চরচা ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর দেশটির শাসনভার পরিচালনায় যে অন্তর্বর্তী কাউন্সিল গঠিত হয়েছে, তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হলেন আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি। ইরানের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই তিন সদস্যের পরিষদ গঠিত হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, এক নজিরবিহীন সংকটের মুখে ইরানের শাসনভার এখন তিন সদস্যের একটি `সাময়িক নেতৃত্ব পরিষদের’ হাতে। এই পরিষদের অন্যতম প্রভাবশালী মুখ হলেন ৬৭ বছর বয়সী ‘কট্টরপন্থি’ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর সাংবিধানিক নিয়ম মেনে এই কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে।
আলিরেজা আরাফি ইরানের শক্তিশালী ‘গার্ডিয়ান কাউন্সিল’ এবং ‘অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস’-এর সদস্য। তিনি ইরানের কওম শহরের জুমার নামাজের খতিব এবং দেশটির ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা সেমিনারিগুলোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তার বাবা মোহাম্মদ ইব্রাহিম আল-আরাফি ছিলেন ইসলামী বিপ্লবের স্থপতি আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ফলে বর্তমান শাসনব্যবস্থার একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে তার দীর্ঘদিনের পদচারণা রয়েছে।
ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিন সদস্যের এই পরিষদ দেশ চালাবে। আরাফি এই পরিষদে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই-র সাথে যুক্ত হয়েছেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর দেশটির শাসনভার পরিচালনায় যে অন্তর্বর্তী কাউন্সিল গঠিত হয়েছে, তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হলেন আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি। ইরানের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই তিন সদস্যের পরিষদ গঠিত হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, এক নজিরবিহীন সংকটের মুখে ইরানের শাসনভার এখন তিন সদস্যের একটি `সাময়িক নেতৃত্ব পরিষদের’ হাতে। এই পরিষদের অন্যতম প্রভাবশালী মুখ হলেন ৬৭ বছর বয়সী ‘কট্টরপন্থি’ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর সাংবিধানিক নিয়ম মেনে এই কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে।
আলিরেজা আরাফি ইরানের শক্তিশালী ‘গার্ডিয়ান কাউন্সিল’ এবং ‘অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস’-এর সদস্য। তিনি ইরানের কওম শহরের জুমার নামাজের খতিব এবং দেশটির ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা সেমিনারিগুলোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তার বাবা মোহাম্মদ ইব্রাহিম আল-আরাফি ছিলেন ইসলামী বিপ্লবের স্থপতি আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ফলে বর্তমান শাসনব্যবস্থার একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে তার দীর্ঘদিনের পদচারণা রয়েছে।
ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিন সদস্যের এই পরিষদ দেশ চালাবে। আরাফি এই পরিষদে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই-র সাথে যুক্ত হয়েছেন।