Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী দর্শন

শায়রুল কবির খান

শায়রুল কবির খান

প্রকাশ : ৩০ মে ২০২৬, ১৬: ১৮
জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী দর্শন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও তার প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বিএনপি’র কিছু বক্তব্য বা স্লোগান সবসময় এমনভাবে উচ্চারিত হয়, যা যেন প্রতিটি সাম্প্রতিক ইস্যুতেই সমানভাবে প্রযোজ্য। তার প্রতিটি রাজনৈতিক বার্তা ও স্লোগান যেমন সংক্ষিপ্ত, ঠিক তেমনি তা গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ও শক্তিশালী।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তার দর্শনের অন্যতম প্রধান প্রতীক হলো ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’। বক্তব্যের শেষে উচ্চারিত এই স্লোগানটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অন্যতম প্রধান স্লোগানে পরিণত হয়েছে, যা বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত।

একই সঙ্গে ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’ স্লোগানটি বিএনপির দলীয় স্লোগান হলেও তা দেশের নানা মতের ও বয়সের মানুষের মধ্যে এক ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে। এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে দলের নেতা-কর্মীরা দেশের ও দলের প্রতি তাদের চরম অঙ্গীকার প্রকাশ করেন। আর তার নীতি ও নেতৃত্বের প্রতি অকুণ্ঠ চিত্তে গভীর মমত্ববোধ ও সম্মান জানিয়ে বিএনপি এবং তার সমর্থকরা ব্যবহার করেন ‘শহীদ জিয়া অমর হোক’ স্লোগানটি।

শহীদ জিয়ার উন্নয়নমুখী কর্মসূচির সবচেয়ে বড় প্রতীকী স্লোগান ছিল ‘খাল কাটুন-ফসল ফলান’। ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর যশোর শার্শা উপজেলার উলশী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত খাল খনন কার্যক্রম উদ্বোধনের মাধ্যমে তিনি এই স্লোগান দিয়েছিলেন, যা আজও দেশের অর্থনীতিতে অনিবার্য হয়ে আছে। ‘স্বনির্ভর বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে তিনি যে কৃষি বিপ্লব ও গণ-খনন কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন, এটি ছিল তারই বহিঃপ্রকাশ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই কর্মসূচির প্রায় ৫০ বছর পর, তার রক্তের ও নীতির উত্তরাধিকার, বিএনপি চেয়ারম্যান এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

শহীদ জিয়ার বৈশ্বিক ভাবনাও ছিল স্বাতন্ত্র্যে উজ্জ্বল। বিশ্বের কাছে কেবল হাত পাতার নীতি পরিবর্তন করে তিনি জোরালোভাবে বলতেন, ‘সহায়তা নয়-চাই বাণিজ্য’। জনগণের ওপর তার প্রচণ্ড আস্থা ছিল। আর সেই আস্থা থেকেই তিনি উচ্চারণ করতেন, “জনগণই যদি রাজনৈতিক দল হয়-তা হলে আমি সেই দলেই আছি।”

দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য তার ছিল পরিকল্পিত ভাবনা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, বাসস্থান নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে শিশু-কিশোর, যুবক-যুবতী ও প্রবীণ পর্যন্ত সকল নাগরিককে নিয়ে তিনি যেমন পরিকল্পনা করেছিলেন, তেমনি তার বাস্তবায়নও শুরু করে দিয়ে গিয়েছিলেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজZiaur-Rahman

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী যখন পূর্ব পাকিস্তানের ঘুমন্ত নিরীহ মানুষের ওপর বর্বরোচিত আক্রমণ চালায়, সেই খবর পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিক বিদ্রোহ করেন। চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের দেওয়া স্বাধীনতার ঘোষণায় স্পষ্ট উল্লেখ ছিল–“নতুন রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো হবে প্রথমত: নিরপেক্ষতা, দ্বিতীয়ত: শান্তি, তৃতীয়ত: সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও প্রতি শত্রুতা নয়। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।”

জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি তার অঙ্গীকার প্রতিফলিত হতো তার জোরালো পররাষ্ট্রনীতিতে, যেখানে তিনি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছিলেন–“বিদেশে আমাদের বন্ধু আছে–কিন্তু কোনো প্রভু নাই।” গভীর দেশপ্রেম ও বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর থেকে তিনি সবসময় উচ্চারণ করতেন, “আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি অনেক ত্যাগে-অনেক রক্ত দিয়ে, কিন্তু স্বাধীনতা শুধু পতাকা বা মানচিত্রের বিষয় নয়।”

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ছবি: বাসস
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ছবি: বাসস

জিয়ার রাজনৈতিক দর্শনের এক বড় ভিত্তি ছিল মহান স্রষ্টার প্রতি সমর্পণ। তিনি যেভাবে ‘আল্লাহর উপর সম্পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ রেখেছিলেন, তা পরে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রধান মূলনীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এই দর্শনের ওপর ভিত্তি করেই বিকশিত হয়েছে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’। এই জাতীয়তাবাদের মূল কথাই হলো– বাংলাদেশের ভূখণ্ডে বসবাসকারী সব জাতি-গোষ্ঠীর মানুষের সমন্বিত পরিচয় হলো ‘বাংলাদেশি’।

এখানে ধর্ম, ভাষা ও জাতিসত্তার পাশাপাশি দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক ভূখণ্ডকে সবচেয়ে বড় করে দেখা হয়েছে। শহীদ জিয়ার এই সংক্ষিপ্ত অথচ শক্তিশালী কথাগুলোই আজ যেন আমাদের পথ চলার প্রেরণার উৎস।

লেখক: রাজনৈতিক বিশ্লেষক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী

বিষয়: বিএনপিরাষ্ট্রপতিরাজনীতিজিয়াউর রহমানস্বাধীনতা
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া