয়ের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সালিশের নামে শারীরিক নির্যাতন ও জরিমানা আদায়ের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সংস্থাটি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার আসকের সংবাদ বিবৃতিতে বলা হয়, গত বুধবার হাতিয়া উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মাইক বাজানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রভাবশালীরা বর-কনের পরিবারকে প্রকাশ্যে মারধর করেন।
পরে কোনো ধরনের আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই সালিশ বসিয়ে প্রত্যেককে ১৫টি করে বেত্রাঘাতের শাস্তি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে দুপক্ষের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। টাকা দিতে না পারায় বরপক্ষের অটোরিকশা আটক রাখা হয়, যা সম্পূর্ণ বেআইনি বলে উল্লেখ করেছে আসক।
সংস্থাটি জানিয়েছে, শারীরিক শাস্তি দেওয়ার বা জরিমানা আরোপোর ক্ষমতা কোনো ব্যক্তি, স্থানীয় সালিশকার বা গোষ্ঠীর নেই। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিক আইনের সুরক্ষা, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও অপমানজনক শাস্তি থেকে সুরক্ষার অধিকার রাখে। এই ঘটনায় এসব সাংবিধানিক অধিকার সরাসরি লঙ্ঘিত হয়েছে।
আসক আরও জানায়, দেশের উচ্চ আদালত আগেই স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন–গ্রাম্য সালিশ বা কোনো অ-বিচারিক কাঠামোর দ্বারা শারীরিক শাস্তি বা জরিমানা আইনসম্মত নয়।
সংস্থাটি প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবারকে নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আসক।

নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিয়ের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সালিশের নামে শারীরিক নির্যাতন ও জরিমানা আদায়ের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সংস্থাটি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার আসকের সংবাদ বিবৃতিতে বলা হয়, গত বুধবার হাতিয়া উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মাইক বাজানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রভাবশালীরা বর-কনের পরিবারকে প্রকাশ্যে মারধর করেন।
পরে কোনো ধরনের আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই সালিশ বসিয়ে প্রত্যেককে ১৫টি করে বেত্রাঘাতের শাস্তি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে দুপক্ষের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। টাকা দিতে না পারায় বরপক্ষের অটোরিকশা আটক রাখা হয়, যা সম্পূর্ণ বেআইনি বলে উল্লেখ করেছে আসক।
সংস্থাটি জানিয়েছে, শারীরিক শাস্তি দেওয়ার বা জরিমানা আরোপোর ক্ষমতা কোনো ব্যক্তি, স্থানীয় সালিশকার বা গোষ্ঠীর নেই। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিক আইনের সুরক্ষা, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও অপমানজনক শাস্তি থেকে সুরক্ষার অধিকার রাখে। এই ঘটনায় এসব সাংবিধানিক অধিকার সরাসরি লঙ্ঘিত হয়েছে।
আসক আরও জানায়, দেশের উচ্চ আদালত আগেই স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন–গ্রাম্য সালিশ বা কোনো অ-বিচারিক কাঠামোর দ্বারা শারীরিক শাস্তি বা জরিমানা আইনসম্মত নয়।
সংস্থাটি প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবারকে নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আসক।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।