চরচা ডেস্ক

ইরানে নিখোঁজ মার্কিন সেনাকে উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি বিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে তেহরান। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, ধ্বংস হওয়া বিমানটি মার্কিন বিমান বাহিনীর ‘সি-১৩০’ শ্রেণির একটি পরিবহন বিমান।
ফার্স নিউজের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
পুলিশের বিশেষ কমান্ডো ইউনিট ফারাজ রেঞ্জার্স এই অভিযান পরিচালনা করে বিমানটি ধ্বংস করেছে বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। ইরান এই ঘটনাকে তাদের সার্বভৌমত্ব ও পবিত্র ভূমি রক্ষার অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
ফার্স নিউজের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বিমানটি সেই মুহূর্তে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে ‘আগ্রাসনকারীদের’ জ্বালানি সরবরাহ কাজে নিয়োজিত ছিল।
তবে এ বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এর আগে শুক্রবার মার্কিন এফ-১৫ই ও এ-১০ ওয়ার্থগ মডেলের আরেকটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে ইরান। এফ-১৫ই বিমানে থাকা দুইজন ক্রুয়ের মধ্যে একজনকে উদ্ধার করা হলেও অপরজন এখনো নিখোঁজ ছিলেন। তাকে উদ্ধারে ব্যাপক অভিযানে নামে মার্কিন সেনারা। একই সঙ্গে তাকে খুঁজছিল ইরানও।
এদিকে, ‘তীব্র গোলাগুলির’ পর ওই ক্রুকে উদ্ধার করা সম্ভব হয় বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানে নিখোঁজ মার্কিন সেনাকে উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি বিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে তেহরান। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, ধ্বংস হওয়া বিমানটি মার্কিন বিমান বাহিনীর ‘সি-১৩০’ শ্রেণির একটি পরিবহন বিমান।
ফার্স নিউজের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
পুলিশের বিশেষ কমান্ডো ইউনিট ফারাজ রেঞ্জার্স এই অভিযান পরিচালনা করে বিমানটি ধ্বংস করেছে বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। ইরান এই ঘটনাকে তাদের সার্বভৌমত্ব ও পবিত্র ভূমি রক্ষার অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
ফার্স নিউজের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বিমানটি সেই মুহূর্তে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে ‘আগ্রাসনকারীদের’ জ্বালানি সরবরাহ কাজে নিয়োজিত ছিল।
তবে এ বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এর আগে শুক্রবার মার্কিন এফ-১৫ই ও এ-১০ ওয়ার্থগ মডেলের আরেকটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে ইরান। এফ-১৫ই বিমানে থাকা দুইজন ক্রুয়ের মধ্যে একজনকে উদ্ধার করা হলেও অপরজন এখনো নিখোঁজ ছিলেন। তাকে উদ্ধারে ব্যাপক অভিযানে নামে মার্কিন সেনারা। একই সঙ্গে তাকে খুঁজছিল ইরানও।
এদিকে, ‘তীব্র গোলাগুলির’ পর ওই ক্রুকে উদ্ধার করা সম্ভব হয় বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।