
দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি সার্বিকভাবে অস্থির ও উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক)। ২০২৫ সালের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আজ বুধবার আসকের এক পর্যবেক্ষণে এসব তথ্য জানানো হয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা এবং এ ধরনের ঘটনার পেছনে থাকা প্রশাসনিক ব্যর্থতার বিষয়গুলোও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে আহ্বান জানিয়েছে আসক।

এ ধরনের গ্রেপ্তার গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ভয় সৃষ্টি এবং ভিন্নমত দমনের একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে বলে জানিয়েছে আসক।

আসক মনে করে, এই ধরনের মন্তব্য ব্যক্তিগত দায়িত্বহীনতার সীমা ছাড়িয়ে গেছে। যা সমাজে বিভাজন, নারীবিদ্বেষী ও ঘৃণামূলক বক্তব্যকে উসকে দেয়।

আসকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর জানুয়ারি থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ২৮ বাংলাদেশিকে সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ হত্যা করেছে।

আসক আরও জানায়, দেশের উচ্চ আদালত আগেই স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন–গ্রাম্য সালিশ বা কোনো অ-বিচারিক কাঠামোর দ্বারা শারীরিক শাস্তি বা জরিমানা আইনসম্মত নয়।

মতাদর্শিক অবস্থান বা সামাজিক চাপের অজুহাতে শিল্প-সংস্কৃতির ওপর হামলা আইন ও মানবাধিকার বিরোধী বলে জানায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র।

গত ১২ নভেম্বর স্থানীয় কয়েকজন চিহ্নিত দুর্বৃত্ত এ হামলা চালায়। ভুক্তভোগী জানান, হামলার আগে একই চক্র তার সন্তানকে অপহরণ করেছিল। তিনি মামলা করলে জামিনে মুক্ত আসামিরা প্রতিশোধ নিতে এই হেনস্তার ঘটনা ঘটায়।

আসক জানায়, এটি স্পষ্টভাবে ‘হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩’ লঙ্ঘন। রিমান্ডে থাকা আসামিকে থানার বাইরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা আইনবিরোধী। আসামির স্ত্রীকে ভয় দেখানো ও হয়রানিও অপরাধের মধ্যে পড়ে।