
তুরস্কে মাসিক উপবৃত্তিসহ স্নাতকোত্তর পিএইচডির সুযোগ
চলতি বছরের ১৫ মে পর্যন্ত এই স্কলারশিপের আবেদন করা যাবে। আবেদনকারীকে ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় শর্তাবলি মেনে আবেদন করতে হবে।
উচ্চশিক্ষায় অস্ট্রেলিয়া হতে পারে অন্যতম সেরা অপশন। বিশ্বমানের শিক্ষা, উদ্ভাবনী গবেষণাসুযোগ এবং বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির মেলবন্ধন অস্ট্রেলিয়াকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। প্রতিবছর হাজারো শিক্ষার্থী উন্নত ভবিষ্যৎ গড়তে অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নের জন্য দেশটিতে গমন করে। সরকারপ্রদত্ত বিভিন্ন স্কলারশিপ প্রোগ্রাম ও সহায়ক নীতিমালা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পাশাপাশি ক্যারিয়ার গড়ার পথকেও সহজতর করে।
তবে সম্প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ কমিয়ে দিয়েছে দেশটি। তবুও একটি বড় অংশ পড়তে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ায়। বিনা খরচে পড়ার সুযোগ রয়েছে দেশটিতে। বিভিন্ন স্কলারশিপের একটি হলো ‘অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস স্কলারশিপ’।
এই স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বিনা মূল্যে অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৈদেশিক বিষয় ও বাণিজ্য বিভাগে অধ্যয়ন করতে পারবেন।
বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশের শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
প্রতি বছর এই স্কলারশিপ বিশ্বের ৫৫টি দেশের মোট ১ হাজার ৫৫১ জন শিক্ষার্থীকে প্রদান করা হয়। সম্পূর্ণ টিউশন ফি প্রদান করা হবে। অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরে আসার এয়ার টিকিট প্রদান করা হবে। বসবাসের জন্য যাবতীয় খরচ দেবে তারা। অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছানোর পর এস্টাব্লিশমেন্ট ভাতা দেওয়া হবে।
হেলথ ইন্সুরেন্স প্রদান করবে। কোর্স ভেদে ফিল্ডওয়ার্কের সুযোগ-সুবিধাও রয়েছে।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
বয়স ন্যূনতম ১৮ বছর হতে হবে। বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক, অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসকারী অথবা অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসের জন্য ভিসা আবেদন করেছেন, এমন কেউ আবেদন করতে পারবেন না। অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ডের নাগরিকের সঙ্গে বিবাহ/এনগেজড হওয়া যাবে না। মিলিটারি সার্ভিসে কর্মরতরা আবেদন করতে পারবেন না;
আপনি যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করবেন, অবশ্যই তাদের অ্যাডমিশন ক্রাইটেরিয়া পূরণ হতে হবে। আইইএলটিএস স্কোর ন্যূনতম ৬.৫, ইন্টারনেটভিত্তিক টোয়েফল স্কোর ন্যূনতম ৮৪ এবং সব বিষয়ে ন্যূনতম ২১ ও পিটিই একাডেমিক স্কোর ন্যূনতম ৫৮ (যোগাযোগদক্ষতায় ৫০-এর নিচে গ্রহণযোগ্য নয়) স্কোর আবেদনের সঙ্গে জমা দেওয়া আবশ্যক।
নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের থেকে ন্যূনতম ৬ (বা সমতুল্য টোয়েফল বা পিটিই স্কোর) সমেত আইইএলটিএস স্কোর জমা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। তবে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হলে, তাদের প্রাসঙ্গিক অস্ট্রেলিয়ান প্রতিষ্ঠানের ইংরেজি ভাষাদক্ষতা ভর্তির প্রয়োজনে পূরণ করতে হবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
প্রতি বছরের প্রথমদিকে এই আবেদন শুরু হয়। তবে এর আওতায় আরও বেশকিছু স্কলারশিপের তথ্য পেয়ে যাবেন আপনি। সেগুলোতে আবেদনের সময়সীমা ভিন্ন। এ জন্য নিয়মিত ওয়েবসাইটে খোঁজ রাখতে হবে।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।

তুরস্কে মাসিক উপবৃত্তিসহ স্নাতকোত্তর পিএইচডির সুযোগ
চলতি বছরের ১৫ মে পর্যন্ত এই স্কলারশিপের আবেদন করা যাবে। আবেদনকারীকে ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় শর্তাবলি মেনে আবেদন করতে হবে।

আইইএলটিএস ছাড়াই যেসব বিশ্ববিদ্যালয় স্কলারশিপ দেয়
বিদেশে উচ্চশিক্ষা থেকে শুরু করে চাকরির আবেদনে পূর্বশর্ত হিসেবে আইইএলটিএস স্কোরের কথা উল্লেখ করা থাকে। তবে আন্তর্জাতিক ভালো মানের কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে এই পরীক্ষার সনদ ছাড়াও পড়াশোনা করা সম্ভব।

বাংলাদেশসহ চার দেশের শিক্ষার্থী ভিসা যাচাই কঠোর করল অস্ট্রেলিয়ার হোম অ্যাফেয়ার্স
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সরকার দক্ষিণ এশিয়ার চার দেশকে (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান) স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ঝুঁকির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

গুলশানের ওয়েস্টিনে অস্ট্রেলিয়া এডুকেশন এক্সপো অনুষ্ঠিত
জ্যান নামের একজন শিক্ষার্থী বিডিজেনকে বলেন, বর্তমানে আমি নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছি। এখানে বিবিএ শেষ করে অস্ট্রেলিয়াতে এমবিএ করতে চাই। তবে এমবিএ করার ক্ষেত্রে কোন বিশ্ববিদ্যালয় কি ধরনের স্কলারশিপ দিচ্ছে এসব তথ্য জানার জন্য এসেছি।