Advertisement Banner

পহেলা বৈশাখ ঘিরে জঙ্গি হামলার শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
পহেলা বৈশাখ ঘিরে জঙ্গি হামলার শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার
ছবি: সংগৃহীত

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রাজধানীতে জঙ্গি হামলা বা বড় ধরনের কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. সরওয়ার। তবে সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আজ রোববার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে রাজধানীর রমনা বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, “পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বাঙালির প্রাণের উৎসব। এই উৎসবকে ঘিরে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যাতে নির্বিঘ্নে অংশ নিতে পারেন, সে জন্য ব্যাপক নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।”

বর্ষবরণ উপলক্ষে রমনার বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর চারুকলা অনুষদ আয়োজিত বৈশাখী শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এসব অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরো ঢাকা মহানগরকে ৯টি মূল সেক্টর ও ১৪টি উপ-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি এলাকায় ইউনিফর্মধারী পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন থাকবে।

গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানস্থলগুলো ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল টিম দিয়ে সুইপিং করা হবে। নিরাপত্তায় থাকবে সোয়াট, মাউন্টেড পুলিশ, কে-৯ ইউনিট, ক্রাইম সিন ভ্যান, ডিবি ও সিটিটিসি সদস্যরা।

প্রতিটি অনুষ্ঠানস্থলের প্রবেশপথে আর্চওয়ে ও হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশির ব্যবস্থা থাকবে। কোনো ধরনের মুখোশ, ব্যাগ, ধারালো বস্তু, দাহ্য পদার্থ, আতশবাজি বা ফানুস নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না।

রমনা পার্কে ভোর ৫টা থেকে সর্বসাধারণের প্রবেশ শুরু হবে এবং বিকেল ৫টার পর সব গেট কেবল বের হওয়ার জন্য ব্যবহার করা হবে। ছায়ানটের অনুষ্ঠান সকাল ৬টা ১৫ মিনিট থেকে ৮টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত কয়েকটি গেট দিয়ে প্রবেশ ও বের হওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

বৈশাখী শোভাযাত্রা সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড়, টিএসসি, তিন নেতার মাজার এলাকা ঘুরে পুনরায় চারুকলায় এসে শেষ হবে। পুরো রুট নিরাপত্তা চাদরে ঢাকা থাকবে। শোভাযাত্রা চলাকালে পাশ থেকে প্রবেশের সুযোগ থাকবে না।

পহেলা বৈশাখের দিন ভোর ৫টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও আশপাশের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ডাইভারশন থাকবে। বাংলা মোটর, কাকরাইল, হাইকোর্ট, নীলক্ষেত, কাটাবনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ব্যারিকেড বসানো হবে।

সম্পর্কিত