Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ আগস্ট, ২০২৬
২৮ আগস্ট, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ আগস্ট, ২০২৬
২৮ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

দুই ফরম্যাটেই শীর্ষ তিনে যেতে চাই: নাহিদা

মাজহারুল ইসলাম

মাজহারুল ইসলাম

প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ২০: ৪৮
দুই ফরম্যাটেই শীর্ষ তিনে যেতে চাই: নাহিদা
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি, দুই ফরম্যাটেই বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা তিনে নিজেকে দেখতে চান নাহিদা আক্তার। ছবি: বিসিবি

নাহিদা আক্তার, বাংলাদেশ নারী জাতীয় ক্রিকেট দলের অভিজ্ঞ স্পিনার। অর্থোডক্স বাঁহাতি স্পিনে সাদা বলের ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সময়ে দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় তিনি। আসন্ন নারী এশিয়া কাপ এবং এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে চরচাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি কথা বলেছেন নিজের এবং বাংলাদেশের লক্ষ্যসহ আরও নানা বিষয়ে।

চরচা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক কোনো ম্যাচ না খেলেই যাচ্ছেন এশিয়া কাপ এবং এশিয়ান গেমস খেলতে। প্রস্তুতির ঘাটতি অনুভব করছেন?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নাহিদা আক্তার: না। আমাদের প্রস্তুতি যথেষ্ট ভালো হয়েছে। আন্তর্জাতিক ম্যাচ এর মাঝে না খেললেও আমরা সবাই নিজেদের প্রস্তুত রেখেছি এই দুটি টুর্নামেন্টের জন্য। ক্যাম্প হয়েছে, ব্যক্তিগত ও দলীয় অনুশীলন হয়েছে কোচদের অধীনে।

চরচা: দুটি বড় ইভেন্টের আগে এটা কি আদর্শ প্রস্তুতি?

নাহিদা আক্তার: সব সময় দেশের বাইরে গিয়ে একটা সিরিজ খেললেই যে ভালো ফল আসবে, সেটা কিন্তু না। হ্যাঁ, ম্যাচ খেলতে পারলে ভালো হতো। তবে এই দুই টুর্নামেন্টের কন্ডিশন আমাদের (কন্ডিশনের) অনেকটাই কাছাকাছি, তাই আমাদের প্রস্তুতিটা যথেষ্ট হবে বলেই বিশ্বাস।

চরচা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আপনারা একটা প্রস্তুতি সিরিজ খেলেছিলেন আয়ারল্যান্ডে, যা ইংল্যান্ডের কন্ডিশনের বেশ কাছাকাছি। সেটা বিশ্বকাপে কতটা কাজে দিয়েছিল?

নাহিদা আক্তার: অনেক। আমরা তো এই ধরনের কন্ডিশনে খেলার সুযোগ পাই না। সেই সিরিজটা খেলে আমরা একটা ধারণা পাই যে, কোন ধরনের উইকেটে খেলা হবে আর আমাদের কী করতে হবে।

চরচা: বিশ্বকাপে একটা অঘটন ঘটানোর খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন আপনারা। দক্ষিণ আফ্রিকাকে বাগে পেয়েও হারাতে না পারার আক্ষেপ আছে?

নাহিদা আক্তার: অবশ্যই। বিশ্বকাপের মতো জায়গায় বড় দলকে হারাতে পারলে সেটা তো অনেক বড় অর্জন। আমাদের বোলাররা সেদিন সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে, কিন্তু ভাগ্য আমাদের সঙ্গে ছিল না। তবে সেই ম্যাচটা আমাদের বিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে।

চরচা: সেটা কেমন?

নাহিদা আক্তার: যেমন, আমরা নিজেদের দিনে বিশ্বের যেকোনো দলকেই হারানোর সামর্থ্য রাখি। সেরা ক্রিকেট খেলতে পারলে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও আমরা সমানে সমান লড়তে পারি।

চরচা: অধিনায়ক নিগার বলেছেন, এশিয়া কাপে আপনাদের লক্ষ্য সেমিফাইনাল। ফাইনাল কেন নয়? নাকি আপনারা প্রথম লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন শেষ চার?

নাহিদা আক্তার: আমরা ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে চাই। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা আমাদের প্রথম লক্ষ্য। এরপর দেখা যাক কতটা এগিয়ে যেতে পারি।

চরচা: গ্রুপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা থাকার পরও নিজেদের সেরা হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু দেখছেন?

নাহিদা আক্তার: শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ঘরের মাটিতে আমরা কিছুদিন আগেও সাদা বলের সিরিজ খেলেছি। তাই ওদের ব্যাপারে আমাদের ধারণা আছে। আমরা জয়ের লক্ষ্যেই নামব।

চরচা: ইংল্যান্ডের কন্ডিশন স্পিনারদের জন্য খুব একটা অনুকূল না হলেও আপনি ছিলেন দলের অন্যতম সেরা বোলার। কেমন উপভোগ করেছেন সময়টা?

নাহিদা আক্তার: আমাদের দলে পেসার কম ছিল বলে অনেকেই মনে করেছিল, আমাদের বোলিং হয়তো দুর্বল। কিন্তু বিশ্বকাপে আমাদের স্পিনাররাই সেরা বোলিং করেছে। আমি বোলিংটা খুব উপভোগ করেছি। ২০১৯ বিশ্বকাপে সাকিব ভাইয়াকে (সাকিব আল হাসান) দেখেছিলাম…কীভাবে এই ধরনের কন্ডিশন কাজে লাগাতে হয়। চেষ্টা করেছি তেমন কিছু করতে।

চরচা: সাকিব আল হাসান আপনার প্রিয় বোলার?

নাহিদা আক্তার: হ্যাঁ। আমি তার বোলিং অনেক দেখি। নিজে বাঁহাতি স্পিনার হওয়ায় অনেক কিছুই শেখার মতো পাই। তার বোলিং দেখলেই কিছু না কিছু নতুন আবিষ্কার করি। চাপের মুখে কীভাবে শান্ত থাকা যায়, আবার বল হাতে আগ্রাসী হওয়া যায়, এসব জিনিস সাকিব ভাইয়ার মধ্যে আছে।

চরচা: আর সাকিবের ব্যাটিং? সাকিবও ক্যারিয়ারের শুরুতে আপনার মতো বোলিং অলরাউন্ডার ছিলেন।

নাহিদা আক্তার: সাকিব ভাইয়ার ব্যাটিং তো বিশ্বমাপের, মাশাআল্লাহ। আমি যদি ব্যাট হাতে তার ধারেকাছেও যেতে পারি, সেটাই অনেক বড় অর্জন মনে করব। আমি যখন ব্যাট করি, তখন নিজেকে ব্যাটার হিসেবেই দেখি। চেষ্টা করি অবদান রাখতে। বল হাতে আসল কাজটা করে, ব্যাট হাতেও দলের জন্য অবদান রাখতে পারলে ভালো লাগে।

চরচা: সাকিব বাদে বাঁহাতি স্পিনারদের মধ্যে আর কার বোলিং দেখেন?

নাহিদা আক্তার: রবীন্দ্র জাদেজার বোলিং দেখা হয়। ড্যানিয়েল ভেট্টোরির বোলিং ভালো লাগত। আমি চেষ্টা করি তাদের বোলিং দেখে কিছু না কিছু শেখার জন্য।

চরচা: গত কয়েক বছরে আপনাকে দেখা হয় বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে উন্নতি করা ক্রিকেটারদের একজন হিসেবে। সম্প্রতি প্রথম বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার হিসেবে ১০০ উইকেট পেয়েছেন টি-টোয়েন্টিতে। ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ে আপনি এই মুহূর্তে ১১তম। এটাই কি ক্যারিয়ারের সেরা অর্জন?

নাহিদা আক্তার: এখন পর্যন্ত যদি বলেন, তাহলে এটাই সেরা। কিন্তু আমার স্বপ্ন আরও উন্নতি করা। দুই ফরম্যাটেই বোলিং র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষ তিনে যেতে চাই।

বিষয়:

বাংলাদেশ ক্রিকেটবাংলাদেশ নারী ক্রিকেটনারী ক্রিকেট টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপএশিয়া কাপ
১

নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ‘উদ্যোগ’ আবারও থমকে যাবে না তো?

২

নিখোঁজের দেড় মাস পর জীবিত উদ্ধার কয়রার আয়েশা

৩

নেপালে আবারও ভয়াবহ বন্যার শঙ্কা, কেন

৪

দুই ফরম্যাটেই শীর্ষ তিনে যেতে চাই: নাহিদা

৫

বাংলাদেশে আসছে জে-১০সি-ই যুদ্ধবিমান, ভারত কেন উদ্বিগ্ন?

সম্পর্কিত

সংস্কৃতির মঞ্চে কেন ভয়ের ছায়া?

সংস্কৃতির মঞ্চে কেন ভয়ের ছায়া?

আমরা এমন বাংলাদেশ চাই না, যেখানে শিল্পী মঞ্চে ওঠার আগে ভয় পাবেন। আমরা এমন বাংলাদেশও চাই না, যেখানে ধর্মের নাম করে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সাহস পাবে।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি এত সহজ নয়

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি এত সহজ নয়

মক্কা চুক্তিকে সেই বৃহত্তর রাষ্ট্রীয় স্বার্থের আলোতেই বিচার করা উচিত। তারপরও যদি বাংলাদেশকে এ ধরনের চুক্তিতে যোগদান করতে হয়, তবে জাতীয় নিরাপত্তা, কৌশলগত স্বার্থ ও আঞ্চলিক ভারসাম্য নিশ্চিত করতে ইরান অন্তর্ভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশকে এ ধরনের চুক্তিতে যোগদান থেকে বিরত থাকতে হবে।

কেমন হবে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন

কেমন হবে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনেও সরকারি দলের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকবে না বিরোধী দল গতিমুখ বদলাতে পারবে, সেটা আগে থেকে বলা কঠিন। সংসদীয় কমিটি গঠন নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যকার বিরোধ কীভাবে ও কতদিনে মীমাংসা হবে, সেটাই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হে সরকার, একটু শান্তি যে দরকার!

হে সরকার, একটু শান্তি যে দরকার!

এই দেশে মানুষ মোটা দাগে দুই ধরনের। একটি হলো ‘সাধারণ’, অন্যটি হলো ‘অসাধারণ’। কে সাধারণ বা অসাধারণ এবং কেন, সেই ব্যাখ্যায় যাওয়া হবে শিগগিরই। তবে তার আগে জানানো যাক যে, শিরোনামে যে ‘শান্তি’র খোঁজ করা হয়েছে, তা আদতে এই সাধারণদের হিসাব থেকেই বলা। সাধারণদেরই একটু শান্তি দরকার। সেই প্রয়োজনের কথা আর কাক