চরচা ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির হত্যাকাণ্ডের পরে ইরানে পরবর্তী নেতৃত্ব নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বর্তমানে দেশের শাসনকার্য একটি অন্তর্বর্তী কাউন্সিলের অধীনে রয়েছে এবং খুব দ্রুতই নতুন নেতা নির্বাচিত হবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেন, “আমাদের সংবিধানে একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা আছে এবং আমরা ইতিমধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু করেছি। বর্তমানে রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবকিছু আইনশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে।”
ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, একটি উচ্চপর্যায়ের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ গঠন করা হয়েছে। এই পরিষদ নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করবে। এই কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে রয়েছেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান, অভিভাবক পরিষদের একজন সদস্য।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি আশা প্রকাশ করে জানান, উত্তরসূরি নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হবে না। ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস বর্তমানে এই প্রক্রিয়ায় কাজ করছে।
আরাঘচি আরও বলেন, “আমি ধারণা করছি নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি খুব অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে। সম্ভবত আগামী এক বা দুই দিনের মধ্যেই দেশ নতুন সর্বোচ্চ নেতা পাবে।”
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করে আরঘচি জানান, ইরানের আইনি কাঠামো অত্যন্ত শক্তিশালী এবং বর্তমান উত্তরণকাল সম্পূর্ণত সংবিধান মেনেই পরিচালিত হচ্ছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির হত্যাকাণ্ডের পরে ইরানে পরবর্তী নেতৃত্ব নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বর্তমানে দেশের শাসনকার্য একটি অন্তর্বর্তী কাউন্সিলের অধীনে রয়েছে এবং খুব দ্রুতই নতুন নেতা নির্বাচিত হবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেন, “আমাদের সংবিধানে একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা আছে এবং আমরা ইতিমধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু করেছি। বর্তমানে রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবকিছু আইনশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে।”
ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, একটি উচ্চপর্যায়ের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ গঠন করা হয়েছে। এই পরিষদ নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করবে। এই কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে রয়েছেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান, অভিভাবক পরিষদের একজন সদস্য।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি আশা প্রকাশ করে জানান, উত্তরসূরি নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হবে না। ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস বর্তমানে এই প্রক্রিয়ায় কাজ করছে।
আরাঘচি আরও বলেন, “আমি ধারণা করছি নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি খুব অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে। সম্ভবত আগামী এক বা দুই দিনের মধ্যেই দেশ নতুন সর্বোচ্চ নেতা পাবে।”
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করে আরঘচি জানান, ইরানের আইনি কাঠামো অত্যন্ত শক্তিশালী এবং বর্তমান উত্তরণকাল সম্পূর্ণত সংবিধান মেনেই পরিচালিত হচ্ছে।