চরচা ডেস্ক

ইউরোপজুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বিভিন্ন দেশের কর্তৃপক্ষ আজ বুধবার নতুন করে স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করেছে। আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, আগামী কয়েক দিনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
যুক্তরাজ্য থেকে ইতালি পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে তাপমাত্রা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
যুক্তরাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিরল ‘রেড হিট হেলথ’ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রেড সতর্কতা কেবল সবচেয়ে গুরুতর পরিস্থিতির জন্য জারি করা হয়। ব্রিটিশ সরকার ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো এমন সতর্কতা জারি করেছে।
সতর্কতার আওতায় রয়েছে মধ্য ও দক্ষিণ ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের বড় অংশ। এতে বলা হয়েছে, অস্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রা মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
যুক্তরাজ্যে কয়েকটি স্কুল বন্ধ এবং বহু ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে। যাত্রীদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নেটওয়ার্ক রেল জানিয়েছে, অতিরিক্ত তাপের কারণে রেললাইন বেঁকে যাওয়া এবং বৈদ্যুতিক তার ঝুলে পড়ার ঝুঁকি থাকায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে।
এ ছাড়া, ইউরোস্টার আজ বুধবার ও আগামীকাল বৃহস্পতিবারের লন্ডন-প্যারিস রুটের চারটি ট্রেন বাতিল করেছে।
পশ্চিম ইউরোপের ওপর গঠিত একটি ‘হিট ডোম’-এর কারণে এই চরম আবহাওয়া সৃষ্টি হয়েছে, যা ইউরোপজুড়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।
এদিকে ফ্রান্স মঙ্গলবার ইতিহাসের সর্বোচ্চ গরম দিনের রেকর্ড করেছে। এর ফলে কর্তৃপক্ষ আইফেল টাওয়ার ও ল্যুভর জাদুঘরসহ প্রধান পর্যটনকেন্দ্রগুলোর ভিজিটিং টাইম সীমিত করেছে।
দেশটির স্কুল ও গণপরিবহন ব্যবস্থাও তাপপ্রবাহের কারণে ব্যাহত হয়েছে।
ফ্রান্সের জাতীয় তাপমাত্রা সূচক ৩০টি আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্যের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় তাপমাত্রা রেকর্ড ২৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়।
ইতালির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রাজধানী রোম, মিলান, ফ্লোরেন্স ও তুরিনসহ ১৬টি শহরে সর্বোচ্চ পর্যায়ের ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে।
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, এই তাপমাত্রা সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের স্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
ফ্লোরেন্সে তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে মিলানে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।
স্পেন এবং দক্ষিণ ইউরোপের অন্য অংশেও তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। এসব অঞ্চলেও তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ইউরোপজুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বিভিন্ন দেশের কর্তৃপক্ষ আজ বুধবার নতুন করে স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করেছে। আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, আগামী কয়েক দিনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
যুক্তরাজ্য থেকে ইতালি পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে তাপমাত্রা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
যুক্তরাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিরল ‘রেড হিট হেলথ’ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রেড সতর্কতা কেবল সবচেয়ে গুরুতর পরিস্থিতির জন্য জারি করা হয়। ব্রিটিশ সরকার ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো এমন সতর্কতা জারি করেছে।
সতর্কতার আওতায় রয়েছে মধ্য ও দক্ষিণ ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের বড় অংশ। এতে বলা হয়েছে, অস্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রা মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
যুক্তরাজ্যে কয়েকটি স্কুল বন্ধ এবং বহু ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে। যাত্রীদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নেটওয়ার্ক রেল জানিয়েছে, অতিরিক্ত তাপের কারণে রেললাইন বেঁকে যাওয়া এবং বৈদ্যুতিক তার ঝুলে পড়ার ঝুঁকি থাকায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে।
এ ছাড়া, ইউরোস্টার আজ বুধবার ও আগামীকাল বৃহস্পতিবারের লন্ডন-প্যারিস রুটের চারটি ট্রেন বাতিল করেছে।
পশ্চিম ইউরোপের ওপর গঠিত একটি ‘হিট ডোম’-এর কারণে এই চরম আবহাওয়া সৃষ্টি হয়েছে, যা ইউরোপজুড়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।
এদিকে ফ্রান্স মঙ্গলবার ইতিহাসের সর্বোচ্চ গরম দিনের রেকর্ড করেছে। এর ফলে কর্তৃপক্ষ আইফেল টাওয়ার ও ল্যুভর জাদুঘরসহ প্রধান পর্যটনকেন্দ্রগুলোর ভিজিটিং টাইম সীমিত করেছে।
দেশটির স্কুল ও গণপরিবহন ব্যবস্থাও তাপপ্রবাহের কারণে ব্যাহত হয়েছে।
ফ্রান্সের জাতীয় তাপমাত্রা সূচক ৩০টি আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্যের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় তাপমাত্রা রেকর্ড ২৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়।
ইতালির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রাজধানী রোম, মিলান, ফ্লোরেন্স ও তুরিনসহ ১৬টি শহরে সর্বোচ্চ পর্যায়ের ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে।
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, এই তাপমাত্রা সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের স্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
ফ্লোরেন্সে তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে মিলানে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।
স্পেন এবং দক্ষিণ ইউরোপের অন্য অংশেও তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। এসব অঞ্চলেও তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।