চরচা প্রতিবেদক

এক মাসও হয়নি পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের। ঘরের মাটিতে সেই অর্জনে বড় অবদান ছিল পেসারদেরই। তিন ফরম্যাটেই বাংলাদেশের পেস বিপ্লব নিয়ে আলোচনা যখন সর্বত্র, ঠিক তখনই জিম্বাবুয়েতে গিয়ে যেন সেই অতীতের দিনগুলো মনে করিয়ে দিলেন পেসাররা। জিম্বাবুয়ের সাদামাটা ব্যাটিং লাইনআপের সামনে তাদের নখদন্তহীন বোলিং ভাবনার খোরাক জোগাচ্ছে।
বাংলাদেশের মাত্র ১৪০ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনের চা বিরতিতে জিম্বাবুয়ে ৫ উইকেটে ৩৫০ করে লিড নিয়েছে ২১০ রানের। ৫৭ ওভার বোলিং করে তিন পেসার মিলে নিয়েছেন মাত্র দুই উইকেট।
অথচ গতিময় পেসার নাহিদ রানার বোলিং এখন বাংলাদেশের ক্রিকেটের বড় বিজ্ঞাপন। সঙ্গে তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমানরা মিলে গড়ে তুলেছেন দুর্দান্ত এক পেস বোলিং ইউনিট। ম্যাচও জেতাচ্ছেন এখন পেসাররাই বেশি। আর সেটাই যেন আড়াল করে দিচ্ছে ব্যাকআপ বোলারদের দুর্দশা।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে বেঞ্চের শক্তি যাচাইয়ের জন্য মূল নাহিদ, তাসকিন ও শরীফুলদের বিশ্রাম দিয়েছে বাংলাদেশ। উদ্দেশ্য খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন ও হাসান মাহমুদদের সুযোগ করে দেওয়া। তবে তিনজনের কেউই দুই দিনেও সামর্থ্যের জানান দিতে পারেননি।
এর মধ্যে হাসানের ধারহীন বোলিং সবচেয়ে বিস্ময়ের। ২১ ওভারে ৪.৪৭ ইকোনমি রেটে দিয়েছেন ৯৪ রান। উইকেট পাননি একটিও। অথচ কাউন্টি ক্রিকেটে দুর্দান্ত বোলিং করে ফর্মের তুঙ্গে থেকেই এই টেস্টে নেমেছেন তিনি। তাকে লাইন-লেন্থ নিয়ে বেশ সংগ্রাম করতে হয়েছে।
সেই তুলনায় খালেদ বেশ ভালো করেছেন। জিম্বাবুয়ের প্রথম দুই উইকেটই তার। পরিকল্পনা সাজিয়ে বল করেছেন। তবে টেস্টে সেটাই তো যথেষ্ট নয়। গতি ঘণ্টায় ১৩৫ কি.মি. এর কম বেগে বল করায় ব্যাটসম্যানদের সেভাবে বেগ পেতে হয়নি। আউটসুইং বা রিভার্স সুইংয়ের অস্ত্রও নেই। আবার ক্রিজের ব্যবহার করার চেষ্টাও করেননি।
অভিজ্ঞ ইবাদতের চিত্রটা রীতিমত শঙ্কা জাগানিয়ে। শেষ ছয় ইনিংসে তিনি মাত্র একটি উইকেট নিতে পেরেছেন। চোট থেকে ফিরে অনেকটা গতি হারিয়ে ফেলেছেন। ‘হিট দ্য ডেক’ লেন্থ বোলিংই তার মূল শক্তির জায়গা। তবে খালেদও প্রায় একই ধাঁচের বোলার হওয়ায় ইবাদত পাত্তা পাননি। ১৪ ওভারে ৭৮ রান হজম করা তার সাক্ষ্য দেয়।
পেসারদের কঠিন সময়ে আরও একবার কিছুটা আশার আলো হয়ে এসেছেন তাইজুল ইসলাম। অভিজ্ঞ এই বাঁহাতি স্পিনার দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ওভারেই ফিরতি ক্যাচে ফেরান ব্রায়ান ব্রেনেটকে (৫৯)।
এরপর এক ওভারে দুই উইকেট নিয়ে খানিকটা চাপে ফেলেছিলেন জিম্বাবুয়েকে। তবে অন্যপ্রান্তে পেসাররা পারেননি তা ধরে রাখতে। ওয়েসলে মাধেভেরেকে (৪৯) নিয়ে ক্রেইগ এরভিন (৩৬) গড়েছেন অপরাজিত ৭০ রানের জুটি।

এক মাসও হয়নি পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের। ঘরের মাটিতে সেই অর্জনে বড় অবদান ছিল পেসারদেরই। তিন ফরম্যাটেই বাংলাদেশের পেস বিপ্লব নিয়ে আলোচনা যখন সর্বত্র, ঠিক তখনই জিম্বাবুয়েতে গিয়ে যেন সেই অতীতের দিনগুলো মনে করিয়ে দিলেন পেসাররা। জিম্বাবুয়ের সাদামাটা ব্যাটিং লাইনআপের সামনে তাদের নখদন্তহীন বোলিং ভাবনার খোরাক জোগাচ্ছে।
বাংলাদেশের মাত্র ১৪০ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনের চা বিরতিতে জিম্বাবুয়ে ৫ উইকেটে ৩৫০ করে লিড নিয়েছে ২১০ রানের। ৫৭ ওভার বোলিং করে তিন পেসার মিলে নিয়েছেন মাত্র দুই উইকেট।
অথচ গতিময় পেসার নাহিদ রানার বোলিং এখন বাংলাদেশের ক্রিকেটের বড় বিজ্ঞাপন। সঙ্গে তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমানরা মিলে গড়ে তুলেছেন দুর্দান্ত এক পেস বোলিং ইউনিট। ম্যাচও জেতাচ্ছেন এখন পেসাররাই বেশি। আর সেটাই যেন আড়াল করে দিচ্ছে ব্যাকআপ বোলারদের দুর্দশা।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে বেঞ্চের শক্তি যাচাইয়ের জন্য মূল নাহিদ, তাসকিন ও শরীফুলদের বিশ্রাম দিয়েছে বাংলাদেশ। উদ্দেশ্য খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন ও হাসান মাহমুদদের সুযোগ করে দেওয়া। তবে তিনজনের কেউই দুই দিনেও সামর্থ্যের জানান দিতে পারেননি।
এর মধ্যে হাসানের ধারহীন বোলিং সবচেয়ে বিস্ময়ের। ২১ ওভারে ৪.৪৭ ইকোনমি রেটে দিয়েছেন ৯৪ রান। উইকেট পাননি একটিও। অথচ কাউন্টি ক্রিকেটে দুর্দান্ত বোলিং করে ফর্মের তুঙ্গে থেকেই এই টেস্টে নেমেছেন তিনি। তাকে লাইন-লেন্থ নিয়ে বেশ সংগ্রাম করতে হয়েছে।
সেই তুলনায় খালেদ বেশ ভালো করেছেন। জিম্বাবুয়ের প্রথম দুই উইকেটই তার। পরিকল্পনা সাজিয়ে বল করেছেন। তবে টেস্টে সেটাই তো যথেষ্ট নয়। গতি ঘণ্টায় ১৩৫ কি.মি. এর কম বেগে বল করায় ব্যাটসম্যানদের সেভাবে বেগ পেতে হয়নি। আউটসুইং বা রিভার্স সুইংয়ের অস্ত্রও নেই। আবার ক্রিজের ব্যবহার করার চেষ্টাও করেননি।
অভিজ্ঞ ইবাদতের চিত্রটা রীতিমত শঙ্কা জাগানিয়ে। শেষ ছয় ইনিংসে তিনি মাত্র একটি উইকেট নিতে পেরেছেন। চোট থেকে ফিরে অনেকটা গতি হারিয়ে ফেলেছেন। ‘হিট দ্য ডেক’ লেন্থ বোলিংই তার মূল শক্তির জায়গা। তবে খালেদও প্রায় একই ধাঁচের বোলার হওয়ায় ইবাদত পাত্তা পাননি। ১৪ ওভারে ৭৮ রান হজম করা তার সাক্ষ্য দেয়।
পেসারদের কঠিন সময়ে আরও একবার কিছুটা আশার আলো হয়ে এসেছেন তাইজুল ইসলাম। অভিজ্ঞ এই বাঁহাতি স্পিনার দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ওভারেই ফিরতি ক্যাচে ফেরান ব্রায়ান ব্রেনেটকে (৫৯)।
এরপর এক ওভারে দুই উইকেট নিয়ে খানিকটা চাপে ফেলেছিলেন জিম্বাবুয়েকে। তবে অন্যপ্রান্তে পেসাররা পারেননি তা ধরে রাখতে। ওয়েসলে মাধেভেরেকে (৪৯) নিয়ে ক্রেইগ এরভিন (৩৬) গড়েছেন অপরাজিত ৭০ রানের জুটি।