
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে ভারত যাচ্ছেন মিয়ানমারের সাবেক সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। স্থানীয় সময় আজ শনিবার পাঁচ দিনের সফরে তার ভারত যাওয়ার কথা রয়েছে।

মুম্বাই থেকে চেন্নাই- পুরো ভারতজুড়ে অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়নের বড় মাশুল গুনতে হচ্ছে দেশের সবচেয়ে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের। নিম্ন আয়ের দলিত পরিবারগুলোর অভিযোগ, এলাকায় ডেটা সেন্টার আসার কারণে তাদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে অথবা জমি বিক্রি করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “ঈদুল আজহার আনন্দঘন উপলক্ষে আমাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বন্ধুত্ব ও সদিচ্ছার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক যেন আরও সুদৃঢ় হতে থাকে।”

একটি নতুন রাজনৈতিক দলের আবির্ভূত হওয়ার মতো যথেষ্ট জায়গা এখন রয়েছে। এমনকি যদি সেটি একটি তেলাপোকার রূপ ধারণ করে বা পোশাকে সেজেও আসে।

বিজেপির এই কঠোর অবস্থানের বিপরীতে তাদের নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের শরিক দলগুলো অনেক বেশি সতর্ক এবং বাস্তবসম্মত অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে অন্ধ্র প্রদেশের ক্ষমতাসীন দল টিডিপি বা তেলুগু দেশম পার্টি সরকারের পক্ষ থেকে ককরোচ জনতা পার্টির হ্যান্ডেলটি বন্ধ করে দেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে ভালো চোখে দেখছে না।

ক্রিস স্মিথ ভারতকে একটি চরম ঐতিহাসিক ভুলের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, অতীতে ঠিক এই একই দমনমূলক পথ অবলম্বন করেছিল সোভিয়েত রাশিয়া, কমিউনিস্ট চীন এবং অন্যান্য একনায়কতান্ত্রিক কমিউনিস্ট সরকারগুলো, যারা চার্চ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি জবরদস্তিমূলকভাবে জাতীয়করণ করেছিল।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতবাসীর কাছে যা চান, সাধারণত তা-ই পেয়ে যান। মহামারির সময় তিনি যখন ভারতীয়দের ঘরে থাকা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন, পুরো দেশ তা মেনে চলেছিল।

ভারত কখনো শুষ্ক মৌসুমে তিস্তার উজানের পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করে কোনো চুক্তি করেনি। ফলে ভাটিতে থাকা বাংলাদেশকে প্রতি বছর তার কৃষিভিত্তিক অঞ্চল আরও একটু করে শুকিয়ে যেতে দেখতে হচ্ছে।

আমেরিকা-ইসরায়েল বনাম ইরান যুদ্ধের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও সারের দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় চরম চাপের মুখে ভারতের অর্থনীতি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীকে সোনা কেনা ও বিদেশ ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পাশাপাশি 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম' মডেলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। যুদ্ধের প্রভাবে দে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতের জনগণকে বাড়ি থেকে কাজ করার, আন্তর্জাতিক সফর এড়িয়ে চলার এবং সোনা না কেনার আহ্বান জানিয়েছেন। আমেরিকা-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করেছে।

ডয়চে ভেলের বিশ্লেষণ
সাবেক হাসিনা সরকারের অধীনে বাংলাদেশ ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী শক্তিগুলোকে আংশিক ছাড় দিয়েছিল। যেমন, মাদ্রাসার প্রসার ঘটানো, ইসলামপন্থীদের চাপে পাঠ্যপুস্তক থেকে ধর্মনিরপেক্ষ বিষয়বস্তু সরিয়ে ফেলা এবং শত শত মসজিদ নির্মাণ করা।

ফরেন পলিসির প্রতিবেদন
বিশ্লেষণটি এটিই স্পষ্ট করে যে, ২০২৬ সালের এই মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কেবল একটি রাজনৈতিক পালাবদল নয়, বরং এটি সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়ে নরেন্দ্র মোদি ‘কংগ্রেস মুক্ত’ ভারতের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ২০২৬ সালে এসে মনে হচ্ছে শুধু কংগ্রেস নয়, বিজেপি-বিরোধী মুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন মোদি ও তার রাজনৈতিক সহযোগীরা।

মমতা কি পারবেন আবার সেই আগের মতো রাজপথের লড়াকু নেত্রী হয়ে ফিরে আসতে? নাকি তিনি পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার এক স্মৃতি হয়ে থেকে যাবেন?

মমতা কি পারবেন আবার সেই আগের মতো রাজপথের লড়াকু নেত্রী হয়ে ফিরে আসতে? নাকি তিনি পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার এক স্মৃতি হয়ে থেকে যাবেন?