চরচা ডেস্ক

সংকটের মুখে কিউবার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কমিয়ে ১০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তার প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করেছে আমেরিকা। এর মধ্যেই আমেরিকার সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ) পরিচালক জন র্যাটক্লিফ হাভানায় কিউবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন।
কিউবার একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈঠকটি সম্পর্ক উন্নয়নের একটি প্রচেষ্টা ছিল এবং মার্কিন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে যে, কিউবা আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য কোনো হুমকি নয়।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি সিআইএর একজন কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা ইস্যুতে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করতে প্রস্তুত’, তবে তা কেবল তখনই সম্ভব যদি কিউবা মৌলিক পরিবর্তন আনে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার ফলে জ্বালানি ঘাটতিতে কিউবার হাসপাতালগুলো স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে পারছে না এবং স্কুল ও সরকারি অফিসগুলো বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হয়েছে। অন্যদিকে, কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল ডিয়াজ-কানেল বলেছেন, সহায়তার প্রস্তাব দেওয়ার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র যদি অবরোধ তুলে নেয়, তবে পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হবে।
সিআইয়ের সঙ্গে বৈঠকে সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর নাতি রাউল রদ্রিগেজ কাস্ত্রো, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লাজারো আলভারেজ কাসাস এবং কিউবার গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান উপস্থিত ছিলেন। সিআইএ কর্মকর্তা জানান, প্রতিনিধি দলটি মূলত ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বার্তা ব্যক্তিগতভাবে পৌঁছে দিতে’ সেখানে গিয়েছিলেন। বৈঠকে গোয়েন্দা সহযোগিতা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।
অবরোধ ও সহায়তার দ্বন্দ্ব
চলতি বছরের শুরুতে কিউবা এবং যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বসার কথা স্বীকার করলেও, তেলের ওপর নিষেধোজ্ঞা অব্যাহত থাকায় আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ে। কিউবা তেল সরবরাহের জন্য ভেনেজুয়েলা ও মেক্সিকোর ওপর নির্ভর করে আসছিল। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবায় জ্বালানি পাঠালে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়ার পর দেশ দুটি সরবরাহ প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে।
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, তারা কিউবার জনগণকে ‘উদার সহায়তা’ দিতে প্রস্তুত, তবে তা ক্যাথলিক চার্চ বা স্বাধীন মানবিক সংস্থার মাধ্যমে বিতরণ করতে হবে, কিউবা সরকারের মাধ্যমে নয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ বলেছেন, সহায়তার চেয়ে অবরোধ শিথিল করা বেশি জরুরি। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, এই সহায়তা কি নগদ অর্থ হিসেবে দেওয়া হবে নাকি পণ্য হিসেবে?
চাপ ও বর্তমান অস্থিরতা
জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ওপর আইনি চাপও বাড়াচ্ছে। সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, ৩০ বছর আগে ‘ব্রাদার্স টু দ্য রেসকিউ’ নামক মানবিক সংস্থার বিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রো এবং তার ভাই ফিদেল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
বর্তমানে কিউবার জ্বালানি পরিস্থিতি ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। জ্বালানি মন্ত্রী ভিসেন্তে দে লা ও লেভি সতর্ক করে জানান, দেশে ডিজেল ও জ্বালানি তেল সম্পূর্ণ ফুরিয়ে গেছে।
জ্বালানি সংকটের কারণে লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে গত বুধবার হাভানায় শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভকারীরা রাস্তা অবরোধ করে এবং সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়। গত জানুয়ারিতে জ্বালানি সংকট শুরু হওয়ার পর এটিই ছিল হাভানার বৃহত্তম বিক্ষোভ।
প্রেসিডেন্ট ডিয়াজ-কানেল এই পরিস্থিতির জন্য সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে একে ‘গণহত্যামূলক জ্বালানি অবরোধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, মে মাসের শুরুতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে কিউবার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন।

সংকটের মুখে কিউবার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কমিয়ে ১০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তার প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করেছে আমেরিকা। এর মধ্যেই আমেরিকার সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ) পরিচালক জন র্যাটক্লিফ হাভানায় কিউবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন।
কিউবার একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈঠকটি সম্পর্ক উন্নয়নের একটি প্রচেষ্টা ছিল এবং মার্কিন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে যে, কিউবা আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য কোনো হুমকি নয়।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি সিআইএর একজন কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা ইস্যুতে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করতে প্রস্তুত’, তবে তা কেবল তখনই সম্ভব যদি কিউবা মৌলিক পরিবর্তন আনে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার ফলে জ্বালানি ঘাটতিতে কিউবার হাসপাতালগুলো স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে পারছে না এবং স্কুল ও সরকারি অফিসগুলো বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হয়েছে। অন্যদিকে, কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল ডিয়াজ-কানেল বলেছেন, সহায়তার প্রস্তাব দেওয়ার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র যদি অবরোধ তুলে নেয়, তবে পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হবে।
সিআইয়ের সঙ্গে বৈঠকে সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর নাতি রাউল রদ্রিগেজ কাস্ত্রো, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লাজারো আলভারেজ কাসাস এবং কিউবার গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান উপস্থিত ছিলেন। সিআইএ কর্মকর্তা জানান, প্রতিনিধি দলটি মূলত ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বার্তা ব্যক্তিগতভাবে পৌঁছে দিতে’ সেখানে গিয়েছিলেন। বৈঠকে গোয়েন্দা সহযোগিতা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।
অবরোধ ও সহায়তার দ্বন্দ্ব
চলতি বছরের শুরুতে কিউবা এবং যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বসার কথা স্বীকার করলেও, তেলের ওপর নিষেধোজ্ঞা অব্যাহত থাকায় আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ে। কিউবা তেল সরবরাহের জন্য ভেনেজুয়েলা ও মেক্সিকোর ওপর নির্ভর করে আসছিল। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবায় জ্বালানি পাঠালে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়ার পর দেশ দুটি সরবরাহ প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে।
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, তারা কিউবার জনগণকে ‘উদার সহায়তা’ দিতে প্রস্তুত, তবে তা ক্যাথলিক চার্চ বা স্বাধীন মানবিক সংস্থার মাধ্যমে বিতরণ করতে হবে, কিউবা সরকারের মাধ্যমে নয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ বলেছেন, সহায়তার চেয়ে অবরোধ শিথিল করা বেশি জরুরি। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, এই সহায়তা কি নগদ অর্থ হিসেবে দেওয়া হবে নাকি পণ্য হিসেবে?
চাপ ও বর্তমান অস্থিরতা
জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ওপর আইনি চাপও বাড়াচ্ছে। সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, ৩০ বছর আগে ‘ব্রাদার্স টু দ্য রেসকিউ’ নামক মানবিক সংস্থার বিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রো এবং তার ভাই ফিদেল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
বর্তমানে কিউবার জ্বালানি পরিস্থিতি ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। জ্বালানি মন্ত্রী ভিসেন্তে দে লা ও লেভি সতর্ক করে জানান, দেশে ডিজেল ও জ্বালানি তেল সম্পূর্ণ ফুরিয়ে গেছে।
জ্বালানি সংকটের কারণে লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে গত বুধবার হাভানায় শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভকারীরা রাস্তা অবরোধ করে এবং সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়। গত জানুয়ারিতে জ্বালানি সংকট শুরু হওয়ার পর এটিই ছিল হাভানার বৃহত্তম বিক্ষোভ।
প্রেসিডেন্ট ডিয়াজ-কানেল এই পরিস্থিতির জন্য সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে একে ‘গণহত্যামূলক জ্বালানি অবরোধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, মে মাসের শুরুতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে কিউবার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন।