জাতিসংঘের আশঙ্কা
চরচা ডেস্ক

পারস্য উপসাগরের কৌশলগত হরমুজ প্রণালি দিয়ে সার পরিবহন বন্ধ থাকলে কোটি কোটি মানুষ ক্ষুধা ও অনাহারের মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের একটি টাস্কফোর্সের প্রধান জর্জ মোরেইরা দা সিলভা। সম্ভাব্য মানবিক সংকট ঠেকাতে কর্মরত এই কর্মকর্তা আজ সোমবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় ইরান কয়েক মাস ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি কার্যত নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। এই পথ দিয়ে বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ সার পরিবাহিত হয়, যা বিশ্বজুড়ে কৃষি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাতিসংঘের প্রকল্প পরিষেবা দপ্তরের নির্বাহী পরিচালক ও টাস্কফোর্স প্রধান জর্জ মোরেইরা দা সিলভা বলেন, “আমাদের সামনে কয়েক সপ্তাহ সময় আছে, না হলে একটি বিশাল মানবিক সংকট দেখা দিতে পারে। আমরা এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারি, যেখানে আরও ৪৫ মিলিয়ন (৪ কোটি ৫০ লাখ) মানুষ ক্ষুধা ও অনাহারের ঝুঁকিতে পড়বে।”
বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত প্রধান মনোযোগ ছিল তেল ও গ্যাস বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায় অর্থনৈতিক প্রভাবের দিকে। তবে জাতিসংঘ খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানাচ্ছে। কারণ আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
জাতিসংঘ মহাসচিব মার্চ মাসে এই টাস্কফোর্স গঠন করেন, যার লক্ষ্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে সার ও সংশ্লিষ্ট কাঁচামাল (যেমন: অ্যামোনিয়া, সালফার ও ইউরিয়া) পরিবহনের একটি ব্যবস্থা চালু করা।
মোরেইরা দা সিলভা জানান, তিনি গত কয়েক সপ্তাহে সংঘর্ষে জড়িত পক্ষগুলোকে অন্তত কিছু জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে রাজি করানোর চেষ্টা করছেন এবং ইতোমধ্যে ১০০টির বেশি দেশের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
টাস্কফোর্সের প্রধান বলেন, ক্রমেই বেশি দেশ এই পরিকল্পনাকে সমর্থন জানাচ্ছে, তবে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং সার উৎপাদনকারী গুরুত্বপূর্ণ উপসাগরীয় দেশগুলো এখনো পুরোপুরি এতে সম্মত হয়নি। দীর্ঘমেয়াদে লক্ষ্য হলো ‘স্থায়ী শান্তি’ চুক্তি এবং প্রণালিতে সব পণ্যের জন্য অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা। তবে সমস্যা হলো, কিছু আফ্রিকান দেশে মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মৌসুম শেষ হয়ে যাবে।
“সবচেয়ে বড় অভাব হলো রাজনৈতিক সদিচ্ছা। আমরা দেরি করতে পারি না। এখন জরুরি হলো সার পরিবহন নিশ্চিত করা, যাতে বৈশ্বিক খাদ্য সংকটের ঝুঁকি কমানো যায়।”
বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত প্রধান মনোযোগ ছিল তেল ও গ্যাস বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায় অর্থনৈতিক প্রভাবের দিকে। তবে জাতিসংঘ খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানাচ্ছে। কারণ আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
মোরেইরা দা সিলভা বলেন, জাতিসংঘ সাত দিনের মধ্যে এই ব্যবস্থা চালু করতে পারে। তবে প্রণালি এখনই খুলে গেলেও স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরতে তিন থেকে চার মাস সময় লাগবে।
জাতিসংঘের টাস্কফোর্সের প্রধান বলেন, “এটা শুধু সময়ের ব্যাপার। যদি আমরা সংকটের মূল কারণ দ্রুত না থামাই, তাহলে আমাদের পরিণতি মোকাবিলা করতে হবে মানবিক সহায়তার মাধ্যমে। এখনো খাদ্যদ্রব্যের দাম ব্যাপকভাবে না বাড়লেও সারের দাম ইতোমধ্যে বিপুল বেড়েছে, যা কৃষি উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে এবং খাদ্যের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে।”
প্রতিদিন গড়ে মাত্র পাঁচটি সারবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করলেও সংকট ঠেকানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেন জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা। তার মতে, “সবচেয়ে বড় অভাব হলো রাজনৈতিক সদিচ্ছা। আমরা দেরি করতে পারি না। এখন জরুরি হলো সার পরিবহন নিশ্চিত করা, যাতে বৈশ্বিক খাদ্য সংকটের ঝুঁকি কমানো যায়।”

পারস্য উপসাগরের কৌশলগত হরমুজ প্রণালি দিয়ে সার পরিবহন বন্ধ থাকলে কোটি কোটি মানুষ ক্ষুধা ও অনাহারের মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের একটি টাস্কফোর্সের প্রধান জর্জ মোরেইরা দা সিলভা। সম্ভাব্য মানবিক সংকট ঠেকাতে কর্মরত এই কর্মকর্তা আজ সোমবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় ইরান কয়েক মাস ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি কার্যত নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। এই পথ দিয়ে বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ সার পরিবাহিত হয়, যা বিশ্বজুড়ে কৃষি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাতিসংঘের প্রকল্প পরিষেবা দপ্তরের নির্বাহী পরিচালক ও টাস্কফোর্স প্রধান জর্জ মোরেইরা দা সিলভা বলেন, “আমাদের সামনে কয়েক সপ্তাহ সময় আছে, না হলে একটি বিশাল মানবিক সংকট দেখা দিতে পারে। আমরা এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারি, যেখানে আরও ৪৫ মিলিয়ন (৪ কোটি ৫০ লাখ) মানুষ ক্ষুধা ও অনাহারের ঝুঁকিতে পড়বে।”
বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত প্রধান মনোযোগ ছিল তেল ও গ্যাস বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায় অর্থনৈতিক প্রভাবের দিকে। তবে জাতিসংঘ খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানাচ্ছে। কারণ আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
জাতিসংঘ মহাসচিব মার্চ মাসে এই টাস্কফোর্স গঠন করেন, যার লক্ষ্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে সার ও সংশ্লিষ্ট কাঁচামাল (যেমন: অ্যামোনিয়া, সালফার ও ইউরিয়া) পরিবহনের একটি ব্যবস্থা চালু করা।
মোরেইরা দা সিলভা জানান, তিনি গত কয়েক সপ্তাহে সংঘর্ষে জড়িত পক্ষগুলোকে অন্তত কিছু জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে রাজি করানোর চেষ্টা করছেন এবং ইতোমধ্যে ১০০টির বেশি দেশের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
টাস্কফোর্সের প্রধান বলেন, ক্রমেই বেশি দেশ এই পরিকল্পনাকে সমর্থন জানাচ্ছে, তবে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং সার উৎপাদনকারী গুরুত্বপূর্ণ উপসাগরীয় দেশগুলো এখনো পুরোপুরি এতে সম্মত হয়নি। দীর্ঘমেয়াদে লক্ষ্য হলো ‘স্থায়ী শান্তি’ চুক্তি এবং প্রণালিতে সব পণ্যের জন্য অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা। তবে সমস্যা হলো, কিছু আফ্রিকান দেশে মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মৌসুম শেষ হয়ে যাবে।
“সবচেয়ে বড় অভাব হলো রাজনৈতিক সদিচ্ছা। আমরা দেরি করতে পারি না। এখন জরুরি হলো সার পরিবহন নিশ্চিত করা, যাতে বৈশ্বিক খাদ্য সংকটের ঝুঁকি কমানো যায়।”
বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত প্রধান মনোযোগ ছিল তেল ও গ্যাস বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায় অর্থনৈতিক প্রভাবের দিকে। তবে জাতিসংঘ খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানাচ্ছে। কারণ আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
মোরেইরা দা সিলভা বলেন, জাতিসংঘ সাত দিনের মধ্যে এই ব্যবস্থা চালু করতে পারে। তবে প্রণালি এখনই খুলে গেলেও স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরতে তিন থেকে চার মাস সময় লাগবে।
জাতিসংঘের টাস্কফোর্সের প্রধান বলেন, “এটা শুধু সময়ের ব্যাপার। যদি আমরা সংকটের মূল কারণ দ্রুত না থামাই, তাহলে আমাদের পরিণতি মোকাবিলা করতে হবে মানবিক সহায়তার মাধ্যমে। এখনো খাদ্যদ্রব্যের দাম ব্যাপকভাবে না বাড়লেও সারের দাম ইতোমধ্যে বিপুল বেড়েছে, যা কৃষি উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে এবং খাদ্যের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে।”
প্রতিদিন গড়ে মাত্র পাঁচটি সারবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করলেও সংকট ঠেকানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেন জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা। তার মতে, “সবচেয়ে বড় অভাব হলো রাজনৈতিক সদিচ্ছা। আমরা দেরি করতে পারি না। এখন জরুরি হলো সার পরিবহন নিশ্চিত করা, যাতে বৈশ্বিক খাদ্য সংকটের ঝুঁকি কমানো যায়।”