
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত সহিংসতা, প্রাণহানি এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, রকিকে একটি অবৈধ অস্ত্রের পাশে দাঁড় করিয়ে ছবি তোলা হয়েছে পাশাপাশি তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তার পরিণতি খারাপ হবে। পড়ার সুযোগ না দিয়েই তাকে একটি কাগজে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়েছে।

প্যারোল অনুমোদনের বিষয়টি প্রশাসনিক বিবেচনার আওতায় থাকলেও তা অবশ্যই স্বচ্ছ, ন্যায়সংগত এবং মানবিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে পারিবারের সদস্যদের মৃত্যু বা গুরুতর অসুস্থতার মতো পরিস্থিতিতে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত বলে মনে করে আসক।

আসক জানায়, রাজনৈতিক সহিংসতার পাশাপাশি সংবাদকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিসেম্বর মাসে ১১ জন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছিলেন। যা জানুয়ারি মাসে বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে।

অবিলম্বে এসব অনিয়ম ও সহিংসতার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছে আসক। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের পারস্পরিক সম্মান এবং মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

পরিবারের আবেদন সত্ত্বেও যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তি প্রত্যাখ্যান নাগরিক অধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন বলে মনে করে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। আজ রোববার এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিবৃতি থেকে এই তথ্য জানা যায়।

আসক জানিয়েছে, এই ধরনের গ্রেপ্তার গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য নেতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি করে।

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে বিএনপি নেতার মৃত্যুতে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আজ মঙ্গলবার পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নিন্দা জানানো হয়।

দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি সার্বিকভাবে অস্থির ও উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক)। ২০২৫ সালের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আজ বুধবার আসকের এক পর্যবেক্ষণে এসব তথ্য জানানো হয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা এবং এ ধরনের ঘটনার পেছনে থাকা প্রশাসনিক ব্যর্থতার বিষয়গুলোও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে আহ্বান জানিয়েছে আসক।

এ ধরনের গ্রেপ্তার গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ভয় সৃষ্টি এবং ভিন্নমত দমনের একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে বলে জানিয়েছে আসক।

আসক মনে করে, এই ধরনের মন্তব্য ব্যক্তিগত দায়িত্বহীনতার সীমা ছাড়িয়ে গেছে। যা সমাজে বিভাজন, নারীবিদ্বেষী ও ঘৃণামূলক বক্তব্যকে উসকে দেয়।

আসকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর জানুয়ারি থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ২৮ বাংলাদেশিকে সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ হত্যা করেছে।

আসকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর জানুয়ারি থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ২৮ বাংলাদেশিকে সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ হত্যা করেছে।