চরচা ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর শর্ত দিয়েছেন। তিনি পাঁচ বছরের জন্য ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার দাবি তুলেছেন, যা তার প্রস্তাবিত ছয়টি শর্তের একটি। এই অবস্থান দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
চলমান সংঘাতের মধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে। ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সামরিক চাপ অব্যাহত রেখেই ইরানকে ছাড় দিতে বাধ্য করতে হবে। তার মতে, যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকর নয়।
অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধ না হলে কোনো আলোচনা সম্ভব নয়। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যারা সংঘাত শুরু করেছে, তাদেরই প্রথমে হামলা বন্ধ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর নিয়ন্ত্রণ, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা, এবং নাতানজ, ইসফাহান ও ফোরদোসহ গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো বন্ধ করা। এছাড়া ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করা এবং আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধের দাবিও রয়েছে।
ইসরায়েল দাবি করছে, ইরান এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে যা ইউরোপ পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম।
এদিকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যোগাযোগ বন্ধ থাকলেও মিশর, কাতার এবং যুক্তরাজ্য মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইরান তার অবস্থানে অনড় থেকে বলেছে, পূর্ণ যুদ্ধবিরতি, ভবিষ্যতে হামলা না করার নিশ্চয়তা এবং ক্ষতিপূরণ ছাড়া কোনো আলোচনা সম্ভব নয়। তবে ট্রাম্প এসব শর্তকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন।
সব মিলিয়ে, দুই পক্ষের কঠোর অবস্থান ও শান্তি আলোচনা এখনো অনিশ্চিত।

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর শর্ত দিয়েছেন। তিনি পাঁচ বছরের জন্য ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার দাবি তুলেছেন, যা তার প্রস্তাবিত ছয়টি শর্তের একটি। এই অবস্থান দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
চলমান সংঘাতের মধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে। ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সামরিক চাপ অব্যাহত রেখেই ইরানকে ছাড় দিতে বাধ্য করতে হবে। তার মতে, যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকর নয়।
অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধ না হলে কোনো আলোচনা সম্ভব নয়। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যারা সংঘাত শুরু করেছে, তাদেরই প্রথমে হামলা বন্ধ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর নিয়ন্ত্রণ, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা, এবং নাতানজ, ইসফাহান ও ফোরদোসহ গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো বন্ধ করা। এছাড়া ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করা এবং আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধের দাবিও রয়েছে।
ইসরায়েল দাবি করছে, ইরান এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে যা ইউরোপ পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম।
এদিকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যোগাযোগ বন্ধ থাকলেও মিশর, কাতার এবং যুক্তরাজ্য মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইরান তার অবস্থানে অনড় থেকে বলেছে, পূর্ণ যুদ্ধবিরতি, ভবিষ্যতে হামলা না করার নিশ্চয়তা এবং ক্ষতিপূরণ ছাড়া কোনো আলোচনা সম্ভব নয়। তবে ট্রাম্প এসব শর্তকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন।
সব মিলিয়ে, দুই পক্ষের কঠোর অবস্থান ও শান্তি আলোচনা এখনো অনিশ্চিত।