Advertisement Banner

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাকিস্তানের অনুরোধে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেছেন। তবে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ট্রাম্প।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেন. “ইরান সরকার মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়েছে, যা অপ্রত্যাশিত ছিল না। পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের অনুরোধে আমাদের কাছে ইরানের ওপর হামলা স্থগিত রাখার আবেদন জানানো হয়েছে, যাতে তাদের নেতা ও প্রতিনিধিরা একটি ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব নিয়ে আসতে পারেন। তাই আমি আমাদের সামরিক বাহিনীকে অবরোধ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছি এবং অন্যান্য সব দিক থেকে প্রস্তুত ও সক্ষম থাকতে বলেছি। প্রস্তাব জমা দেওয়া এবং আলোচনা কোনো একটি সিদ্ধান্তে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করছি।”

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির ঘোষণা ‘অর্থহীন’ বলে অভিহিত করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকারের উপদেষ্টা মাহদি মোহাম্মদী। তিনি বলেন, “পরাজিত পক্ষ কোনো শর্ত চাপিয়ে দিতে পারে না।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মোহাম্মদী আরও বলেছেন, “অবরোধ অব্যাহত রাখা বোমাবর্ষণের চেয়ে আলাদা কিছু নয় এবং এর জবাব অবশ্যই সামরিকভাবে দিতে হবে। তাছাড়া, ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নিশ্চিতভাবেই একটি আকস্মিক হামলার জন্য সময় নেওয়ার অপকৌশল। ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা উদ্যোগ নেওয়ার সময় এখন চলে এসেছে।”

এদিকে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পর ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে শেহবাজ লিখেছেন, পাকিস্তান আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত বন্ধের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। তিনি আরও বলেন, “আমি আন্তরিকভাবে আশা করি যে উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতি অব্যাহত রাখবে এবং সংঘাতের স্থায়ী অবসানের লক্ষ্যে ইসলামাবাদে নির্ধারিত দ্বিতীয় দফার আলোচনায় একটি তাৎপর্যপূর্ণ ‘শান্তি চুক্তি’ সম্পন্ন করতে সক্ষম হবে।”

যুদ্ধ‌বির‌তির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও। তিনি একে উত্তেজনা প্রশমনে এক ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

সম্পর্কিত