চরচা ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আল্টিমেটাম দেওয়ার পর এশিয়া প্যাসিফিকের শেয়ারবাজারগুলোতে বড় ধরনের ধস নেমেছে।
আজ সোমবার সকালের লেনদেনে জাপানের প্রধান সূচক নিক্কেই ২২৫-এ ৪ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি-তে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ পতন হয়েছে। হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক কমেছে প্রায় ২ শতাংশ। এছাড়া, অস্ট্রেলিয়ার এএসএক্স ২০০ প্রায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ এবং নিউজিল্যান্ডের এনজেডএক্স ৫০ প্রায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে।
ওয়াল স্ট্রিটের ফিউচার সূচকেও (যা নিয়মিত সময়ের বাইরে লেনদেন হয়) মাঝারি পতন দেখা গেছে, এসঅ্যান্ডপি ৫০০ এবং নাসডাক কম্পোজিট প্রায় ০ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৪ ডলার ছাড়িয়ে যায়। যদিও গ্রিনিচ মান সময় রাত ২টায় ১১২ ডলারে নেমে আসে দাম।
গত ২২ মার্চ ট্রাম্প হুমকি দেন, তেহরান যদি হরমুজ প্রণালির অবরোধ তুলে না নেয়, তবে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।
এর জবাবে তেহরানও পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেছে, ট্রাম্প যদি তার কথা বাস্তবায়ন করেন, তবে তারা এই জলপথটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেবে এবং পুরো অঞ্চলের জ্বালানি ও পানি অবকাঠামোতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাবে।
ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া ট্রাম্পের বার্তায় আল্টিমেটামের সময়সীমা সোমবার গ্রিনিচ মান সময় রাত ১১টা ৪৪ মিনিটে শেষ হওয়ার কথা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের এই যুদ্ধ এক মাসের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এর শেষ কোথায় তা এখনও অস্পষ্ট। এর মধ্যে ট্রাম্পের এই হুমকি বিশ্বব্যাপী এক ভয়াবহ জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের পর থেকে তেলের দাম ইতোমধ্যেই ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, হরমুজ প্রণালিটি বন্ধ থাকলে জ্বালানির দাম আরও মারাত্মকভাবে বেড়ে যাবে। কিছু পর্যবেক্ষকের মতে, তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ থেকে এমনকি ২০০ ডলারেও পৌঁছাতে পারে।

হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আল্টিমেটাম দেওয়ার পর এশিয়া প্যাসিফিকের শেয়ারবাজারগুলোতে বড় ধরনের ধস নেমেছে।
আজ সোমবার সকালের লেনদেনে জাপানের প্রধান সূচক নিক্কেই ২২৫-এ ৪ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি-তে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ পতন হয়েছে। হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক কমেছে প্রায় ২ শতাংশ। এছাড়া, অস্ট্রেলিয়ার এএসএক্স ২০০ প্রায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ এবং নিউজিল্যান্ডের এনজেডএক্স ৫০ প্রায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে।
ওয়াল স্ট্রিটের ফিউচার সূচকেও (যা নিয়মিত সময়ের বাইরে লেনদেন হয়) মাঝারি পতন দেখা গেছে, এসঅ্যান্ডপি ৫০০ এবং নাসডাক কম্পোজিট প্রায় ০ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৪ ডলার ছাড়িয়ে যায়। যদিও গ্রিনিচ মান সময় রাত ২টায় ১১২ ডলারে নেমে আসে দাম।
গত ২২ মার্চ ট্রাম্প হুমকি দেন, তেহরান যদি হরমুজ প্রণালির অবরোধ তুলে না নেয়, তবে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।
এর জবাবে তেহরানও পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেছে, ট্রাম্প যদি তার কথা বাস্তবায়ন করেন, তবে তারা এই জলপথটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেবে এবং পুরো অঞ্চলের জ্বালানি ও পানি অবকাঠামোতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাবে।
ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া ট্রাম্পের বার্তায় আল্টিমেটামের সময়সীমা সোমবার গ্রিনিচ মান সময় রাত ১১টা ৪৪ মিনিটে শেষ হওয়ার কথা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের এই যুদ্ধ এক মাসের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এর শেষ কোথায় তা এখনও অস্পষ্ট। এর মধ্যে ট্রাম্পের এই হুমকি বিশ্বব্যাপী এক ভয়াবহ জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের পর থেকে তেলের দাম ইতোমধ্যেই ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, হরমুজ প্রণালিটি বন্ধ থাকলে জ্বালানির দাম আরও মারাত্মকভাবে বেড়ে যাবে। কিছু পর্যবেক্ষকের মতে, তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ থেকে এমনকি ২০০ ডলারেও পৌঁছাতে পারে।