
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালি-কে ঘিরে বৈশ্বিক উত্তেজনার মধ্যে ইউরোপীয় দেশগুলো একটি নতুন নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে, যা কেবল সামরিক নয়–ভূরাজনৈতিক ভারসাম্যেও বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই পরিকল্পনার সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো, এতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইচ্ছা করেই বাইরে রাখা হতে পা

ইরান যুদ্ধ শেষের পথে, ট্রাম্পের দাবি। এদিকে, শেষের পথে যুদ্ধবিরতিও। ফের বৈঠকে বসছে ইরান-আমেরিকা। আমেরিকান নৌ-বাহিনী হরমুজ থেকে ফেরত পাঠাচ্ছে ইরানসহ বিভিন্ন দেশের জাহাজ। ওদিকে, আমেরিকাকে ছাড়াই হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক করতে ইউরোপের দেশগুলো একটি বড় জোট গঠনের পরিকল্পনা করছে।

সমালোচকেরা বলেন, সামরিক সাফল্যকে কূটনৈতিক চুক্তিতে রূপান্তর করা উচিত ছিল। কিন্তু নেতানিয়াহু জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে চুক্তির ওপর আস্থা রাখেন না। কিছু ক্ষেত্রে এটি যুক্তিসঙ্গতও– লেবানন ও সিরিয়ার সরকার দুর্বল, আর ইরান ও হামাস আদর্শগতভাবে ইসরায়েলের অস্তিত্বই স্বীকার করে না।

ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “হরমুজ প্রণালি এখন খুলছে এবং জাহাজগুলো ফিরে আসছে।”

সমঝোতা ছাড়াই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এখন এই আশঙ্কা বাড়ছে যে, যেকোনো মুহূর্তে আবার সংঘাত শুরু হতে পারে। বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণে।

মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে প্রথমে ইরানের প্রতিনিধি দল এবং পরে আমেরিকার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ। আসলে কী হচ্ছে? এ নিয়ে আলোচনা করেছেন বিবিসি বাংলার সাবেক প্রধান সাবির মুস্তাফা।

যুদ্ধ করা ছাড়া কি ইরানের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই? নিঃসন্দেহে দেশটি আমেরিকার মতো সুপারপাওয়ারকে যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের আর কোনো দেশ তা করতে পারেনি। আর এ জন্যই কি এখন ইরানের পিছু হটার সুযোগ নেই? পরাজয় অথবা ধ্বংস—এই পরিস্থিতি কি ইরানের সামনে হাজির হয়েছে। ট্রাম্প এখন কী করবেন?

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সব ধরনের জাহাজ চলাচল অবরোধের সিদ্ধান্ত ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করেছে এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ভবিষ্যৎ আলোচনার সম্ভাবনাকেও বিপন্ন করতে পারে।

ট্রাম্পের সীমাহীন ক্ষমতার বিশ্বাস কখনোই সংবিধান বা আমেরিকার রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি। দ্বিতীয় মেয়াদের প্রেসিডেন্সির স্বাভাবিক ক্ষয়ও তাকে আরও দুর্বল করতে পারে। একইসঙ্গে ইরান বাইরের দিক থেকে তার শক্তিশালী নেতার ভাবমূর্তিকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।

ইসলামাবাদে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী অবিলম্বে হরমুজ প্রণালি অবরোধ শুরু করবে– যা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলোর একটি। এই নির্দেশ বিস্তৃত: প্রণালিতে ঢোকা বা বের হওয়া যেকোনো জাহাজকে থামিয়ে তল্লাশি করতে হবে মার্কিন

আগামী সপ্তাহে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যদি দ্বিতীয় দফায় সরাসরি আলোচনা হলে সেখানেও মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকতে পারেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর গ্রিনল্যান্ড দখলের নতুন করে উত্থাপিত পরিকল্পনা ন্যাটো জোটের ৭৭ বছরের ইতিহাসে সম্ভবত সবচেয়ে গভীর বিভাজন তৈরি করেছে। ২০২৬ সালের এপ্রিলের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের সম্পর্ক এমন এক ভাঙনের পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে ইউরোপীয়

দেশের অভ্যন্তরেও এই সাফল্য এক বিশেষ গর্বের সঞ্চার করেছে। অনেক পাকিস্তানির কাছে এটি বিশ্ব রাজনীতিতে পাকিস্তানের একটি বিরল ও ইতিবাচক ভূমিকার বহিঃপ্রকাশ।

ইরানের দাবি অনুযায়ী, ওই পাঁচটি দেশ তাদের আকাশসীমা বা ভূমি ব্যবহার করতে দিয়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীকে ইরানে হামলা চালাতে সরাসরি সহায়তা করেছে।

ইরানের দাবি অনুযায়ী, ওই পাঁচটি দেশ তাদের আকাশসীমা বা ভূমি ব্যবহার করতে দিয়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীকে ইরানে হামলা চালাতে সরাসরি সহায়তা করেছে।