চরচা প্রতিবেদক

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) মাঝপথেই দেশে ফিরছেন নাহিদ রানা ও শরীফুল ইসলাম। মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে পেশোয়ার জালমির ম্যাচটি খেলেই বাংলাদেশের উড়োজাহাজ ধরেছেন তারা। তবে তার আগে যা পারফরম্যান্স তাদের, তাতে গর্ব হতেই পারে বাংলাদেশের।
পেশোয়ারের হয়ে প্রথম ম্যাচটি অবশ্য ভালো কাটেনি নাহিদের। তিন ওভারে দেন ৩০ রান। তবে পরের ম্যাচেই ফেরেন ছন্দে। চার ওভারে মাত্র ৭ রানে নেন ৩ উইকেট। পরের দুই ম্যাচে ঝুলিতে জমা হয় আরও চার উইকেট। চার ম্যাচে ১৪ ওভার বোলিংয়ে ওভার প্রতি খরচ ৫.৪২! গতির ঝড়ে টুর্নামেন্ট জুড়েই প্রশংসা কুড়িয়েছেন ২১ বছর বয়সী এই পেসার।
আহামরি ভালো না করলেও একেবারে খারাপও করেননি শরীফুল। বাঁহাতি এই পেসার খেলেছেন পাঁচ ম্যাচ। উইকেট নিয়েছেন দুটি। নাহিদকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে একপ্রান্তে রান আটকে রাখার কাজটা খুব ভালো করেছেন তিনি। তার ইকোনমি রেট ছিল ৭.৯৩।

দুজনেরই আগেই দেশে ফেরার কথা ছিল। তবে পেশোয়ারের বোলিং লাইনআপের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হওয়ায় দলটি তাদের এক ম্যাচ বেশি খেলার জন্য আবেদন করে। এতে বিসিবি সম্মতি দেওয়ায় সভাপতি তামিম ইকবালের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে পেশোয়ারের মালিকপক্ষ।
পিএসএলে খেলার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে মোবাইল বার্তায় চরচাকে শরীফুল জানিয়েছেন, “আমার আর নাহিদের দুজনের জন্যই অবিস্মরণীয় একটা অভিজ্ঞতা ছিল। অনেক কিছু শিখেছি। পেশোয়ার জালমির সবচেয়ে ভালো দিক হল, ওরা খেলোয়াড়দের একদম পরিবারের মত আগলে রাখে। আশা করি আবার দলটির হয়ে খেলতে পারব। তবে আপাতত নিউজিল্যান্ড সিরিজেই সব মনোযোগ দিচ্ছি।”
পিএসএলে নাহিদ-শরীফুলদের পেশোয়ার এখন রয়েছে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে যদি বিশ্রাম দেওয়া হয়, তাহলে ওয়ানডে সিরিজ খেলে আবার পিএসএলে ফিরতে পারেন তারা দুজন।
বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু আগামী ১৭ এপ্রিল। শেষ হবে ২৬ এপ্রিল। আর পিএসএলের ফাইনাল ৩ মে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) মাঝপথেই দেশে ফিরছেন নাহিদ রানা ও শরীফুল ইসলাম। মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে পেশোয়ার জালমির ম্যাচটি খেলেই বাংলাদেশের উড়োজাহাজ ধরেছেন তারা। তবে তার আগে যা পারফরম্যান্স তাদের, তাতে গর্ব হতেই পারে বাংলাদেশের।
পেশোয়ারের হয়ে প্রথম ম্যাচটি অবশ্য ভালো কাটেনি নাহিদের। তিন ওভারে দেন ৩০ রান। তবে পরের ম্যাচেই ফেরেন ছন্দে। চার ওভারে মাত্র ৭ রানে নেন ৩ উইকেট। পরের দুই ম্যাচে ঝুলিতে জমা হয় আরও চার উইকেট। চার ম্যাচে ১৪ ওভার বোলিংয়ে ওভার প্রতি খরচ ৫.৪২! গতির ঝড়ে টুর্নামেন্ট জুড়েই প্রশংসা কুড়িয়েছেন ২১ বছর বয়সী এই পেসার।
আহামরি ভালো না করলেও একেবারে খারাপও করেননি শরীফুল। বাঁহাতি এই পেসার খেলেছেন পাঁচ ম্যাচ। উইকেট নিয়েছেন দুটি। নাহিদকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে একপ্রান্তে রান আটকে রাখার কাজটা খুব ভালো করেছেন তিনি। তার ইকোনমি রেট ছিল ৭.৯৩।

দুজনেরই আগেই দেশে ফেরার কথা ছিল। তবে পেশোয়ারের বোলিং লাইনআপের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হওয়ায় দলটি তাদের এক ম্যাচ বেশি খেলার জন্য আবেদন করে। এতে বিসিবি সম্মতি দেওয়ায় সভাপতি তামিম ইকবালের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে পেশোয়ারের মালিকপক্ষ।
পিএসএলে খেলার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে মোবাইল বার্তায় চরচাকে শরীফুল জানিয়েছেন, “আমার আর নাহিদের দুজনের জন্যই অবিস্মরণীয় একটা অভিজ্ঞতা ছিল। অনেক কিছু শিখেছি। পেশোয়ার জালমির সবচেয়ে ভালো দিক হল, ওরা খেলোয়াড়দের একদম পরিবারের মত আগলে রাখে। আশা করি আবার দলটির হয়ে খেলতে পারব। তবে আপাতত নিউজিল্যান্ড সিরিজেই সব মনোযোগ দিচ্ছি।”
পিএসএলে নাহিদ-শরীফুলদের পেশোয়ার এখন রয়েছে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে যদি বিশ্রাম দেওয়া হয়, তাহলে ওয়ানডে সিরিজ খেলে আবার পিএসএলে ফিরতে পারেন তারা দুজন।
বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু আগামী ১৭ এপ্রিল। শেষ হবে ২৬ এপ্রিল। আর পিএসএলের ফাইনাল ৩ মে।