মেরিনা মিতু

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম বিদেশ সফর কোন দেশ দিয়ে শুরু করবেন, এ নিয়ে কূটনৈতিক মহলে জল্পনা-কল্পনা বাড়ছে। ভারত নিয়ে নানামুখী বিতর্কের মধ্যে আলোচনায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার ছোট দেশ ভুটান।
তবে কৌশলগত কারণেই বিতর্ক-সমালোচনা এড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে সফর নিয়ে এখনো স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রী সার্কভুক্ত দেশ দিয়েই সফর শুরু করতে পারেন। সেই তালিকায় ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিক কারণে ভুটানের নামই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেওয়া দেশও ছিল ভুটান, যা দুই দেশের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে এখন পর্যন্ত ভুটানকে কেন্দ্র করেই প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা এখনো দেওয়া হয়নি বলে তারা উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন চরচাকে বলেন, “সফর নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।”
ভুটান কেন গুরুত্বপূর্ণ
কূটনীতিকদের মতে, প্রথম সফরের ক্ষেত্রে প্রতীকী বার্তা গুরুত্বপূর্ণ হয়। ভুটানকে বেছে নিলে তা আঞ্চলিক সহযোগিতা, বিশেষ করে সার্কের প্রতি অঙ্গীকারের বার্তা দিতে পারে। একইসঙ্গে ছোট প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের কৌশল হিসেবেও একে বিবেচনা করা হতে পারে।
একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে চরচাকে বলেন, “আলোচনার যে ধারা চলছে, তাতে মনে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী ভুটান দিয়েই সফর শুরু করতে পারেন। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সার্কভুক্ত দেশ সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে।”
নতুন সরকারের প্রথম বিদেশ সফর কেবল কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি সরকারের পররাষ্ট্রনীতির দিকনির্দেশনারও ইঙ্গিত দেয়। ভুটান দিয়ে সফর শুরু হলে তা আঞ্চলিক সংহতি ও প্রতিবেশী কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা বহন করতে পারে বলেও মনে করেন এই কর্মকর্তা।
ভারত সফর নিয়ে গুঞ্জন ও বিতর্ক
অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী প্রথম সফর হিসেবে ভারতকে বেছে নিতে পারেন–এমন আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্কও দেখা যায়।
তবে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব সুজন মাহমুদ ফেসবুকে এক পোস্টে এসব তথ্যকে ‘গুজব’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি এবং বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে কাজ চলছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ভারত সরকারের আমন্ত্রণ থাকলেও সফরের সময় ও ক্রম নির্ধারণ পুরোপুরি নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর। ভুটান সফরের পর স্বল্প সময়ের জন্য ভারত সফরের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
তবে সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের ভারত সফরের কারণে দেশটিতে প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে গুঞ্জন তৈরি হয়। সাধারণত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ ধরনের সফরে শীর্ষপর্যায়ের সফরের সূচি নির্ধারিত হয়। তবে এবারও কি তাই হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক কর্মকর্তা চরচাকে বলেন, “সাধারণত তাই হয়। তবে ইতিমধ্যে ভারত সফর হতে পারে–এমন তথ্য ছড়িয়ে যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল, সেজন্যই কৌশলগত কারণে এটা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। এই সূচি নির্ধারণ পেছানো হয়েছে।”
ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানানো হবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, “এমন কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত এখনো অবধি নেওয়া হয়নি।”
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর সম্পর্কে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম চরচাকে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর কেবল একটি আনুষ্ঠানিক সফর নয়, এটি আমাদের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার ও কৌশলগত দিকনির্দেশনার প্রতিফলন। আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। আঞ্চলিক সম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থ এবং দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক লক্ষ্যকে সামনে রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যথাসময়ে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।”
বহুমুখী কূটনৈতিক তৎপরতা
এদিকে চীন, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকেও প্রধানমন্ত্রীকে সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। একই সময়ে বিএনপির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল শিগগিরই চীন সফরে যাচ্ছে। দলটির নেতৃত্বে থাকছেন দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে আবদুল মঈন খানের নেতৃত্বে ২২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল চীন সফর করে। একই বছরের ২১ জুন দলটির আরেকটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল আবারও চীন সফর করে, যেখানে নেতৃত্বে ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
অন্যদিকে, আগামী ১৩ থেকে ১৮ এপ্রিল ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠেয় এক আন্তর্জাতিক বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দলের।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, বৈঠক শেষে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর আরেকটি মিশন ঢাকায় আসতে পারে। সেই মিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ঋণের কিস্তি ছাড়ের বিষয়টি সংস্থাটির পরিচালনা পর্ষদে তোলা হবে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জুনের বৈঠকে বিষয়টি উপস্থাপনের অনুরোধ জানানো হলেও আইএমএফ কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, তা জুলাইয়েও গড়াতে পারে।

এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান তিন দিনের শুভেচ্ছা সফরে নয়াদিল্লি গেছেন। সফরকালে তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। এ ছাড়া তিনি ভারত সরকারের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধির সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।
মূলত ১১ ও ১২ এপ্রিল মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সে যোগ দেওয়ার আগে নয়াদিল্লি সফরে গিয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর এটি বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম দিল্লি সফর।

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম বিদেশ সফর কোন দেশ দিয়ে শুরু করবেন, এ নিয়ে কূটনৈতিক মহলে জল্পনা-কল্পনা বাড়ছে। ভারত নিয়ে নানামুখী বিতর্কের মধ্যে আলোচনায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার ছোট দেশ ভুটান।
তবে কৌশলগত কারণেই বিতর্ক-সমালোচনা এড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে সফর নিয়ে এখনো স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রী সার্কভুক্ত দেশ দিয়েই সফর শুরু করতে পারেন। সেই তালিকায় ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিক কারণে ভুটানের নামই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেওয়া দেশও ছিল ভুটান, যা দুই দেশের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে এখন পর্যন্ত ভুটানকে কেন্দ্র করেই প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা এখনো দেওয়া হয়নি বলে তারা উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন চরচাকে বলেন, “সফর নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।”
ভুটান কেন গুরুত্বপূর্ণ
কূটনীতিকদের মতে, প্রথম সফরের ক্ষেত্রে প্রতীকী বার্তা গুরুত্বপূর্ণ হয়। ভুটানকে বেছে নিলে তা আঞ্চলিক সহযোগিতা, বিশেষ করে সার্কের প্রতি অঙ্গীকারের বার্তা দিতে পারে। একইসঙ্গে ছোট প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের কৌশল হিসেবেও একে বিবেচনা করা হতে পারে।
একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে চরচাকে বলেন, “আলোচনার যে ধারা চলছে, তাতে মনে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী ভুটান দিয়েই সফর শুরু করতে পারেন। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সার্কভুক্ত দেশ সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে।”
নতুন সরকারের প্রথম বিদেশ সফর কেবল কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি সরকারের পররাষ্ট্রনীতির দিকনির্দেশনারও ইঙ্গিত দেয়। ভুটান দিয়ে সফর শুরু হলে তা আঞ্চলিক সংহতি ও প্রতিবেশী কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা বহন করতে পারে বলেও মনে করেন এই কর্মকর্তা।
ভারত সফর নিয়ে গুঞ্জন ও বিতর্ক
অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী প্রথম সফর হিসেবে ভারতকে বেছে নিতে পারেন–এমন আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্কও দেখা যায়।
তবে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব সুজন মাহমুদ ফেসবুকে এক পোস্টে এসব তথ্যকে ‘গুজব’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি এবং বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে কাজ চলছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ভারত সরকারের আমন্ত্রণ থাকলেও সফরের সময় ও ক্রম নির্ধারণ পুরোপুরি নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর। ভুটান সফরের পর স্বল্প সময়ের জন্য ভারত সফরের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
তবে সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের ভারত সফরের কারণে দেশটিতে প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে গুঞ্জন তৈরি হয়। সাধারণত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ ধরনের সফরে শীর্ষপর্যায়ের সফরের সূচি নির্ধারিত হয়। তবে এবারও কি তাই হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক কর্মকর্তা চরচাকে বলেন, “সাধারণত তাই হয়। তবে ইতিমধ্যে ভারত সফর হতে পারে–এমন তথ্য ছড়িয়ে যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল, সেজন্যই কৌশলগত কারণে এটা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। এই সূচি নির্ধারণ পেছানো হয়েছে।”
ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানানো হবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, “এমন কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত এখনো অবধি নেওয়া হয়নি।”
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর সম্পর্কে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম চরচাকে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর কেবল একটি আনুষ্ঠানিক সফর নয়, এটি আমাদের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার ও কৌশলগত দিকনির্দেশনার প্রতিফলন। আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। আঞ্চলিক সম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থ এবং দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক লক্ষ্যকে সামনে রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যথাসময়ে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।”
বহুমুখী কূটনৈতিক তৎপরতা
এদিকে চীন, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকেও প্রধানমন্ত্রীকে সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। একই সময়ে বিএনপির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল শিগগিরই চীন সফরে যাচ্ছে। দলটির নেতৃত্বে থাকছেন দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে আবদুল মঈন খানের নেতৃত্বে ২২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল চীন সফর করে। একই বছরের ২১ জুন দলটির আরেকটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল আবারও চীন সফর করে, যেখানে নেতৃত্বে ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
অন্যদিকে, আগামী ১৩ থেকে ১৮ এপ্রিল ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠেয় এক আন্তর্জাতিক বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দলের।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, বৈঠক শেষে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর আরেকটি মিশন ঢাকায় আসতে পারে। সেই মিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ঋণের কিস্তি ছাড়ের বিষয়টি সংস্থাটির পরিচালনা পর্ষদে তোলা হবে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জুনের বৈঠকে বিষয়টি উপস্থাপনের অনুরোধ জানানো হলেও আইএমএফ কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, তা জুলাইয়েও গড়াতে পারে।

এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান তিন দিনের শুভেচ্ছা সফরে নয়াদিল্লি গেছেন। সফরকালে তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। এ ছাড়া তিনি ভারত সরকারের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধির সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।
মূলত ১১ ও ১২ এপ্রিল মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সে যোগ দেওয়ার আগে নয়াদিল্লি সফরে গিয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর এটি বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম দিল্লি সফর।