চরচা ডেস্ক

এক ম্যাচ আগেই প্রায় দুইশ রান তাড়া করে জেতার চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ ম্যাচে এসে সেই পুরনো চেহারায় হাজির ব্যাটসম্যানরা। ধুমধাড়াক্কা ক্রিকেটের মঞ্চে তারা গোটা ইনিংসে যেভাবে ব্যাট করলেন, তাতে কোন ফরম্যাটে খেলা হচ্ছে–তা নিয়েই মনে জাগবে প্রশ্ন। ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় করলেন দলীয় স্কোরের অর্ধেকের বেশি রান।
চট্টগ্রামে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ২০ ওভারে বাংলাদেশ করেছে ৮ উইকেটে মাত্র ১০৯ রান।
ধবলধোলাই এড়ানোর ম্যাচে নুরুল হাসান, শরীফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদকে নিয়ে একাদশ সাজায় বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে শুরুতেই লাগে মড়ক। তানজিদ হাসান (৫) হন রানআউট। আর দৃষ্টিকটু ব্যাটিংয়ে ডট বল খেলে চাপ বাড়িয়ে ৯ বলে ১ রানে ফেরেন আরেক ওপেনার সাইফ হাসান।
তিনে প্রমোশন পেয়ে মারকুটে ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত পারভেজ হোসেনও রান বের করতে হিমশিম খান। ভীষণ আড়ষ্ট থেকে ক্রিজে ছটফট করেছেন পুরোটা সময়। দলকে চাপে ফেলে নাথান এলিসের বলে ক্যাচ দেওয়ার আগে ১৩ বল খেলে করেন মোটে ১ রান!
মিডল অর্ডারে নুরুল (৬) ও শামীম হোসেন (০) বিপদ বাড়ান আরও। ১৩ ওভারে ৬৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে কার্যত সেখানেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ।
একপ্রান্ত আগলে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত ব্যাট করে একাই লড়ে যান তাওহীদ। ৩০ বলে ৩০ রান থেকে শেষের দিকে কিছু বড় শট খেলে পূর্ণ করেন এই ফরম্যাটে নিজের সপ্তম ফিফটি। যদিও শেষ ওভারে পাঁচ বলে মাত্র এক রান বের করতে পারেন তিনি। অপরাজিত থাকেন ৬১ রানে।

এক ম্যাচ আগেই প্রায় দুইশ রান তাড়া করে জেতার চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ ম্যাচে এসে সেই পুরনো চেহারায় হাজির ব্যাটসম্যানরা। ধুমধাড়াক্কা ক্রিকেটের মঞ্চে তারা গোটা ইনিংসে যেভাবে ব্যাট করলেন, তাতে কোন ফরম্যাটে খেলা হচ্ছে–তা নিয়েই মনে জাগবে প্রশ্ন। ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় করলেন দলীয় স্কোরের অর্ধেকের বেশি রান।
চট্টগ্রামে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ২০ ওভারে বাংলাদেশ করেছে ৮ উইকেটে মাত্র ১০৯ রান।
ধবলধোলাই এড়ানোর ম্যাচে নুরুল হাসান, শরীফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদকে নিয়ে একাদশ সাজায় বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে শুরুতেই লাগে মড়ক। তানজিদ হাসান (৫) হন রানআউট। আর দৃষ্টিকটু ব্যাটিংয়ে ডট বল খেলে চাপ বাড়িয়ে ৯ বলে ১ রানে ফেরেন আরেক ওপেনার সাইফ হাসান।
তিনে প্রমোশন পেয়ে মারকুটে ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত পারভেজ হোসেনও রান বের করতে হিমশিম খান। ভীষণ আড়ষ্ট থেকে ক্রিজে ছটফট করেছেন পুরোটা সময়। দলকে চাপে ফেলে নাথান এলিসের বলে ক্যাচ দেওয়ার আগে ১৩ বল খেলে করেন মোটে ১ রান!
মিডল অর্ডারে নুরুল (৬) ও শামীম হোসেন (০) বিপদ বাড়ান আরও। ১৩ ওভারে ৬৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে কার্যত সেখানেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ।
একপ্রান্ত আগলে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত ব্যাট করে একাই লড়ে যান তাওহীদ। ৩০ বলে ৩০ রান থেকে শেষের দিকে কিছু বড় শট খেলে পূর্ণ করেন এই ফরম্যাটে নিজের সপ্তম ফিফটি। যদিও শেষ ওভারে পাঁচ বলে মাত্র এক রান বের করতে পারেন তিনি। অপরাজিত থাকেন ৬১ রানে।