ম্যাক্স বুট

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আপাতত যুদ্ধ বন্ধ হয়েছে। এই সমঝোতার প্রভাব এখনো স্পষ্ট নয়। উদাহরণস্বরূপ, পরবর্তী আলোচনার অংশ হিসেবে ইরান শেষ পর্যন্ত তার পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর কী ধরনের বিধিনিষেধ মেনে নেবে, কিংবা আদৌ কোনো বিধিনিষেধ মেনে নেবে কি না-তা আমরা জানি না।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে যে বিপুল অর্থনৈতিক সুবিধার প্রস্তাব আগাম দিয়েছেন, তা ইসলামী প্রজাতন্ত্রটির আপস করার প্রণোদনা অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে। তবে একটি বিষয় এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যায়, যুদ্ধের জন্য যে বিপুল মূল্য দিতে হয়েছে, তার তুলনায় এই যুদ্ধ ততটা সফল ছিল না।
প্রথমত, যুদ্ধে প্রচুর প্রাণহানি হয়েছে। যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ সেনা প্রাণ হারিয়েছেন, অন্যদিকে ইরানে তিন হাজার ৩৭৫ জন নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে ইরানের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় ১৭০ জন প্রাণ হারায়। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইসরায়েলে ছয়জনসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে আরও বেশ কিছু প্রাণহানি ঘটে। এই সময়ে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

এরপর আসা যাক অর্থনৈতিক ক্ষতি প্রসঙ্গে। মুডিজ অ্যানালিটিকসের হিসাব অনুযায়ী, এই যুদ্ধ এখন পর্যন্ত মার্কিন ভোক্তা ও করদাতাদের প্রায় ১৩২ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির মুখে ফেলেছে। ক্ষতির পরিমাণ এখনো বাড়ছে। এর সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে। পেট্রলের দাম গড়ে প্রতি গ্যালন ৪ দশমিক ৫৬ ডলারে পৌঁছেছিল, পরে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার সম্ভাবনা দেখা দিলে তা কিছুটা কমে আসে। যুদ্ধের সময় সার বা সারের কাঁচামালের দামও প্রায় ৪৭ শতাংশ বেড়ে যায়, যা পরোক্ষভাবে খাদ্যের মূল্য বাড়ায়।
অন্যদিকে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বব্যাংক চলতি বছরের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে এনেছে, যা কোভিড-১৯ মহামারির পর সর্বনিম্ন স্তর।
সবশেষে আছে যুদ্ধের সামরিক ব্যয়। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের উপমন্ত্রী গত সপ্তাহে কংগ্রেস সদস্যদের জানিয়েছেন যে, যুদ্ধ ও অন্যান্য খরচ মেটাতে বিভাগটি অতিরিক্ত ৮০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ চাইবে। তবে প্রকৃত খরচ এর চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।
এই হিসাবের মধ্যে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ২০টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটির মেরামত ব্যয় ধরা হয়নি। এছাড়া যুদ্ধে হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত ৪২টি মার্কিন সামরিক বিমান মেরামত বা প্রতিস্থাপন করতেও বড় অঙ্কের অর্থ লাগবে।
আরও কঠিন ও ব্যয়বহুল হবে যুদ্ধে ব্যবহৃত উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মজুত পুনর্গঠন করা। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র এক হাজারের বেশি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং দেড় হাজারের বেশি আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। ব্যবহৃত অস্ত্রের মধ্যে ছিল যুদ্ধের আগে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের অর্ধেকেরও বেশি, যা রাশিয়ার হামলা মোকাবিলায় ইউক্রেনের খুব প্রয়োজন।
এসব মজুত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ছয় বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। ফলে এই সময়ে চীন বা রাশিয়ার সঙ্গে বড় কোনো সংঘাতের জন্য যুক্তরাষ্ট্র তুলনামূলকভাবে কম প্রস্তুত থাকবে।
এদিকে, উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। একটি হিসাব অনুযায়ী, উপসাগরীয় দেশগুলোর ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৫৮ বিলিয়ন ডলার। ইরানের ক্ষতি আরও বেশি। কিছু অনুমান বলছে, দেশটি পুনর্গঠনে প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।
তবে এত ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরানের বেশিরভাগ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র অক্ষত রয়েছে। গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার কারণে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি কিছুটা পিছিয়ে গেলেও পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। দেশটি এখনও প্রায় ১১ টন সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও সক্ষমতা ধরে রেখেছে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই সংঘাতের মাধ্যমে ইরান একটি নতুন অর্থনৈতিক অস্ত্রের শক্তি দেখিয়েছে। ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও সমুদ্র-মাইন ব্যবহার করে তারা হরমুজ প্রণালির অধিকাংশ নৌ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিতে সক্ষম হয়েছিল। অথচ এই প্রণালি দিয়েই বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়।
ফলে হরমুজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট তৈরি করে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে তার মূল লক্ষ্যগুলো অর্জন না করেই যুদ্ধ শেষ করতে বাধ্য করে। এসব লক্ষ্যের মধ্যে ছিল ইরানে সরকার পরিবর্তন, দেশটির পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করা এবং হিজবুল্লাহর মতো আঞ্চলিক মিত্রদের প্রতি ইরানের সমর্থন বন্ধ করা।
(লেখাটি কাউন্সিল অন ফরেইন রিলেশনস থেকে নেওয়া)
লেখক: ইতিহাস গবেষক, জনপ্রিয় গ্রন্থের লেখক এবং বৈদেশিক নীতি–বিষয়ক বিশ্লেষক

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আপাতত যুদ্ধ বন্ধ হয়েছে। এই সমঝোতার প্রভাব এখনো স্পষ্ট নয়। উদাহরণস্বরূপ, পরবর্তী আলোচনার অংশ হিসেবে ইরান শেষ পর্যন্ত তার পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর কী ধরনের বিধিনিষেধ মেনে নেবে, কিংবা আদৌ কোনো বিধিনিষেধ মেনে নেবে কি না-তা আমরা জানি না।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে যে বিপুল অর্থনৈতিক সুবিধার প্রস্তাব আগাম দিয়েছেন, তা ইসলামী প্রজাতন্ত্রটির আপস করার প্রণোদনা অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে। তবে একটি বিষয় এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যায়, যুদ্ধের জন্য যে বিপুল মূল্য দিতে হয়েছে, তার তুলনায় এই যুদ্ধ ততটা সফল ছিল না।
প্রথমত, যুদ্ধে প্রচুর প্রাণহানি হয়েছে। যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ সেনা প্রাণ হারিয়েছেন, অন্যদিকে ইরানে তিন হাজার ৩৭৫ জন নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে ইরানের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় ১৭০ জন প্রাণ হারায়। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইসরায়েলে ছয়জনসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে আরও বেশ কিছু প্রাণহানি ঘটে। এই সময়ে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

এরপর আসা যাক অর্থনৈতিক ক্ষতি প্রসঙ্গে। মুডিজ অ্যানালিটিকসের হিসাব অনুযায়ী, এই যুদ্ধ এখন পর্যন্ত মার্কিন ভোক্তা ও করদাতাদের প্রায় ১৩২ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির মুখে ফেলেছে। ক্ষতির পরিমাণ এখনো বাড়ছে। এর সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে। পেট্রলের দাম গড়ে প্রতি গ্যালন ৪ দশমিক ৫৬ ডলারে পৌঁছেছিল, পরে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার সম্ভাবনা দেখা দিলে তা কিছুটা কমে আসে। যুদ্ধের সময় সার বা সারের কাঁচামালের দামও প্রায় ৪৭ শতাংশ বেড়ে যায়, যা পরোক্ষভাবে খাদ্যের মূল্য বাড়ায়।
অন্যদিকে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বব্যাংক চলতি বছরের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে এনেছে, যা কোভিড-১৯ মহামারির পর সর্বনিম্ন স্তর।
সবশেষে আছে যুদ্ধের সামরিক ব্যয়। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের উপমন্ত্রী গত সপ্তাহে কংগ্রেস সদস্যদের জানিয়েছেন যে, যুদ্ধ ও অন্যান্য খরচ মেটাতে বিভাগটি অতিরিক্ত ৮০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ চাইবে। তবে প্রকৃত খরচ এর চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।
এই হিসাবের মধ্যে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ২০টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটির মেরামত ব্যয় ধরা হয়নি। এছাড়া যুদ্ধে হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত ৪২টি মার্কিন সামরিক বিমান মেরামত বা প্রতিস্থাপন করতেও বড় অঙ্কের অর্থ লাগবে।
আরও কঠিন ও ব্যয়বহুল হবে যুদ্ধে ব্যবহৃত উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মজুত পুনর্গঠন করা। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র এক হাজারের বেশি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং দেড় হাজারের বেশি আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। ব্যবহৃত অস্ত্রের মধ্যে ছিল যুদ্ধের আগে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের অর্ধেকেরও বেশি, যা রাশিয়ার হামলা মোকাবিলায় ইউক্রেনের খুব প্রয়োজন।
এসব মজুত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ছয় বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। ফলে এই সময়ে চীন বা রাশিয়ার সঙ্গে বড় কোনো সংঘাতের জন্য যুক্তরাষ্ট্র তুলনামূলকভাবে কম প্রস্তুত থাকবে।
এদিকে, উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। একটি হিসাব অনুযায়ী, উপসাগরীয় দেশগুলোর ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৫৮ বিলিয়ন ডলার। ইরানের ক্ষতি আরও বেশি। কিছু অনুমান বলছে, দেশটি পুনর্গঠনে প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।
তবে এত ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরানের বেশিরভাগ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র অক্ষত রয়েছে। গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার কারণে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি কিছুটা পিছিয়ে গেলেও পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। দেশটি এখনও প্রায় ১১ টন সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও সক্ষমতা ধরে রেখেছে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই সংঘাতের মাধ্যমে ইরান একটি নতুন অর্থনৈতিক অস্ত্রের শক্তি দেখিয়েছে। ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও সমুদ্র-মাইন ব্যবহার করে তারা হরমুজ প্রণালির অধিকাংশ নৌ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিতে সক্ষম হয়েছিল। অথচ এই প্রণালি দিয়েই বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়।
ফলে হরমুজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট তৈরি করে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে তার মূল লক্ষ্যগুলো অর্জন না করেই যুদ্ধ শেষ করতে বাধ্য করে। এসব লক্ষ্যের মধ্যে ছিল ইরানে সরকার পরিবর্তন, দেশটির পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করা এবং হিজবুল্লাহর মতো আঞ্চলিক মিত্রদের প্রতি ইরানের সমর্থন বন্ধ করা।
(লেখাটি কাউন্সিল অন ফরেইন রিলেশনস থেকে নেওয়া)
লেখক: ইতিহাস গবেষক, জনপ্রিয় গ্রন্থের লেখক এবং বৈদেশিক নীতি–বিষয়ক বিশ্লেষক

দেশ দেখল, সম্পূরক বাজেট পাস করার যুক্তিকে একজন সংসদ সদস্য নিজের জন্য জিনিসপত্র চাইলেন। আর তার নেতা যুক্তি দিলেন দলের ওই সংসদ সদস্য সবার জন্য চেয়েছেন। যে ‘লজ্জা’ আরেকজন সংসদ সদস্য পেয়েছেন, জনগণ সেই লজ্জা পেয়েছে কি না, তা জানতে হলে হয়তো সমাজ গবেষণার পদ্ধতি মেনে জরিপ করতে হবে।

মধ্যপ্রাচ্য সত্যিই পরিবর্তিত হয়েছে, কিন্তু নেতানিয়াহু যেভাবে চেয়েছিলেন সেভাবে নয়। ইরানের ওপর এই ব্যর্থ হামলার ফলস্বরূপ গত এক শতাব্দীর এক চতুর্থাংশের মধ্যে ইসরায়েল সম্পর্কের দিক দিয়ে তার সবচেয়ে বড় মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সাথে প্রথম বড় ধরনের কৌশলগত ফাটলের মুখোমুখি হলো।