চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির ব্যাপারে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। এই আভাসের মধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন ঘটেছে। আজ সোমবার তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫ ডলারের বেশি কমেছে। এর মধ্য দিয়ে গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে দাম।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, হরমুজ প্রণালির অবরোধের মতো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে এখনো মতবিরোধ রয়েছে। তবে এর মধ্যেই চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তাপ কিছুটা প্রশমিত হওয়ার আশায় তেলের এই দরপতন দেখল বিশ্ববাজার।
সোমবার লেনদেনের একপর্যায়ে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রধান সূচক ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারস ব্যারেল প্রতি ৫.০৯ ডলার বা ৪.৯ শতাংশ কমে ৯৮.৪৫ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ফিউচারস ব্যারেলপ্রতি ৫.২২ ডলার বা ৫.৪ শতাংশ কমে বিক্রি হয় ৯১.৩৮ ডলারে। তেলের এই দুই ধরনের দামই গত ৭ মের পর সর্বনিম্ন।
এর আগে গত শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তির বিষয়ে মূলত একটি বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে। এই চুক্তি সফল হলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে, যা বর্তমান সংঘাত শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনে ব্যবহৃত হতো। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, নানা ঝুঁকি ও শর্তের পরেও এই অগ্রগতি তেলের বাজারে একটি সাময়িক স্বস্তি এনে দিয়েছে।
তবে চুক্তির আভাস মিললেও কিছু জটিল বিষয়ে এখনো দুই পক্ষের মধ্যে অমিল রয়েছে। গতকাল রোববার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন, তিনি তার প্রতিনিধিদের এই চুক্তি নিয়ে তাড়াহুড়ো না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে বাজার বিশ্লেষকরা এখনই অতিরিক্ত আশাবাদী হতে রাজি নন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির ব্যাপারে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। এই আভাসের মধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন ঘটেছে। আজ সোমবার তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫ ডলারের বেশি কমেছে। এর মধ্য দিয়ে গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে দাম।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, হরমুজ প্রণালির অবরোধের মতো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে এখনো মতবিরোধ রয়েছে। তবে এর মধ্যেই চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তাপ কিছুটা প্রশমিত হওয়ার আশায় তেলের এই দরপতন দেখল বিশ্ববাজার।
সোমবার লেনদেনের একপর্যায়ে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রধান সূচক ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারস ব্যারেল প্রতি ৫.০৯ ডলার বা ৪.৯ শতাংশ কমে ৯৮.৪৫ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ফিউচারস ব্যারেলপ্রতি ৫.২২ ডলার বা ৫.৪ শতাংশ কমে বিক্রি হয় ৯১.৩৮ ডলারে। তেলের এই দুই ধরনের দামই গত ৭ মের পর সর্বনিম্ন।
এর আগে গত শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তির বিষয়ে মূলত একটি বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে। এই চুক্তি সফল হলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে, যা বর্তমান সংঘাত শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনে ব্যবহৃত হতো। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, নানা ঝুঁকি ও শর্তের পরেও এই অগ্রগতি তেলের বাজারে একটি সাময়িক স্বস্তি এনে দিয়েছে।
তবে চুক্তির আভাস মিললেও কিছু জটিল বিষয়ে এখনো দুই পক্ষের মধ্যে অমিল রয়েছে। গতকাল রোববার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন, তিনি তার প্রতিনিধিদের এই চুক্তি নিয়ে তাড়াহুড়ো না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে বাজার বিশ্লেষকরা এখনই অতিরিক্ত আশাবাদী হতে রাজি নন।