
একদিকে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন, অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কেও নতুন অগ্রগতির ইঙ্গিত। প্রশ্ন উঠছে—বাংলাদেশ কি সত্যিই ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি অনুসরণ করছে?

একই সঙ্গে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্নির্মাণও জরুরি। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে সমতার ভিত্তিতে অনুগ্রহের নয়, অংশীদারত্বের। ভারতকেও বুঝতে হবে: বাংলাদেশ কোনো বাফার স্টেট নয়, এটি একটি গর্বিত জাতি যার নিজস্ব কৌশলগত স্বার্থ আছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মালয়েশিয়া হয়ে চীন, এটিই তার প্রথম সফর। এই সফর দেশে, বিদেশে ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নানা আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সেই আলোচনার ঊর্ধ্বে যে প্রশ্ন উঠছে, তা হলো, এই সফর থেকে বাংলাদেশ কী পেল? কতটা সফল এই সফর?

ভিডিওটি প্রকাশের পর সেটি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা তৈরি হয়। কূটনৈতিক অঙ্গনও এটিকে কেবল একটি গান হিসেবে দেখেননি; বরং প্রশ্ন তুলেছে–বাংলাদেশ কি নতুন এক পররাষ্ট্রনীতির বার্তা দিচ্ছে?

বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানিয়েছে, বেইজিং সফরের সময় তারেক রহমান বৃহস্পতি ও শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন। এছাড়া তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং চীনা কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

সরকার গঠনের পর এই প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে বিদেশে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি মালয়েশিয়া হয়ে যাবেন চীনে। তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর নিয়ে এক ধরনের আগ্রহ ছিল সবার। তিনি ভারতে যাবেন, চীনে যাবেন, না কী অন্য কোনো দেশে যাবেন?—কৌতূহল ছিল এ নিয়েই। কিন্তু তিনি আগে কেন মালয়েশিয়া যাচ্ছেন?

মিয়ানমারের সামরিক সরকার মূলত রাশিয়া এবং চীনের মতো অল্প কিছু দেশের সমর্থনেই টিকে আছে। জাতিসংঘে কূটনৈতিক ঢাল হওয়ার পাশাপাশি রাশিয়া ও চীন জান্তাকে যুদ্ধবিমান, জ্বালানি, ড্রোন এবং ড্রোন নিষ্ক্রিয় করার প্রযুক্তি দিচ্ছে, যা তাদের গৃহযুদ্ধে তীব্র করছে।

আগামী সপ্তাহে তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন। কিন্তু ভারত সফর এখনো অনিশ্চিত। ফলে তার আগে চীন সফরের সিদ্ধান্ত অনেকের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেকের কাছে এটি ঢাকা আসলে কোন দিকে ঝুঁকছে, তা বোঝানোর বার্তা।

পেজেশকিয়ান আরও যোগ করেন, “কূটনীতি এবং প্রতিরক্ষা হলো জাতীয় শক্তির দুটি ডানা; আমরা যুদ্ধক্ষেত্র কিংবা আলোচনার টেবিল—কোনোটিই ছেড়ে দিইনি।”

ওমানকে একসময় ‘মধ্যপ্রাচ্যের সুইজারল্যান্ড’ বলা হতো শান্ত ও নিরপেক্ষ ভূমিকার জন্য। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ওমান কেবল আলোচনার নীরব আয়োজক হয়ে থাকতে পারছে না।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে ভারত যাচ্ছেন মিয়ানমারের সাবেক সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। স্থানীয় সময় আজ শনিবার পাঁচ দিনের সফরে তার ভারত যাওয়ার কথা রয়েছে।

বিশ্বজুড়ে দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে যখন আন্তর্জাতিক কূটনীতি, সামরিক হুমকি এবং তেহরান, ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের মধ্যকার আলোচনা একটি মাত্র সংখ্যার ওপর থমকে আছে–যা হলো ইরানের ৪৫০ কিলোগ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত।

আলী বাকির এই ঘটনার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে দেখিয়েছেন যে, নেতানিয়াহুর পক্ষ থেকে এমন গোপন সফর ফাঁসের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগে ২০২০ সালের শেষের দিকে তিনি সৌদি আরবের নেওম শহরে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সাথে তার একটি গোপন বৈঠকের খবর একইভাবে ফাঁস করে দিয়েছিলেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ। রুবিওর এই দাবিগুলোকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ। রুবিওর এই দাবিগুলোকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।