
মাত্র এক রাতের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার হয়ে ইউরোপে প্রবেশ করল প্রায় ৫০ হাজার মানুষ! আফ্রিকার বুকে স্পেনের ছোট্ট স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল 'সেউতা' এখন এক অভূতপূর্ব মানবিক ও নিরাপত্তা সংকটের মুখোমুখি।

প্রধানমন্ত্রী সানচেজ বলেন, মানবপাচারকারীরা স্পেনের সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক এক রায় নিয়ে গুজব ছড়িয়েছে। ওই রায়ে বলা হয়েছে, সমুদ্রপথে আসা অনিয়মিত অভিবাসীদের সঙ্গে সঙ্গে ফেরত পাঠানো যাবে না। তার দাবি, এই গুজবই হঠাৎ এত মানুষের সীমান্ত অতিক্রমের অন্যতম কারণ।

স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ সীমান্ত অতিক্রম করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা (গ্রিনিচ মান সময় ১৬টা) পর্যন্ত তাদের মধ্যে ৪৮ হাজার ৩০০ জন ফিরে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্পেনের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যারা অবৈধভাবে প্রবেশ করেছে, তাদের যত দ্রুত সম্ভব ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করা হবে। যদিও সাম্প্রতিক এক আদালতের রায়ে বিশেষ ‘বর্ডার রিজেকশন’ নীতির আওতায় তাৎক্ষণিক বহিষ্কারের ক্ষমতার ওপর নতুন কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

গ্রীষ্মের চতুর্থ তাপপ্রবাহে ফ্রান্স ও স্পেনে আজ বুধবার তাপমাত্রা আবারও বাড়তে শুরু করেছে। এতে দাবানলের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। দাবানলের কারণে ইতিমধ্যে বহু মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, পুড়ে গেছে বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল এবং মারা গেছে বন্যপ্রাণী। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। স্পেনের আ

বোর্দো সফরে গিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ দমকলকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের প্রশংসা করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, সামনের কয়েক সপ্তাহও কঠিন হবে।

ফ্রান্স ও স্পেনে টানা কয়েক দিন ধরে চলছে ভয়াবহ দাবানল। ইতিমধ্যে ৩ লাখের বেশি মানুষ হারিয়েছে ঘর। প্রবল বাতাস ও তীব্র তাপদাহের কারণে আগুন নেভানোর চেষ্টা ব্যাহত হচ্ছে।

মাদ্রিদের আঞ্চলিক প্রেসিডেন্ট ইসাবেল দিয়াস আইউসো একে “এই অঞ্চলের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল” বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, অতিরিক্ত তাপমাত্রা, অবিরাম বাতাস এবং একাধিক আগুনের সম্মিলিত প্রভাবে সেখানে “নিখুঁত ঝড়ের মতো” পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ফ্রান্সের সরকারি সূত্র অনুযায়ী, দাবানলে ১০ হাজার হেক্টর ভূমি পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৮০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৫০টি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের রাজপথ ধরে তাদের বীরেরা যখন ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন রাস্তার দুই পাশে হাজার হাজার ভক্তের ভিড় জমে উঠেছিল।যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন।

আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের পর লামিন ইয়ামালের শৈশবের এলাকা রোকোফোন্ডায় উৎসবের জোয়ার বয়ে গেছে। এই ফুটবলার প্রতিটি গোলের পর তার প্রিয় রোকোফোন্ডার পোস্টাল কোড ৩০৪ প্রদর্শন করে নিজের শিকড়কে সম্মান জানান।


বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথমার্ধটা হয়েছে বেশ ম্যাড়মেড়ে। দুই দলের মধ্যে স্পেন বল দখলে রেখে খেলার চেষ্টা করেছে, আর্জেন্টিনা কী করতে চেষ্টা করেছে সেটাও মেসি-স্কালোনিরাই ভালো বলতে পারবেন।

‘লা ফিনালিসিমা’য় গত মার্চে দুই দলের দেখা হওয়ার কথা ছিল কাতারে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে ম্যাচটাই শেষ পর্যন্ত হলোই না! সেই স্পেন আর আর্জেন্টিনাই আজ মুখোমুখি বিশ্বকাপ ফাইনালে। তবে দুই দল ছাপিয়েও এই ম্যাচের বড় বিজ্ঞাপন দুটি নাম - লিওনেল মেসি আর লামিন ইয়ামাল।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।