চরচা ডেস্ক

হোয়াইট হাউজে লিওনেল মেসি গিয়েছিলেন মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) দল ইন্টার মিয়ামির সতীর্থদের সঙ্গে। এমএলএস জেতার সংবর্ধনা ছিল সেখানে। তবে সেই অনুষ্ঠানে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ইরানকে গুঁড়িয়ে দিয়েছি’ বক্তব্যে হাতে তালি দিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন আর্জেন্টাইন তারকা। রাজনৈতিক আবহে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এটি।
নিজের বক্তৃতায় ট্রাম্প খেলার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতের ওপর। গত শনিবার ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে শুরু হওয়া পাল্টাপাল্টি হামলায় এরই মধ্য ১,২৩০ জন নিহত হয়েছেন। ট্রাম্প যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সামরিক শক্তির প্রশংসা করে বলছিলেন, “আমরা শত্রুকে গুঁড়িয়ে দিচ্ছি”, তখন তার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন মেসি।
প্রেসিডেন্ট যখন মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ‘বিশ্বের শ্রেষ্ঠ’ বলে অভিহিত করেন, তখন মেসি ও তার সতীর্থদের তালি দিতে দেখা যায়। এই দৃশ্যটিই নেট দুনিয়ায় দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে।
মেসি সাধারণত রাজনীতি থেকে দূরে থাকতেই পছন্দ করেন, কিন্তু এবার সরাসরি ট্রাম্পের রাজনৈতিক মঞ্চে তাকে দেখে ভক্তরা হতাশ। ফিলিস্তিনি-আমেরিকান লেখক আলী আবুনিমাহ এই ঘটনার ভিডিও শেয়ার করে মেসি ও খেলোয়াড়দের “অসার ও স্বার্থপর মানুষ” বলে মন্তব্য করেছেন।
স্প্যানিশ সাংবাদিক লায়লা হামেদ বিষয়টিকে “অদ্ভুত ও ভয়াবহ” বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, গত কয়েক দিনে ইরানে শত শত শিশু নিহত হয়েছে, যার মধ্যে একটি স্কুলে হামলায় ১৬৫ জন শিশু প্রাণ হারায়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “এত ক্ষমতা ও প্রভাব থাকার কী অর্থ যদি এমন মুহূর্তে তা ব্যবহার করা না যায়?”
রাজনৈতিক আলোচনার বাইরে ট্রাম্প মেসির ব্যক্তিগত জীবনের প্রশংসা করেন। তিনি রসিকতা করে বলেন, “লিও, তুমি বিশ্বের যেকোনো দলে যেতে পারতে, কিন্তু তুমি মায়ামিকে বেছে নিয়েছ। আমি তোমাকে দোষ দিই না, সেখানকার আবহাওয়া খুব ভালো।”
অনুষ্ঠানে মেসি মিয়ামি ফুটবলারদের সই করা একটি ফুটবল ট্রাম্পকে উপহার দেন। অন্যদিকে ইন্টার মায়ামির সহ-মালিক হোর্হে মাস এবং কোচ হাভিয়ের মাচেরানো প্রেসিডেন্টকে ক্লাবের জার্সি ও একটি ঘড়ি উপহার দেন। উল্লেখ্য, ট্রাম্পের দুই মেয়াদের শাসনামলে ইন্টার মিয়ামিই প্রথম এমএলএস দল, যারা হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ পেল।

হোয়াইট হাউজে লিওনেল মেসি গিয়েছিলেন মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) দল ইন্টার মিয়ামির সতীর্থদের সঙ্গে। এমএলএস জেতার সংবর্ধনা ছিল সেখানে। তবে সেই অনুষ্ঠানে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ইরানকে গুঁড়িয়ে দিয়েছি’ বক্তব্যে হাতে তালি দিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন আর্জেন্টাইন তারকা। রাজনৈতিক আবহে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এটি।
নিজের বক্তৃতায় ট্রাম্প খেলার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতের ওপর। গত শনিবার ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে শুরু হওয়া পাল্টাপাল্টি হামলায় এরই মধ্য ১,২৩০ জন নিহত হয়েছেন। ট্রাম্প যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সামরিক শক্তির প্রশংসা করে বলছিলেন, “আমরা শত্রুকে গুঁড়িয়ে দিচ্ছি”, তখন তার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন মেসি।
প্রেসিডেন্ট যখন মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ‘বিশ্বের শ্রেষ্ঠ’ বলে অভিহিত করেন, তখন মেসি ও তার সতীর্থদের তালি দিতে দেখা যায়। এই দৃশ্যটিই নেট দুনিয়ায় দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে।
মেসি সাধারণত রাজনীতি থেকে দূরে থাকতেই পছন্দ করেন, কিন্তু এবার সরাসরি ট্রাম্পের রাজনৈতিক মঞ্চে তাকে দেখে ভক্তরা হতাশ। ফিলিস্তিনি-আমেরিকান লেখক আলী আবুনিমাহ এই ঘটনার ভিডিও শেয়ার করে মেসি ও খেলোয়াড়দের “অসার ও স্বার্থপর মানুষ” বলে মন্তব্য করেছেন।
স্প্যানিশ সাংবাদিক লায়লা হামেদ বিষয়টিকে “অদ্ভুত ও ভয়াবহ” বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, গত কয়েক দিনে ইরানে শত শত শিশু নিহত হয়েছে, যার মধ্যে একটি স্কুলে হামলায় ১৬৫ জন শিশু প্রাণ হারায়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “এত ক্ষমতা ও প্রভাব থাকার কী অর্থ যদি এমন মুহূর্তে তা ব্যবহার করা না যায়?”
রাজনৈতিক আলোচনার বাইরে ট্রাম্প মেসির ব্যক্তিগত জীবনের প্রশংসা করেন। তিনি রসিকতা করে বলেন, “লিও, তুমি বিশ্বের যেকোনো দলে যেতে পারতে, কিন্তু তুমি মায়ামিকে বেছে নিয়েছ। আমি তোমাকে দোষ দিই না, সেখানকার আবহাওয়া খুব ভালো।”
অনুষ্ঠানে মেসি মিয়ামি ফুটবলারদের সই করা একটি ফুটবল ট্রাম্পকে উপহার দেন। অন্যদিকে ইন্টার মায়ামির সহ-মালিক হোর্হে মাস এবং কোচ হাভিয়ের মাচেরানো প্রেসিডেন্টকে ক্লাবের জার্সি ও একটি ঘড়ি উপহার দেন। উল্লেখ্য, ট্রাম্পের দুই মেয়াদের শাসনামলে ইন্টার মিয়ামিই প্রথম এমএলএস দল, যারা হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ পেল।