চরচা ডেস্ক

ইরান যদি শান্তিচুক্তিতে রাজি না হয়, তাহলে তেহরানের বিরুদ্ধে ফের হামলা চালাতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। তবে তেহরানের কাছ থেকে ‘সঠিক উত্তর’ পাওয়ার জন্য ওয়াশিংটন কয়েক দিন অপেক্ষাও করতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব বলেন ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানে অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’ স্থগিত করে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার ছয় সপ্তাহ পরও যুদ্ধ অবসানের আলোচনায় খুব একটা অগ্রগতি দেখা যায়নি। সেইসঙ্গে জ্বালানি তেলের লাগামহীনভাবে দাম বাড়ার কারণে চাপে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
মার্কিন সামরিক ঘাঁটি জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে ট্রাম্প বলেন, “বিশ্বাস করুন, যদি আমরা কাঙ্ক্ষিত উত্তর না পাই, তাহলে খুব দ্রুত সবকিছু ঘটবে। আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।” কত দিন অপেক্ষা করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, “কয়েক দিনও হতে পারে, আবার খুব দ্রুতও ঘটতে পারে।”
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল নতুন হামলার শুরু করলে তার জবাব হবে ব্যাপক ও কড়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক অডিও বার্তায় বলেন, “শত্রুর প্রকাশ্য ও গোপন তৎপরতা দেখেই বোঝা যাচ্ছে, তারা নতুন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।”
প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, তেহরান এখনো আলোচনার জন্য উন্মুক্ত। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, “তবে জোর করে ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার ধারণা নিছক বিভ্রম ছাড়া আর কিছু নয়।”
অন্যদিকে, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না বলে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “আমরা ইরান ইস্যুর শেষ পর্যায়ে আছি। দেখা যাক, কী হয়। হয় একটি চুক্তি হবে, নয়তো আমরা কিছুটা কঠোর পদক্ষেপ নেব। যদিও আশা করি সেটা লাগবে না।”
একই দিনে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের সঙ্গে কথা বলেছেন ট্রাম্প। আঙ্কারা জানায়, এরদোয়ান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ট্রাম্পকে বলেছেন, তিনি মনে করেন একটি ‘যৌক্তিক সমাধান’ সম্ভব।

ইরান যদি শান্তিচুক্তিতে রাজি না হয়, তাহলে তেহরানের বিরুদ্ধে ফের হামলা চালাতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। তবে তেহরানের কাছ থেকে ‘সঠিক উত্তর’ পাওয়ার জন্য ওয়াশিংটন কয়েক দিন অপেক্ষাও করতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব বলেন ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানে অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’ স্থগিত করে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার ছয় সপ্তাহ পরও যুদ্ধ অবসানের আলোচনায় খুব একটা অগ্রগতি দেখা যায়নি। সেইসঙ্গে জ্বালানি তেলের লাগামহীনভাবে দাম বাড়ার কারণে চাপে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
মার্কিন সামরিক ঘাঁটি জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে ট্রাম্প বলেন, “বিশ্বাস করুন, যদি আমরা কাঙ্ক্ষিত উত্তর না পাই, তাহলে খুব দ্রুত সবকিছু ঘটবে। আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।” কত দিন অপেক্ষা করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, “কয়েক দিনও হতে পারে, আবার খুব দ্রুতও ঘটতে পারে।”
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল নতুন হামলার শুরু করলে তার জবাব হবে ব্যাপক ও কড়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক অডিও বার্তায় বলেন, “শত্রুর প্রকাশ্য ও গোপন তৎপরতা দেখেই বোঝা যাচ্ছে, তারা নতুন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।”
প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, তেহরান এখনো আলোচনার জন্য উন্মুক্ত। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, “তবে জোর করে ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার ধারণা নিছক বিভ্রম ছাড়া আর কিছু নয়।”
অন্যদিকে, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না বলে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “আমরা ইরান ইস্যুর শেষ পর্যায়ে আছি। দেখা যাক, কী হয়। হয় একটি চুক্তি হবে, নয়তো আমরা কিছুটা কঠোর পদক্ষেপ নেব। যদিও আশা করি সেটা লাগবে না।”
একই দিনে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের সঙ্গে কথা বলেছেন ট্রাম্প। আঙ্কারা জানায়, এরদোয়ান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ট্রাম্পকে বলেছেন, তিনি মনে করেন একটি ‘যৌক্তিক সমাধান’ সম্ভব।