চরচা ডেস্ক

ময়মনসিংহের কালীবাড়ি রোড এলাকায় এক নারী নৃত্যশিল্পীকে প্রকাশ্যে মারধর, চুল কেটে দেওয়া ও মুখে কালি মাখিয়ে হেনস্তার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
বৃহস্পতিসার এক সংবাদ বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, এই বর্বর হামলা কেবল একজন নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তার ওপর আঘাত নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন।
গত ১২ নভেম্বর স্থানীয় কয়েকজন চিহ্নিত দুর্বৃত্ত এ হামলা চালায়। ভুক্তভোগী জানান, হামলার আগে একই চক্র তার সন্তানকে অপহরণ করেছিল। তিনি মামলা করলে জামিনে মুক্ত আসামিরা প্রতিশোধ নিতে এই হেনস্তার ঘটনা ঘটায়।
আসক জানায়, সংবিধানের ৩৫(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্যাতন ও অমানবিক আচরণ নিষিদ্ধ। এছাড়া দণ্ডবিধির ৩৫৪ ও ৫০৯ ধারায় নারীর শ্লীলতাহানি ও মর্যাদাহানিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র দাবি করেছে, এই ঘটনায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী নারীর নিরাপত্তা, চিকিৎসা, মনোসামাজিক ও আইনি সহায়তা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করার আহ্বান জানায় আসক।

ময়মনসিংহের কালীবাড়ি রোড এলাকায় এক নারী নৃত্যশিল্পীকে প্রকাশ্যে মারধর, চুল কেটে দেওয়া ও মুখে কালি মাখিয়ে হেনস্তার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
বৃহস্পতিসার এক সংবাদ বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, এই বর্বর হামলা কেবল একজন নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তার ওপর আঘাত নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন।
গত ১২ নভেম্বর স্থানীয় কয়েকজন চিহ্নিত দুর্বৃত্ত এ হামলা চালায়। ভুক্তভোগী জানান, হামলার আগে একই চক্র তার সন্তানকে অপহরণ করেছিল। তিনি মামলা করলে জামিনে মুক্ত আসামিরা প্রতিশোধ নিতে এই হেনস্তার ঘটনা ঘটায়।
আসক জানায়, সংবিধানের ৩৫(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্যাতন ও অমানবিক আচরণ নিষিদ্ধ। এছাড়া দণ্ডবিধির ৩৫৪ ও ৫০৯ ধারায় নারীর শ্লীলতাহানি ও মর্যাদাহানিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র দাবি করেছে, এই ঘটনায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী নারীর নিরাপত্তা, চিকিৎসা, মনোসামাজিক ও আইনি সহায়তা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করার আহ্বান জানায় আসক।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।