
১৯৬২ সালের কিউবান মিসাইল ক্রাইসিসের চরম উত্তেজনা ও বিশ্বযুদ্ধের হুমকি থেকে শিক্ষা নিয়ে জন্ম হয়েছিল ঐতিহাসিক হটলাইন ব্যবস্থার। দুর্ঘটনাবশত বা ভুল বোঝাবুঝি থেকে পারমাণবিক যুদ্ধ এড়াতে ১৯৬৩ সালের ২০ জুন প্রথমবার ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে এই চুক্তি সই হয়। স্নায়ুযুদ্ধের আদি ধারণা আজ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে

আর্জেন্টিনায় জন্ম নেওয়া কিংবদন্তি মার্ক্সবাদী বিপ্লবী চে গেভারা আজ কি শুধুই বিপ্লবের প্রতীক? নাকি বিশ্বজুড়ে ফ্যাশন ও পপ সংস্কৃতির অন্যতম বড় ব্র্যান্ড নেম? যে পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে চে আমৃত্যু লড়েছেন, আজ সেই পুঁজিবাদের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনী পণ্যে কীভাবে পরিণত হয়েছেন এই বিপ্লবী?

ইকোনোমিস্টের বিশ্লেষণ
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসন যদি জোরালো ও বিচক্ষণতার সাথে আলোচনা করে, তবে তারা কিউবানদের একটি বড় উপকার করতে পারে। আর যদি তারা সশস্ত্র শক্তির আশ্রয় নেয়, তবে তা পরিস্থিতিকে আরও অনেক খারাপ করে তুলতে পারে। এবার ট্রাম্প হয়তো ইরানের কাছ থেকে সেই শিক্ষাটি নিয়েছেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ। রুবিওর এই দাবিগুলোকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, “এটি আমার পছন্দ হয়নি–পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য।” মধ্যপ্রাচ্যে আসলেই কী ঘটছে বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণে।

কিউবা বর্তমানে তার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে দেশব্যাপী বিদ্যুৎ বিপর্যয়, অন্যদিকে খাদ্যসংকট ও জনরোষ। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসনের গোয়েন্দা প্রধান জন র্যাটক্লিফের হাভানা সফর আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক কৌতূহল ও জল্পনার জন্ম দিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডিয়াজ-কানেল এই পরিস্থিতির জন্য সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে একে ‘গণহত্যামূলক জ্বালানি অবরোধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, মে মাসের শুরুতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে কিউবার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন
ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ কিউবায় যে কোনো সময় অভিযান চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে এমন আভাস পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

শান্তি আলোচনার কথা বলে আমেরিকা কি ছলনার আশ্রয় নিচ্ছে? এই যুদ্ধের পরিণতি কী? শান্তিচুক্তিতে আমেরিকা ও ইসরায়েলেরও কি শর্ত থাকবে? চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন বিবিসি বাংলার সাবেক প্রধান সাবির মুস্তাফা

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি অবরোধ ও পুরোনো অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে কিউবায় এক সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট দেখা দেয়। এই বিপর্যয়ের পর গতকাল রোববার থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরুদ্ধার করতে শুরু করেছে কিউবা।

কিউবার জলসীমায় প্রবেশ করা আমেরিকার নিবন্ধিত একটি স্পিডবোটে কিউবার সীমান্তরক্ষীরা গুলি ছুড়েছে। এতে চারজন নিহত হয়েছেন এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। কিউবা সরকার জানিয়েছে, নৌযানটির আরোহীরা আগে গুলি চালালে সীমান্তরক্ষীরা পাল্টা ব্যবস্থা নেয়।

কাস্ত্রোর শাসনামলেই কিউবা পশ্চিম গোলার্ধের প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রে পরিণত হয়। একুশ শতক পর্যন্ত তিনি দেশটির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিলেন এবং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবরোধের মুখেও টিকিয়ে রেখেছিলেন কিউবা’কে।

মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু’ -কিউবান বিপ্লবের এই স্লোগান আজও রাজনীতিতে ফিরে ফিরে আসে।

কিউবার কাছে তেল বিক্রি করা দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এ খবর জানিয়েছে।

কিউবার কাছে তেল বিক্রি করা দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এ খবর জানিয়েছে।